এনজো ফার্নান্দেজের বান্ধবী কেন তাঁকে ‘তৃতীয় সুযোগ’ দেবেন না বলেছেন

এনজো ফার্নান্দেজ—আর্জেন্টিনা দলের গুরুত্বপূর্ণ মিডফিল্ডার। প্রতিপক্ষের জালে যিনি দূর থেকে নিখুঁত শট নিতে পারেন; আর যে কারণে তাঁকে ‘দূরপাল্লার মিসাইল’ বলেন অনেকে। ২০২৬ বিশ্বকাপে দারুণ ফর্মে আছেন। সর্বশেষ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে হারাতে তাঁর গোলটিই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এনজো ফার্নান্দেজের ব্যক্তিগত জীবনও নাটকীয়তায় ভরা। বান্ধবী ভ্যালেন্তিনা সারভান্তেসের সঙ্গে প্রেম, দুই সন্তানের জন্ম, বিচ্ছেদ ও আবার ফিরে আসা যেন সিনেমার মতো। চলুন, এনজো ফার্নান্দেজের ব্যক্তিগত জীবনে উঁকি মারা যাক।

১ / ১৩
এনজো ফার্নান্দেজের বয়স এখন ২৫ বছর। তাঁর বান্ধবী ভ্যালেন্তিনা সারভান্তেসের বয়স ২৬। দুজনেরই বেড়ে ওঠা আর্জেন্টিনার বুয়েনস এইরেসের সান মার্তিনে শহরে।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
২ / ১৩
স্কুলে পড়ার বয়সেই তাঁদের পরিচয় হয় পরিবারের সঙ্গে মার দেল তুইউ সমুদ্রসৈকতে বেড়াতে গিয়ে। ২০১৮ সালের সেই পরিচয়ের পর থেকেই দুজন দুজনের কাছে চলে আসেন। এরপর দ্রুতই তাঁর একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৩ / ১৩
ফার্নান্দেজের বর্তমান ক্লাব চেলসি পর্যন্ত আসার প্রতিটি ধাপেই তাঁর সঙ্গে ছিলেন ভ্যালেন্তিনা। শুরুতে আর্জেন্টিনার শতবর্ষী ক্লাব এনজো রিভার প্লেটের একাডেমিতে বেড়ে ওঠেন ফার্নান্দেজ। এ সময়ে তাঁর ফুটবলার হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার আগপর্যন্ত ভ্যালেন্তিনা প্রায় একাই সংসারের খরচ চালাতেন।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৪ / ১৩
এনজো ফার্নান্দেজ রিভার প্লেট, বেনফিকা, চেলসি কিংবা আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের তারকা হয়ে ওঠার অনেক আগেই এই যুগলকে এমন সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে, যা অনেক তরুণ পরিবারের কাছেই এখন গল্প মনে হতে পারে।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
আরও পড়ুন
৫ / ১৩
ভ্যালেন্তিনা সারভান্তেস ওই সময় নানা রকম কাজ করে টাকা উপার্জন করতেন। কখনো খাবারের দোকানে আবার কখনো কল সেন্টারে কাজ করেছেন। তাঁর একটাই উদ্দেশ্য ছিল— ফার্নান্দেজ যেন নির্বিঘ্নে খেলাটা চালিয়ে যেতে পারেন। এ সময়ে খরচ বাঁচাতে নিজেরা ফেসবুক থেকে পুরোনো পোশাক কিনতেন বলে এক সাক্ষাৎকারে জানান ভ্যালেন্তিনা।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৬ / ১৩
২০২১ সালে প্রথম জাতীয় দলে ডাক পান এনজো ফার্নান্দেজ। ২০২২ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনা শিরোপা জেতে আর ফার্নান্দেজ নির্বাচিত হন সেরা তরুণ খেলোয়াড় হিসেবে।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৭ / ১৩
এদিকে জাতীয় দলে ডাক পাওয়ার আগেই ২০২০ সালে অলিভিয়া নামে এক মেয়ের বাবা–মা হন ফার্নান্দেজ–ভ্যালেন্তিনা জুটি। এ সময় ফার্নান্দেজের বয়স মাত্র ১৯ বছর। এরপর ২০২৩ সালে তাঁদের ঘরে আসে ছেলে বেনজামিন।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৮ / ১৩
২০২৪ সালে আর্জেন্টিনা কোপা আমেরিকা জেতে। সেখানেও গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিলেন এনজো ফার্নান্দেজ; আর এ বছরই দাম্পত্য জীবন নিয়ে এক বোমা ফাটান এই জুটি।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
৯ / ১৩
দুজনেই আলাদা আলাদাভাবে জানান, তাঁরা আর একসঙ্গে নেই। তবে সন্তানদের দেখাশোনা করবেন দুজনে মিলেই। যদিও বিচ্ছেদের পর দুই সন্তানকে নিয়ে আর্জেন্টিনায় ফিরে আসেন ভ্যালেন্তিনা; আর ইংল্যান্ডে থেকে চেলসির হয়ে নিজের খেলা চালিয়ে যেতে থাকেন ফার্নান্দেজ।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১০ / ১৩
বিচ্ছেদের কারণ হিসেবে তৃতীয় পক্ষের কোনো গুঞ্জন শোনা যায়নি। গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, কম বয়সে দুই সন্তানের বাবা হয়ে যাওয়াই নাকি ফার্নান্দেজের মনঃকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পূর্ণ যৌবনে দাঁড়িয়ে তিনি জীবনটাকে নিজের মতো করে উপভোগ করতে চাইছিলেন। তবে এ ঘটনার পর ভক্তরাও এনজো ফার্নান্দেজকে দুয়ো দিয়েছিলেন।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
আরও পড়ুন
১১ / ১৩
ভ্যালেন্তিনা সারভান্তেস নিজের প্রচেষ্টাতেই ফার্নান্দেজের প্রেমিকা ও সন্তানের মা পরিচয়ের বাইরেও নিজের আলাদা একটি পরিচয় গড়ে তুলেছেন। আর সেটি হলো ইনফ্লুয়েন্সার ও মডেল। তিন মিলিয়নের বেশি ফলোয়ার নিয়ে নানা রকম ব্র্যান্ডের প্রোমোশন করেন ভ্যালেন্তিনা। করেন ফ্যাশন ফটোশুটও। ভবিষ্যতে নিজের একটি ফ্যাশন হাউস চালু করতে চান।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১২ / ১৩
২০২৫ সালে এসে এই জুটি আবারও একসঙ্গে থাকতে শুরু করেন। তাঁরা নিজেদের সংসারটা গুছিয়ে নিতে চেষ্টা করছেন বলে জানান। ভ্যালেন্তিনা এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আবার এক হওয়ার সিদ্ধান্তটি সহজ ছিল না। তবে মানুষ ভুল করতে পারে, তাই দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়া যায়। তবে তৃতীয় সুযোগ নয়।’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে
১৩ / ১৩
আর এই বক্তব্যের মাধ্যমে যেন তিনি একটা প্রচ্ছন্ন হুমকিও দিয়ে রেখেছেন। যা হোক, বিশ্বকাপে এবারও দারুণ খেলছেন এনজো ফার্নান্দেজ। আর দুই সন্তানকে নিয়ে গ্যালারিতে আলো ছড়াচ্ছেন ভ্যালেন্তিনা। একটু পরই আর্জেন্টিনা মাঠে নামবে শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে; আর সেখানে বিশেষভাবে নজরে থাকবেন এনজো ফার্নান্দেজ।
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

সূত্র: গোল, এলপাতাগনিকো ও অ্যাথলোন স্পোর্টস

আরও পড়ুন