৩. পালংশাক ও ব্রকলি

কিছু কিছু সবজিতে একটু বেশি মাত্রায় প্রোটিন থাকে। যেমন পালংশাক, ব্রকলি। এ ছাড়া অঙ্কুরিত ছোলা, মাশরুম, মটরশুঁটি, কাঁঠালের বিচি, ভুট্টাও প্রোটিনের ভালো উৎস। পালং শাক মসুর ডাল দিয়ে রান্না করে খেতেও দারুণ।

default-image

৪. সয়া
সয়াবিনের বড়ি ভুনা নিরামিষশীদের ভেতর খুবই জনপ্রিয়। অনেকে এটাকে বলেন সয়া নাগেট। খাবার টেবিলে সয়া থাকলে ভালো মাত্রার প্রোটিন পাওয়া সম্ভব। যাঁরা দুধ বা ডিম কোনোটাই খেতে চান না, তাঁদের খাবারে দৈনিক পাঁচমিশালি ডাল, টফু, সয়া প্রোটিন, মাশরুম অবশ্যই রাখতে হবে।

default-image

৫. বাদাম

কাঠবাদাম, কাজু, পেস্তা, আখরোট—এসব বাদাম প্রোটিনসমৃদ্ধ। ৩৫ গ্রাম কাঠবাদামে থাকে প্রায় ৭ গ্রাম প্রোটিন।

default-image

প্রোটিন শরীরের জন্য প্রয়োজনীয়। তাই একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের প্রতি কেজি ওজনের বিপরীতে দৈনিক কমপক্ষে ১ গ্রাম প্রোটিন গ্রহণের প্রয়োজন হয়। অর্থাৎ, যাঁর ওজন ৫০ কেজি, তাঁকে দিনে ৫০ গ্রাম প্রোটিন খেতে হবে। তাই যাঁরা হঠাৎ করে প্রাণিজ আমিষ ছেড়ে কেবল নিরামিষ খেতে শুরু করবেন, তাঁদের অবশ্যই একজন পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিতে হবে।

রসনা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন