‘কী খাচ্ছেন আর কী ভাবছেন—সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ’

ভূমি পেড়নেকরকে বলা হয় নারীদের আয়ুষ্মান খুরানা। কেননা, খুরানার মতোই একের পর এক প্রথাবিরোধী সব চরিত্রে হাজির হচ্ছেন তিনি। সেই চরিত্ররা আবার নারীবাদী, প্রতিবাদী, পরিবর্তনবাদী, প্রগতিশীল, সাধারণ হয়েও অসাধারণ—ঠিক যেন ভূমির মতো। বলিউডে পা রাখার আগে যেখানে নায়িকারা ছিপছিপে হয়ে মাপজোখ ‘ঠিক করে’ আসেন, সেখানে ভূমি উল্টো! প্রথম ছবি ‘দম লাগা কে হাইশা’র জন্য তিনি ৩০ কেজি ওজন বাড়িয়েছিলেন। ধীরে ধীরে নারীবাদী, নিরামিষাশী, পরিবেশবাদী, সাদামাটা ভূমি পেড়নেকরও হয়ে উঠেছেন স্টাইল আইকন। সম্প্রতি ৩৩–এ পা রাখা ভূমির পাঁচ স্টাইল স্টেটমেন্ট নিয়ে ইনস্টাগ্রামে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া।

৩৩ বছর বয়সী ভূমি খান না কোনো প্রাণীজ আমিষ
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

১. ভূমির চোখে সবাই তাঁদের নিজেদের মতো করে সুন্দর। সৌন্দর্য নিয়ে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চি উচ্চতার ভূমি বলেন, ‘আমার চোখে আমি বরাবরই সুন্দর ছিলাম। যখন আমি ৩০ কেজি ওজন বাড়িয়ে ৯০ কেজি হয়েছিলাম, তখনো আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে দেখতে আমার সুন্দর লাগত। আত্মবিশ্বাসী লাগত।’

২. ভূমি মনে করেন, নিজের শরীরকে ভালোবাসা জরুরি। এই বলিউড তারকা মনে করেন, একজন নারী যে পোশাকে স্বস্তিবোধ করেন, আয়নায় নিজেকে দেখতে নিজের কাছে সুন্দর লাগে, সেগুলোই তার পরা উচিত। তিনি বলেন, ‘কে কী পোশাক পরবে, এটা একান্তই তাঁর নিজের ব্যাপার। আমি ছোটবেলায় যেগুলো পরতে পছন্দ করতাম, তারকা হওয়ার পরও সেগুলোই পরি। আমার তারকাখ্যাতি আমার ফ্যাশন সেন্স বদলাতে পারেনি। কেননা, আমি এসব পোশাকেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। অবশ্য এখন পোশাক নিয়ে এক্সপেরিমেন্টটা একটু বেশি করা হয়।’

ভূমি মনে করেন, নিজের শরীরকে ভালোবাসা জরুরি
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

৩. নারীবাদ নিয়ে ভূমি বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আমি নারীবাদী। তবে রাস্তায় অন্তর্বাস পোড়ানো টাইপের না। আমি সেই নারীবাদী যে পুরুষকেও সমানভাবে ভালোবাসে। আমি লিঙ্গনির্বিশেষে সব মানুষের সমান অধিকার চাই। এটাই আমার নারীবাদের মূল কথা।’

৪. ভূমি আরও বলেন, ‘আমি জানি, অস্তিত্বের জন্য নারী–পুরুষ উভয় উভয়ের ওপর নির্ভরশীল। তবে নারীরা একটু কম নির্ভরশীল। আমি পুরুষের চোখে নারীর জন্য সেই নিপাট শ্রদ্ধা দেখতে চাই, যেটা নারী পুরুষের জন্য লালন করে।’

ভূমি বলেন, ‘নিঃসন্দেহে আমি নারীবাদী’
ছবি: ইনস্টাগ্রাম থেকে

৫. বাহ্যিক আর অভ্যন্তরীণ—দুই মিলেই সৌন্দর্য। এই সম্পর্কে ভূমি বলেন, ‘কী খাচ্ছেন, আর কী ভাবছেন—সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’