‘বিতর্কের বিশ্বকাপ’খ্যাত এ প্রতিযোগিতায় এবারই প্রথম কোনো বাংলাদেশি দল ফাইনালে উঠেছিল। ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিত এ ফাইনালে বেশ কয়েকটি নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দলকে পেছনে ফেলে শিরোপা জেতেন সৌরদীপ ও সাজিদ। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পাশাপাশি ইংরেজিকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে ব্যবহারকারী বিভাগে সাজিদ আসবাত খন্দকার দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ বক্তা ও সৌরদীপ পাল ষষ্ঠ শ্রেষ্ঠ বক্তা নির্বাচিত হন। ওপেন ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে নবম শ্রেষ্ঠ বক্তা হন সাজিদ আসবাত খন্দকার।

এর আগেও এই জুটি দেশে-বিদেশে বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে দেশের জন্য সাফল্য বয়ে এনেছেন। এর মধ্যে অন্যতম অর্জন হলো কেমব্রিজ ইন্টারভার্সিটি ২০২১–এর চ্যাম্পিয়নশিপ। দলের সদস্য সৌরদীপ পাল বলেন, ‘স্কুল থেকেই বিতর্ক করতে ভালো লাগত। এরপরে কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছি। তবে বিতর্কজীবনের শুরু থেকেই স্বপ্ন ছিল, ডব্লিউইউডিসিতে ভালো করতে চাই। ২০১৩ সালে ব্র্যাকের একটা দল ইংরেজিকে ২য় ভাষা হিসেবে ব্যবহারকারী বিভাগে জিতেছিল। আর ২০১৫ সালে আইবিএর একটা দল নকআউট পর্বে খেলেছে। এই দুই অর্জন আমাদের সাহস জুগিয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে আমরা অংশগ্রহণ করেছি। তবে খুব সহজে জয় ধরা দেয়নি। কয়েকবার নকআউট পর্ব থেকে বাদ পড়ে এ বছর অবশেষে চ্যাম্পিয়ন হলাম।’

‘প্রতিযোগিতামূলক বিতর্কের যাত্রা শুরু হয়েছিল ৮ম শ্রেণিতে। এরপর ধারাবাহিকভাবে কাজ করে গেছি। আর সৌরদীপের সঙ্গে আমার জুটি অনেক দিনের। বিতর্কের দুনিয়ায় একসঙ্গে পথ চলতে চলতে নানা রকম অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। এসব অভিজ্ঞতা আমাদের শিরোপা জেতার ক্ষেত্রে অনেক কাজে দিয়েছে,’ বললেন দলের অন্য সদস্য সাজিদ আসবাত খন্দকার।

বিতর্কজীবনের সর্বোচ্চ অর্জন এখন নিজেদের ঝুলিতে। তাই দুজনই এখন কর্মজীবনে পূর্ণ মনোযোগ দিতে চান।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন