চারুকলার শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরাও দল বেঁধে চিত্রকর্মগুলো ঘুরে দেখছেন। প্রদর্শনীতে ১৯৫ জন শিল্পীর ৩৪৫টি শিল্পকর্ম স্থান পেয়েছে। ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং, প্রিন্ট মেকিং, ভাস্কর্য, বেসিক কোর্স—এই চার ক্যাটাগরিতে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রদর্শনী শেষে চার ক্যাটাগরিতে ১৪ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।

অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক ছিলেন চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইমাম হোসেন। তিনি বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি অভিভাবক ও অন্য দর্শনার্থীরাও প্রদর্শনী উপভোগ করেছেন। আবার পুরোনো ঢাকার মানুষদের সাধারণত এ রকম প্রদর্শনী দেখার সুযোগ হয় না। তাঁদেরও একটা অভিজ্ঞতা হয়েছে।

ইমাম হোসেন বলেন, ‘সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের পুরস্কার দেওয়ার ক্ষেত্রে মানের কথাটাও আমরা মাথায় রাখি। এতে একাডেমিক শর্ত পূরণ হচ্ছে, পাশাপাশি সাংস্কৃতিক শর্ত পূরণ হচ্ছে।’

পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে চারুকলা বিভাগের চেয়ারম্যান বজলুর রশীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ কামালউদ্দীন আহমদ, কলা অনুষদের ডিন রইছ উদ্দীন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের ডিন নিসার হোসেন এবং শিল্প পৃষ্ঠপোষক ময়নুল আবেদিন।

অনুষ্ঠানে কোষাধ্যক্ষ কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, ‘চারুকলা বিভাগের বয়স বেশি দিন না হলেও বিভাগটির অবদান অনেক। এ বিভাগের শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় আলোকিত হবে।’

উপাচার্য ইমদাদুল হক বলেন, চারুকলা বিভাগ কম সুযোগ সুবিধা নিয়ে যে কাজ করে তা ধন্যবাদ পাওয়ার যোগ্য। তাদের স্টুডিও করে দেওয়া হয়েছে। স্থায়ী গ্যালারির জন্য কমিটি করা হয়েছে। সীমিত সুবিধার মধ্যে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অনেক অর্জন এনেছেন।