বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কল্পনায় স্নিগ্ধ

অনেক দিন থেকেই ভাবছি, আমার ভাবনা নিয়ে কিছু লিখব। আমি অনেক হাসিখুশি একটা মেয়ে। তবে এখন যেন কেমন মলিন হয়ে গেছি। সবাই যেন কেমন হয়ে গেছে, কেউ আমাকে বোঝে না। আমি মানসিকভাবে অনেক ভেঙে পড়েছি। আমার আম্মু যদি আমাকে বুঝত! সামান্য কিছু একটা হলেই কেমন রাগারাগি, বকাবকি করে মা। তার মধ্যে এমন কিছু কথা থাকে, যা আমাকে ভীষণ আঘাত করে, মনে করিয়ে দেয় মৃত্যুর কথা! কোনো বন্ধুও আমাকে বোঝেনি, সঙ্গ দেয়নি। আমার ভালো লাগাগুলোতেও তারা বাধা দিয়েছে। এসব মানুষের থেকে আমার ডায়েরি, গাছ, আয়না আর বই ভালো। এরা আমার প্রতিটি অনুভূতি বোঝে। এককথায় মানুষকে ভালোবাসার চেয়ে প্রকৃতি, বই, পশুপাখিকে ভালোবাসা শ্রেয়। মানুষ মানুষকে পর করলেও প্রকৃতি কাউকে পর করে না।

সুমাইয়া নুর, রংপুর

ফিরে আয় বন্ধু

প্রিয় বন্ধু, মান–অভিমান বন্ধুত্বকে করে আরও গভীর ও সুদৃঢ়। যে বন্ধুকে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসি, তাঁর ওপরই অভিমান হয় সবচেয়ে বেশি। কারণে কিংবা অকারণ, ক্ষণে ক্ষণে অভিমানের স্তূপ জমে। আর মন বলে, বন্ধু, তুই অভিমান ভাঙিয়ে দে।

গত বছর ১৩ জানুয়ারি রাতে আমার সামান্য মজা করা নিয়ে তোর বাজে ব্যবহারে খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। ভেবেছিলাম, পরে সব বুঝে নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করবি আর আমিও অভিমান ভুলে যাব। কিন্তু একটা বছর পেরিয়ে গেলেও তুই অভিমান ভাঙাতে এলি না। তোর অনেক বন্ধুর ভিড়ে আমাকে ভুলে গেছিস। আমার কথা ভাবার সময় কোথায় তোর বল?

প্রিয় বন্ধু, রাতের সব তারা যেমন লুকিয়ে থাকে দিনের আলোর গভীরে, তেমনি তোর প্রতি আমার ভালোবাসা লুকিয়ে আছে অভিমানের আড়ালে। যখনই তোর কথা মনে পড়ে, আমার হৃদয় দুমড়েমুচড়ে যায়। ফিরে আয় বন্ধু, তোর অপেক্ষায় আছি।

ইয়াছিন রিসাদ, ছাগলনাইয়া, ফেনী

এই মনে থাকবে তুমি

‘পুরোনো সেই দিনের কথা ভুলবি কী রে, হায়! ও সেই চোখের দেখা, প্রাণের কথা, সেই কি ভোলা যায়!’ জানি তুমি আর ফিরে আসবে না। কিন্তু, তোমার সঙ্গে পথচলার সেই সব মধুক্ষণ ভুলব কী করে? আজ তুমি নেই, তবু আমার কাছে তুমি চিরকালই আছ। কারণ, আমার মনের দখল নিয়েছ তুমি। সে মন আর কাউকে দিতে পারব না। তোমার কি আমার কথা মনে পড়ে না? একবারও ফোন করতে মন চায় না?

যখন তুমি আর আমি পঞ্চম শ্রেণিতে একই স্কুলে পড়তাম, একই বেঞ্চে বসতাম, কত দুষ্টুমিই না করতাম। আমি ছিলাম তোমার কাছে সাত রাজার ধন। কিন্তু বাস্তবতা কত কঠিন। সেসব স্মৃতি ভুলে তুমি অন্যজনের হাত ধরে পথ চলতে শুরু করলে। তোমাকে আমি কখনো ভুলব না। সারা জীবন এই মনে থাকবে তুমি।

শেখ মোহাম্মদ জুবায়ের

বাজিতপুর হাফেজ আ. রাজ্জাক পাইলট উচ্চবিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ

আমার অসম প্রেম

‘আর তাঁর প্রভাবেই আমি শিখে ফেলি,

কী করে প্রভাতেই

—মরা গোলাপ নিয়ে,

ভরা হাতে ফেরা যায়।’

আমার লেখা কবিতা। আপনার জন্য। আর কে আপনার জন্য এমন করে কবিতা লিখেছে বলেন তো? টিচারের প্রেমে পড়া যায়, আমি জানতাম। কিন্তু সেই প্রেমে ডুবতে ডুবতে তিন বছর কাটানো যায়, জানতাম না। আমি জানি, এটা আপনি পাবেন না, তাই স্বাধীনভাবে চিৎকার করে জানাচ্ছি—‘এত্তগুলো ভালোবাসি আমি আপনাকে, মি. আহসান হাবীব।’

সুবাইতা, ঢাকা

লেখা পাঠানোর ঠিকানা

অধুনা, প্রথম আলো, প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০–২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫।

ই-মেইল: [email protected], ফেসবুক: facebook.com/adhuna.PA খামের ওপর ও ই-মেইলের subject–এ লিখুন ‘মনের বাক্স’

সম্পর্ক থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন