২. এত দূর আসার পেছনের কষ্টগুলোর কথা ভাবুন

প্রতিটি কাজের পেছনে শ্রম থাকে। কাজের ফাঁকে সময় বের করা, অবসর বা ঘুমের সময় কমিয়ে অনেকেই শেখা চালিয়ে যান। হয়তো কোনো ছুটির দিনের ঘোরাঘুরি বা আড্ডায় বন্ধুদের ডাক উপেক্ষা করে আপনি কাজ করে গেছেন আপনার লক্ষ্যকে ছোঁয়ার জন্য। তাই যখনই কোনো কিছু ছেড়ে দেওয়ার কথা ভাবছেন, ভাবুন আপনার এত দিনের কষ্ট, ত্যাগ এসবের কথা। এত সব ত্যাগ আর কষ্টকে কি আপনি বৃথা যেতে দেবেন?

৩. অতীতের চ্যালেঞ্জগুলো মনে করুন

এগিয়ে যাওয়ার জন্য কখনো পেছনে ফিরে তাকাতেও হয়। নিজের জীবনের চ্যালেঞ্জগুলোর কথা ভাবুন, যখন আপনি লেগে ছিলেন। হাল ছাড়েননি। নিজেকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে উৎসাহিত করার জন্য মনে করুন, কীভাবে অতীতে নিজের সমস্যাগুলো সামলে উঠেছিলেন। অতীতের চ্যালেঞ্জিং ঘটনাগুলো আপনাকে সামনে এগিয়ে চলার শক্তি জোগাবে।

৪. শুভাকাঙ্ক্ষীর সঙ্গে সমস্যাগুলো শেয়ার করুন

কখনো কখনো আমাদের শুধু একজন মানুষকে দরকার পড়ে, যার কাছে আমরা নিজের কথাগুলো বলে হালকা হতে পারি। যদি একা একা আর চাপ নিতে না পারেন, তাহলে একজন ভালো বন্ধু বা মেন্টরের কাছে যান। সমস্যাগুলো খুলে বলুন। তিনি নিশ্চয়ই আপনার সমস্যাগুলো থেকে বের হতে সাহায্য করবেন। আর আপনিও ভারমুক্ত হয়ে আবার ঝাঁপিয়ে পড়তে পারবেন কাজে।

৫. সমস্যা জীবনেরই অংশ

আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথ কখনো মসৃণ হয় না। হাজারো সমস্যা থাকে, বাধা আসে। আর এ সমস্যাগুলোই আমাদের ধৈর্য ধরে লক্ষ্যে এগিয়ে যাওয়া শেখায়, আরও শক্তিশালী করে। তাই সমস্যাকে ইতিবাচকভাবে দেখার চেষ্টা করুন। আজ সমস্যা ভেবে কোনো কাজ ছেড়ে দেওয়া মানে ভবিষ্যতে আরও সম্ভাব্য সমস্যার সৃষ্টি করা।

৬. বিরতি নিন

কখনো কখনো আমরা কাজের চাপে বিরতি নেওয়ার কথা ভুলে যাই। একটানা কাজ আমাদের শুধু শারীরিকভাবেই নয়, মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত করে। ক্লান্ত লাগলে বিরতি নিন। তবে হাল ছাড়বেন না। সময় পেলে ঘুরে আসুন কোথাও থেকে। না হলে একটা ভালো সিনেমা বা সিরিজে ডুব দিন। বই পড়ুন। বিরতি নেওয়া শেষ হলে আবার নতুন উদ্যমে ঝাঁপিয়ে পড়ুন।

নতুন একটা কাজের শুরুটাই সবচেয়ে কঠিন। তবে আপনি যেহেতু কঠিন কাজটাই করে ফেলেছেন, তাই হতাশা বা নেতিবাচক চিন্তাকে আপনার পথের কাঁটা হতে দেবেন না। যতই কষ্ট হোক, বাধা আসুক, একটু একটু করে এগিয়ে যান। লক্ষ্যে পৌঁছানোর পর বুঝতে পারবেন, আপনার পরিশ্রম বৃথা যায়নি।