default-image

শ্রাবণের বৃষ্টিতে চপলা কিশোরীর মতো দুরন্ত হয়ে উঠেছিল হাওরের জল। বৃষ্টিস্নাত বাতাসের তীব্র বেগে ছন্দময় তাল তুলেছিল ‘আফাল’। টাঙ্গুয়ার হাওরের এ এক অন্য রূপ। যে রূপ ‘ভয়ংকর সুন্দর’! মাঝের দিন ঘটা করে নেমেছিল বৃষ্টি। হালকা থেকে মাঝারি এবং পরে মাঝারি থেকে ভারী। বর্ষায় ফুলেফেঁপে উত্তাল হয়ে উঠেছিল পূর্ণ যৌবনা টাঙ্গুয়া। ভাগ্য ভালো, কিছুক্ষণের মধ্যে ভারী বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল। তবে আকাশ থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়তেই থাকে। নৌকার ইঞ্জিন বন্ধ করে মাঝ-টাঙ্গুয়ার বুকে ভাসতে ভাসতে আমরা বৃষ্টির রিমঝিম শুনছিলাম। জানালা খুলে হাত বাড়িয়ে কেউ কেউ বৃষ্টি ছুঁয়ে দেখছিল।

default-image

যেদিন টাঙ্গুয়া থেকে ফিরে আসি, সেদিন বৃষ্টি থেমে গিয়েছিল। ভোরের স্নিগ্ধতা কাটতেই হাওরের পানিতে দলেবলে নেমে পড়ি। ভালো সাঁতার জানি, এরপরও সাবধানতার জন্য লাইফ জ্যাকেট পরে নিয়েছিলাম।

আহা, কী শান্তি! চারপাশ সুনসান। দূরে মেঘালয়ের সারি সারি পাহাড়। পাহাড়ের মাথায় ভেসে বেড়াচ্ছে কালো মেঘের দল। জলমগ্ন চরাচর, মেঘ আর পাহাড়ের বড় অদ্ভুত সম্মিলন বর্ষার হাওর!

ভ্রমণ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন