ছিমছাম সাজের বাড়ি

শোবার ঘরে বাড়তি কোনো আসবাব রাখা হয়নি। পর্দায় সাদার ওপর ছাইরঙা ডোরাকাটা নকশা। বিছানার পাশে রঙিন কার্পেট
সাজানো ও ছবি: মুনিয়া আরেফিন

প্রতিটি বাড়িরই থাকে নিজস্ব ভাষা। আলাদা প্রকাশভঙ্গি। অন্দরের সাজেই ফুটে ওঠে বাড়ির বাসিন্দাদের রুচি। বাড়ি ছোট কিংবা বড়—গোছানো থাকলে দেখতে লাগে ছিমছাম। তবে বাড়ির আয়তন অনুযায়ী আসবাব বেছে নিলে ভালো। নীড় ছোট হলেও ক্ষতি নেই, যদি ভেতরের অংশে রাখা যায় খোলামেলা ভাব।

পেশায় শিক্ষক, মুনিয়া আরেফিনের বাড়িটি ১৬৫০ বর্গফুটের। এক মেয়ে নিয়ে তিনজনের সংসার। তিনটি শোবার ঘরের একটি তিনি শুধু ক্লজেট ঘর হিসেবে রেখেছেন। এ কারণে বাড়ির বাকি দুটি শোবার ঘরের ওপরও চাপ কম পড়ে। খুব বেশি আসবাব রাখেননি। কোনাগুলোকে সাজিয়েছেন ছোট ছোট আসবাব, শোপিস আর গাছ দিয়ে। হালকা রং আর নকশা বেছে নিয়েছেন প্রতিটি ঘরের জন্যই। আসবাব বা শোপিস দামি হলেই যে সুন্দর হবে, বিষয়টি তা নয়। বরং সাজানোর ওপরও নির্ভর করে অনেক কিছু। ফুলের নকশা পছন্দ করেন তিনি।

ছোট ছোট জিনিসেই নান্দনিকতা
বসার ঘরের কোণে আয়না
বারান্দায় সবুজের সমারোহ
ঘরে ঢোকার মুখে স্বাগত জানাবে নানা রকমের মুখোশ আর ঘণ্টা। খাওয়ার ঘরে রাখা শুধু প্রয়োজনীয় আসবাব।
বসার ঘরের দেয়াল ছবিতে সাজানো। একদিকে জানালা। আসবাব খুবই কম। গাছের প্রাধান্য
বারান্দার পাশে রাখা কাঠের চেয়ার। পাশে গাছ । ছোট টুলটির ওপর নানা ধরনের সাজানোর জিনিস
শোওয়ার ঘরে হালকা রঙের প্রাধান্য।
চপিং বোর্ড পছন্দ মুনিয়া আরেফিনের। এর ওপর পরিবেশন করেন বিকেলের চায়ের সঙ্গে টা