ওই ব্যক্তির পরিচয় গোপন রেখে ম্যাকডোনাল্ডস একটি পোস্ট দেয়। পোস্টটি কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই লাখো মানুষ পছন্দ করে। শেয়ার হয় দুই হাজারের বেশিবার। তবে অনেকেই অনেক রকম মন্তব্য করছেন। সে রকম কয়েকটি তুলে ধরা হলো।
‘ওয়াও। গ্রেট।’ ‘অসাধারণ মার্কেটিং পলিসি। এক হাজার দিরহামে এক কোটি ডলারের প্রচারণা।’ ‘এ রকম একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভালো উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কেন একজন অসুস্থ রোগীকে বাইরের খাবার খেতে দিল? তাও আবার ফাস্ট ফুড!’

default-image

বছরের শুরুতেই অন্য আরেক কারণে আলোচনায় এসেছিল বহুজাতিক এই ফাস্ট ফুড চেইন। ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের পর রাশিয়াতে মার্কিন এই ফুড চেইন ‘অবৈধ’ বলে ঘোষণা দেওয়া হয়। তখন তড়িঘড়ি করে ম্যাকডোনাল্ডস রাশিয়া নিজেদের রেস্তোরাঁগুলো সেখানকারই এক স্থানীয় মালিকের কাছে বিক্রি করে দেয়। সেই খাবার ব্যবসায়ীর নাম অ্যালেক্সান্ডার নিকোলায়েভিচ গভর।

ম্যাকডোনাল্ডসের নতুন রুশ নাম হয় ‘কুজনা ই তোশা’। বাংলা অর্থ করলে হয় ‘সুস্বাদু এবং কেবল এটুকুই’। রাতারাতি রুশ কোম্পানিতে পরিণত হয় একটা মার্কিন কোম্পানি। যুদ্ধের মধ্যেই ‘কুজনা ই তোশা’র ব্যাপক পসার ঘটান নতুন মালিক। প্রাথমিকভাবে রাজধানী মস্কো ও আশপাশে ১৫টি, এরপর ৫০টি ও জুনের শেষে ২০০ নতুন শাখা খোলে তারা। নিয়োগ দেয় ৫১ হাজার নতুন কর্মী।

রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন