‘পুঁটি মাছ ৫০০ গ্রাম। পুঁটি মাছ না থাকলে কয়েক পদের ছোটমাছও নিতে পারো। তেল আধা কাপ। টুকরো করা আমড়া ২০০ গ্রাম। পিঁয়াজ বাটা ২ চা-চামচ। রসুন বাটা ১ চা-চামচ। মরিচ ও ধনে গুড়া ১ টেবিল চামচ। হলুদ গুড়া আধা চা-চামচ। কাঁচা মরিচ ৮/১০টি আর লবণ।’

‘বলো কি! এত কম মসলায় তরকারি হয়ে যাবে?’

default-image

‘তোমার অবাক হওয়ার রেশ শেষ হতে হতে আমার রেসিপি বলা শেষ হয়ে যাবে। তাই পরে অবাক হও। আগে রেসিপিটা শোনো।’

‘কীভাবে রান্না শুরু করব বল?’

‘একটি পাত্রে সবগুলো উপাদান ভালো করে মিশিয়ে ১০ মিনিট ঢেকে রেখে দাও।’

‘তারপর?’

‘আধা লিটার পানি দিয়ে প্রায় ২০-২৫ মিনিট মিডিয়াম আগুনে জাল দাও।’

‘তারপর?’

‘রান্না শেষ।’

default-image

‘কী বলো!’

‘বলছিলাম না, এর চেয়ে সহজ রেসিপি পৃথিবীতে নাই। আমরা একটু বেশি ঝাল খাই। তাই নামানোর ১০ মিনিট আগে কিছু কামরাঙ্গা মরিচ দিয়ে দিয়েছি, চাইলে তুমিও দিতে পারো। অদ্ভুত টেস্ট হয়। আর ছোট মাছ রান্না করার সময় একটা জিনিস খেয়াল রাইখো।’

‘কী?’

default-image

‘মাছগুলো যেন গোদা ফেলে ভালো করে পরিষ্কার করা হয়। লেবু আর লবণ দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিবা। না হলে তরকারি তিতা হয়ে যায়। দরকার হলে মাছের মাথা ফেলে দিও। অনেক সময় ছোট মাছের মাথায় বালি থাকে। তরকারিটা অবশ্যই ঠান্ডা হওয়ার পরে খাবা। তাহলে আসল স্বাদ পাবা।’

রান্না করার পরে নিজেই টাশকি খেয়ে গেলাম! এত অল্প সময়ে এত সুস্বাদু তরকারি রান্না করতে পারব কল্পনাও করিনি।

default-image
রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন