আয়োজকেরা বলেন, উৎসবকে কেন্দ্র করে এক প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি হয়েছে। নতুনদের কাছে নিশ্চয়ই দিনটি স্মরণীয় হয়ে থাকবে। অন্যদিকে পুরোনোরাও ডুব দেবেন হারানো স্মৃতিতে। উৎসবকে উপলক্ষ করে একটি ক্লাসরুম সাজানো হয়েছিল। সেখানে লাগানো হয়েছে পোস্টার, ছবির ফ্রেম। কেক কাটার মাধ্যমে শুরু হয় আয়োজন।

আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সেতু পাল বলেন, ‘আইনের মতো কঠিন বিষয়েও রং ছড়িয়ে দেওয়ার উপলক্ষ এই শাড়ি-পাঞ্জাবি দিবস। প্রথমবার এই আয়োজন করতে পেরে আমরা খুব আনন্দিত। আশা করি প্রতিবছরই এটা হবে।’