চন্দনের ব্যবহার একটু কঠিন এবং ধারাবাহিক প্রক্রিয়া, জানালেন এই রূপবিশেষজ্ঞ। ঠিকঠাক ফল পেতে চাইলে ব্যবহার করতে হবে প্রতিদিন। কারণ, চন্দন ধীরে কাজ করবে, কিন্তু একটা স্থায়ী সমাধান দেবে। খাবার যেমন আমরা নিয়মিত খাই, তেমন চন্দনও নিয়মিত মাখতে হবে।

তৈলাক্ত ত্বক হলে পুদিনাপাতা আর তুলসীপাতার রসে চন্দন ভিজিয়ে ব্যবহার করতে পারেন। শুষ্ক ত্বক হলে কাঁচা দুধে ভিজিয়ে ব্যবহার করবেন। গোলাপজল, গ্লিসারিন, সামান্য পরিমাণে কর্পূর আর চন্দন মিলিয়ে ত্বকে লাগালে উজ্জ্বলতা বাড়বে স্থায়ীভাবে। মেছতার সমস্যা দেখা দিলে চন্দন আর মঞ্জিষ্ঠা মিলিয়ে ত্বকে লাগাতে হবে। শুষ্ক ত্বকেই বেশি মেছতা হয়। তাই ওই প্যাকে সামান্য দুধ মিলিয়ে নিতে পারেন।

কোথায় মিলবে এসব আয়ুর্বেদিক উপাদান? এমন প্রশ্নে এই বিশেষজ্ঞ জানান, এখন সব কবিরাজি দোকানে গেলেই চন্দন, মঞ্জিষ্ঠা আর কর্পূর পাওয়া যায়। চন্দন দুই প্রকার—রক্তচন্দন ও শ্বেতচন্দন। দুটিই ত্বকে ব্যবহার করা হয় তবে বেশি ভালো শ্বেতচন্দন। চন্দনে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই। র‌্যাশ বা অ্যালার্জি কমাতেও এটা সাহায্য করে।

প্যাকগুলো সপ্তাহে কত দিন ব্যবহার করা যাবে, এটি নির্ভর করবে ত্বকে কতটা সমস্যা আছে তার ওপর। মৌসুমি বলেন, সানট্যানের সমস্যা হলে কর্পূর মেশানো প্যাকটা এমনভাবে বানিয়ে নিন, যেন সাত দিন ফ্রিজে রাখা যায়। পরে প্রতিদিন সেটা ত্বকে লাগান। নিয়মিত ১০ মিনিট সময় দিলেই দেখবেন সানট্যানের সমস্যা আর ধারেকাছেও ঘেঁষতে পারবে না। এভাবে নিয়মিত ব্যবহারে মুক্তি মিলবে ত্বকের সমস্যাগুলোর হাত থেকে।