বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মেয়াদোত্তীর্ণ লিপস্টিক ব্যবহার করলে কী হবে?


মেয়াদোত্তীর্ণ লিপস্টিক ব্যবহারে মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। মেয়াদোত্তীর্ণ লিপস্টিক ব্যবহার করলে ব্যাকটেরিয়ার কারণে ঠোঁট ও ঠোঁটের আশপাশে চুলকানি হতে পারে। লিপস্টিকের অন্যান্য উপাদান হলো ল্যানোলিন, ওয়াক্স ও ডাই। মেয়াদোত্তীর্ণ ল্যানোলিনের কারণে অ্যালার্জি, ঠোঁট শুকিয়ে যাওয়া, ফাটাসহ মিউকাস মেমব্রেন হতে পারে। পরে ব্যথাও হতে পারে। ল্যানোলিনের মাধ্যমে ধুলা, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও কিছু ভারী ধাতব ঠোঁট শোষণ করে। মানুষ যখন পানি পান করে, তখন এই ক্ষতিকর পদার্থগুলো সরাসরি শরীরে প্রবেশ করে। তাই লিপিস্টিক পরে পানি পান করার সময় সতর্ক থাকবেন। যতটা সম্ভব ঠোঁটের স্পর্শ ছাড়াই পানি পান করবেন। মেয়াদোত্তীর্ণ লিপস্টিক ব্যবহার দীর্ঘস্থায়ী সিসায় বিষক্রিয়া হতে পারে। এর ফলে রক্তশূন্যতা, পেটে ব্যথা, রেনাল ফেইলিওর, এমনকি ব্রেন নিউরোপ্যাথির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। মেয়াদোত্তীর্ণ লিপস্টিকে অবস্থিত রঞ্জক পদার্থ অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে এসে ক্যানসারের কারণ হতে পারে। যখন একটি লিপস্টিকের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়, এটি ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করা বন্ধ করে দেয়।

default-image

কীভাবে বুঝবেন লিপস্টিকের মেয়াদ শেষ?


* লিপস্টিকের গায়ে লেখা মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার তারিখটি দেখুন। সাধারণত একটা প্রিমিয়াম ব্র্যান্ডের লিপস্টিক ১২ থেকে ১৮ মাসের মতো ভালো থাকে। আপনার মেকআপ বাক্সে যত লিপস্টিক আছে, সব কটির মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার দিন–তারিখ টুকে নিন। মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে সেটা ডাস্টবিনে ফেলুন।
*  মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়া লিপস্টিক আপনি ঠোঁটে লাগালেই টের পাবেন। দেখবেন অস্বস্তি হচ্ছে। এই লিপস্টিক ঠোঁট আর্দ্র করে না। ঠোঁটের সঙ্গে সহজেই মিশে যায় না।
* মেয়াদ ফুরিয়ে গেলে লিপস্টিকের যে নিজস্ব গন্ধ, সেটি আর থাকে না। তাই স্বাভাবিক গন্ধটা আছে কি না, সেটা চেক করুন।

স্টাইল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন