
প্রথম ব্যাট-বল
তখন ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়ি। বাগেরহাটের নাগেরবাজার এলাকার বন্ধুরা মিলে চাঁদা দিয়ে ব্যাট-বল কিনেছিলাম। ওই সময় কেনা ফাইভ স্টার বলটাই জীবনের প্রথম বল।
প্রিয় মাঠ
মিরপুরের শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
মাঠের যে স্মৃতি ভুলিনি
২০১০ সালে নিউজিল্যান্ডের বাংলাওয়াশ করার শেষ ম্যাচের শেষ বল আমার করা। সেই বলে উইকেট নিয়েছিলাম। আর এবার ওয়ানডেতে প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিক করলাম। এই দুইটি স্মৃতি কখনো ভুলব না।
ক্রিকেটের গুরু
বর্তমানে গাজী ট্যাংক টিমের কোচ সরোয়ার ইমরান।
ক্রিকেট ছাড়া আর যে খেলায় পারদর্শী
আমি ভালো ফুটবল খেলি।
খেলোয়াড় না হলে যা হতাম
খেলোয়াড় না হলে হয়তো চাকরি করতাম।
ভালো ক্রিকেটার হওয়ার জন্য যে তিনটি গুণ জরুরি
মেধা, পরিশ্রম ও ভালো মন-মানসিকতা।
যাকে গ্যালারিতে বসিয়ে নিজের খেলা দেখাতে ইচ্ছে করে
আমার মা-বাবাকে গ্যালারিতে বসিয়ে নিজের খেলা দেখাতে ইচ্ছে করে।
জীবনের সেরা বোলিং
নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে করা ৫.৫-০-২৬-৬-ই সেরা বোলিং।
১০ বছর পর রুবেল হোসেন যে জায়গায় থাকবে
এ দেশের মানুষ মনে রাখবে এবং ভালোবাসবে—এমন জায়গায় থাকতে চাই।
হ্যাটট্রিক করার পর মনে হয়েছে
হ্যাটট্রিক করা একটা সাধনা ছিল। সেটা পূরণ হয়েছে। হ্যাটট্রিক করে শুকরিয়া আদায় করেছি।
যার জন্য জীবন বাজি রাখতে পারি
আমার পরিবারের সদস্যদের জন্য জীবন বাজি রাখতে পারি।
প্রথম প্রেমের প্রস্তাব পেয়েছিলাম
এটা বলা যাবে না। (হাসি)
জীবনের নতুন ইনিংস (বিয়ে) শুরু করব...
মা-বাবাও বিয়ের কথা বলেছে। হয়তো দু-তিন বছরের মধ্যে হতে পারে।
ক্রিকেটের আদর্শ
মাশরাফি বিন মুর্তজা।
ছেলেবেলায় যা হতে চেয়েছিলাম
ছেলেবেলা থেকেই ক্রিকেটার হতে চেয়েছিলাম।
যখন রেগে যাই
ঠান্ডা থাকার চেষ্টা করি।
মন খারাপ হলে
গান শুনি। বিশেষ করে আমি আইয়ুব বাচ্চু আর জেমসের ভক্ত।
অবসরের সঙ্গী
গান ও আড্ডাবাজি।
যে তিনটি জিনিস সব সময় সঙ্গে রাখি
হেডফোন, মুঠোফোন ও আইপ্যাড।
সামনে যে কাজটি করব ভাবছি
বাংলাদেশের হয়ে অনেক দিন খেলার ইচ্ছে আছে এবং দেশকে একটা ভালো জায়গায় নিতে চাই।
বাংলাদেশ বিশ্বকাপ জিততে পারে...
যেভাবে এগোচ্ছে, আশা করছি, আগামী ১০ বছরের মধ্যে বিশ্বকাপ জিতবে।
নিজের যে দিকটি বদলাতে চাই
আমি যে রকম আছি, সে রকমই থাকতে চাই। কিছুই বদলাতে চাই না।
সাক্ষাৎকার:
মো. রুবেল