আপনি হয়তো ভাবছেন, কে খাবে লাখ টাকার আইসক্রিম? বাস্তবতা কিন্তু ভিন্ন। মাত্র ২৪ ঘণ্টায় অভাবনীয় সাড়া পেয়েছে হোটেল কর্তৃপক্ষ। বলা হয়েছিল, লাখ টাকার এই আইসক্রিমটি চেখে দেখতে হলে আপনাকে আগে থেকে হোটেলে বুকিং দিতে হবে। কেননা, এই হোটেলে বিলাসবহুল ইম্পেরিয়াল সুইটের সংখ্যা মাত্র ১। আর ইতিমধ্যে অসংখ্য ফরমাশ এসেছে এই হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছে। তাই এই তাদের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে, আপাতত লাখ টাকার সোনার আইসক্রিমের ফরমাশ না করার জন্য। কেননা তারা আর অর্ডার নিতে পারছে না। এ ছাড়া হোটেলটির অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (মার্কেটিং) সৈয়দ মেহেরান হুসাইন জানিয়েছেন, আইসক্রিমের জন্য তাঁরা সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে গোল্ড লিফ এনেছিলেন। এই গোল্ড লিফ এখন ‘আউট অব মার্কেট’। তাই খুব বেশি ফরমাশ নেওয়ারও সুযোগ নেই। তিনি বললেন, ‘আমরা আসলে ভাবিনি যে আমাদের এই উদ্যোগ এতটা সাড়া ফেলবে! আমরা অভিভূত।’

default-image

ব্যবহারযোগ্য সোনা ছাড়াও আরেকটি বিশেষ রকমের সোনা খাওয়াও যায়। সেটিই ব্যবহার করা হয়েছে এই আইসক্রিমের রেসিপিতে। খাওয়ার সোনা দুবাইসহ বিশ্বের ধনী ও সোনাসমৃদ্ধ শহরগুলোয় জনপ্রিয়। দামি এই ধাতু পুষ্টিগুণসমৃদ্ধও। সোনা ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম, কয়েকটি ভিটামিন, জিংক, কপার ও সেলেনিয়ামের উৎস। নবাবি খাবারে সোনা ব্যবহারের রীতি ছিল।

রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন