শিক্ষকদের গবেষণা প্রকল্পে সহকারী হিসেবে কাজের সুযোগ আছে

প্রদিতি রাউত, জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়

গবেষণা সহকারী হিসেবে ইউজিসির একটি প্রকল্পে প্রথম হাতে-কলমে গবেষণার সুযোগ পাই। ধীরে ধীরে আরও বেশ কিছু কাজ করার সুযোগ হয়েছে। বেশ কয়েকটি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিতও হয়েছে। এসব কাজে বিভাগের শিক্ষকদের সর্বাত্মক সহযোগিতা পেয়েছি। তাই গবেষণার মতো একটি জটিল কাজ করতে গিয়েও খুব বেশি প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়নি।

default-image

বাংলাদেশের সব শিক্ষার্থীকেই কিছু অসুবিধার সম্মুখীন হতেই হয়। জার্নালে গবেষণাপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ আমাদের খুব বেশি নেই। শিক্ষার্থীরা চাইলেই সব সম্মেলনে অংশ নিতে পারে না। তবে যেহেতু গবেষণার গুরুত্ব সম্পর্কে মোটামুটি সবাই জানে, তাই অনেকটা স্রোতের বিপরীতে গিয়েই এই কাজে যুক্ত থাকতে হয়। শিক্ষকেরা যে গবেষণা করছেন, তা শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেওয়া গেলে আমাদের শেখার আগ্রহ আরও বাড়বে। গবেষণাবান্ধব বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের প্রত্যাশা। আর তা বাস্তবায়ন হবে তখনই, যখন শিক্ষক-শিক্ষার্থী সবাই মিলে গবেষণার চর্চা করবে।

সম্প্রতি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক সমাজ ও মানববিদ্যা সম্মেলন ২০২২’ শীর্ষক সম্মেলন হয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীরাও গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপনের সুযোগ পেয়েছে। এটা একটা দারুণ উদ্যোগ। গবেষণা ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র, নজরুল ইনস্টিটিউট থেকে প্রতিবছর শিক্ষার্থীদের গবেষণা প্রকল্প দেওয়া হয়। এ ছাড়া শিক্ষকদের গবেষণা প্রকল্পে সহকারী হিসেবে কাজ করে আমাদের শেখার অনেক সুযোগ আছে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করতে কাজ করছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রিসার্চ সোসাইটি।

খুব বেশি না হলেও নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের গবেষণার জন্য অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে, এটি ইতিবাচক একটি বিষয়। মৌলিক জ্ঞান সৃষ্টির জন্য গবেষণার বিকল্প নেই। শিক্ষার্থী অবস্থাতেই যদি কারও গবেষণায় আগ্রহ না আসে, তাহলে হঠাৎ করে পরে ভালো গবেষক হওয়া অসম্ভব। স্নাতক-স্নাতকোত্তর পর্যায়ে একজন শিক্ষার্থীর শুরু থেকেই সৃজনশীল হওয়া উচিত।

জীবনযাপন থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন