মেহজাবীন আবার যেখানে ঘুরতে যেতে চান
কোনো কোনো স্থানের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ব্যক্তিগত গল্প। সেখানে প্রথম যাওয়ার দিনটা মনে থাকে আজীবন। বারবার জায়গাটায় ফিরে যেতে চায় মন। প্রথম আলোর শনিবারের ক্রোড়পত্র ‘ছুটির দিনে’র নতুন বিভাগ ‘ফিরে ফিরে যাই’-তে প্রিয় ভ্রমণস্থানের গল্প বলবেন নানা ক্ষেত্রের বিখ্যাত ব্যক্তিরা। এবার বলেছেন অভিনয়শিল্পী মেহজাবীন চৌধুরী
প্রিয় বেড়ানোর জায়গা
ঘুরতে খুব পছন্দ করি। ভালো লাগে নতুন নতুন জায়গা। যত জায়গায় গেছি, প্রতিটি জায়গার সঙ্গেই কিছু না কিছু স্মৃতি জড়িয়ে আছে। তাই পছন্দের জায়গাও অনেক। তবু যদি একটি জায়গার কথা বলতে হয়, তাহলে কাপাডোকিয়ার নাম বলব। তুরস্ক সফরের সময় এই জায়গায় কাটানো সময়ের স্মৃতিটুকু আমার মনে এখনো জীবন্ত।
কেন প্রিয়
কাপাডোকিয়া তুরস্কের একটি বিশেষ অঞ্চল। অনন্য ভূতাত্ত্বিক আগ্নেয়শিলা, ভূগর্ভস্থ প্রাচীন শহর এবং উপত্যকার বিস্ময়কর দৃশ্যের জন্য জায়গাটা বিখ্যাত। হাইকিং ও ঘোড়ায় চড়ার উত্তম জায়গা হিসেবেও দুঃসাহসিক ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এলাকাটি অত্যন্ত প্রিয়। তবে আমার প্রিয় হট এয়ার বা গরম বাতাসভর্তি বেলুনের জন্য। প্রতিদিন সূর্য ওঠার সময় উড়ে অসংখ্য বেলুন, সকালের খোলা আকাশকে করে তোলে রঙিন।
কাপাডোকিয়ার কত কত ছবি দেখেছি আর ভেবেছি, কবে যাব, কবে? সূর্যোদয়ের সময় হট এয়ার বেলুনে চড়ে ফটোশুট করার স্বপ্ন পুষে রেখেছি দীর্ঘদিন।
কবে গেলেন
২০২২ সালে পূরণ হয়েছে সেই স্বপ্ন। সে বছরই তুরস্ক গিয়েছিলাম। সেই সফরে কয়েকটা জায়গা ঘুরে কাপাডোকিয়ায় যাই। যতটা কল্পনা করেছিলাম, বাস্তবে জায়গাটা তার চেয়েও সুন্দর। পুরো এলাকার পরিবেশ, দৃশ্য—সবই আমার কাছে বিশেষ হয়ে আছে। এই ভ্রমণস্মৃতি ভোলার নয়।
কোনো বিশেষ স্মৃতি
সেখানে কাটানো সময়ের সবচেয়ে বড় স্মৃতি অবশ্যই হট এয়ার বেলুনে চড়ে সূর্যোদয়ের সময় ফটোশুট। সেই মুহূর্ত আমার কাছে দারুণ উপভোগ্য ছিল। পুরো ভ্রমণই একধরনের স্বপ্নপূরণের মতো মনে হয়েছে।
কাপাডোকিয়া নিয়ে আর কিছু
এখন পর্যন্ত সেখানে একবারই গেছি। আবার যেতে ইচ্ছা করে। হয়তো কোনো একদিন যাবও। জানি না সেখানে এখন কী কী বদলেছে, এ অজানাই আবার ফিরে যাওয়ার আকর্ষণ হয়ে আছে।
সাক্ষাৎকার: নাজমুল হক