সব
Meet the Expert Meet the Expert Registration

আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখার বয়স হল কৈশোর ও তারুণ্য। তারুণ্যের স্বপ্ন এগিয়ে নিতে “মিট দি এক্সপার্ট” এ প্রতিমাসে বাংলাদেশের ১০ জন তরুণ পাবে সফল ব্যাক্তিদের সাথে দেখা করার সুযোগ, তাদের সাথে সকালের নাশতার টেবিলে বসে কথা বলা, পরামর্শ নেওয়া, তাদের জীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের পেছনের গল্প শুনে নিজেদের জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাওয়ার সুযোগ।

নিয়মাবলী

  • ১। প্রতিযোগীর বয়স ১৮ - ৩৫ এর মধ্যে হতে হবে।
  • ২। প্রশ্ন ৫০ শব্দের মধ্যে হতে হবে।
  • ৩। অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ১০ জনকে বেঁছে নিবেন আমন্ত্রিত অতিথি।
  • ৪। প্রথম আলো এবং বিএসআরএম এর কেউ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেনা।
  • ৫। বাংলাদেশে বসবাসরত ব্যাক্তিরাই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

সোনিয়া বশির কবীর বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, লাওস এবং মিয়ানমারের মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ইউনাইটেড নেশন টেক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান, ‘বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট, সহ-প্রতিষ্ঠাতা সিনটেক বাংলাদেশের। তিনি ‘ডি মানি বাংলাদেশ’ এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা। ২০০৭ সালের শেষ দিকে প্রধান অপারেটিং অফিসার হিসেবে যোগ দেন ঢাকা কেন্দ্রিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ‘আমরা টেকনোলজিস লিমিটিড’ এ। ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত প্রায় ৩ বছর কাজ করেছেন ডেল কম্পিউটার্স বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার হিসেবে।

সোনিয়া বশিরের জন্ম রাজধানী ঢাকায়। বাবা এম আর বশির চাকরি করতেন আইসিডিডিআরবিতে, মা রেহানা বশির ছিলেন ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের শিক্ষক। সোনিয়ার পড়াশোনার শুরু সানবিমস স্কুলে। এরপর গ্রিন হেরাল্ড হয়ে ভিকারুননিসা কলেজে উচ্চমাধ্যমিক। শৈশব থেকেই সোনিয়া ছিলেন পড়ালেখা, খেলাধুলা সবক্ষেত্রেই দুরন্ত। সোনিয়া ক্রিকেট, ভলিভল, ফুটবল খেলেছেন। দেশের প্রথম নারী জাতীয় ক্রিকেট দলে সুযোগ পান। তিনি জাতীয় নারী ভলিভল দলেও জায়গা করে নেন।

১৯৮৩ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সোনিয়া মানবিক বিভাগে ঢাকা বোর্ডে ষষ্ঠ হন। এইচএসসির পর পড়তে যান যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড কলেজ পার্কে। ১৯৮৬ সালে দেশে আসেন। স্বামী এহতেশাম কবির সফটওয়্যার প্রকৌশলী। ১৯৮৯ সালে সান্তা ক্লারা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবসায় প্রশাসনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন সোনিয়া। ১৯৯০ থেকে ২০০৫—যুক্তরাষ্ট্রে দেড় দশকের পেশাজীবন পার করে সোনিয়া বশির কবীর চলে আসেন বাংলাদেশে। ১৫ বছরের কর্মজীবন কেটেছে সান মাইক্রোসিস্টেম, ওরাকলের মতো প্রতিষ্ঠানে।

সোনিয়া তার সাফল্যমণ্ডিত কর্মজীবনে অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা জিতেছেন। তার সাফল্যের মুকুটে সবচেয়ে সম্মানজনক পালকটি আসে ২০১৬ সালে। সে বছর মাইক্রোসফটের ‘ফাউন্ডার্স অ্যাওয়ার্ড’ জেতেন সোনিয়া। তাছাড়া, জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অবদান রাখার জন্য ‘এসডিজি ২০১৭ পায়োনিয়ার্স’ পুরস্কার জেতেন তিনি। সর্বশেষ ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে জাতিসংঘের ‘মহাত্মা গান্ধী ইনস্টিটিউট অব এডুকেশন ফর পিস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি’ বা এমজিআইইপির গভার্নিং কাউন্সিলর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন।

তরুণদের জন্য সোনিয়া বশির কবীরের ৫ পরামর্শ

সোনিয়া বশির কবীর বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান, লাওস ও মিয়ানমারের মাইক্রোসফটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ইউনাইটেড নেশন টেক ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান, ‘বাংলাদেশ উইমেন ইন টেকনোলজির সহপ্রতিষ্ঠাতা এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট, সহপ্রতিষ্ঠাতা সিনটেক বাংলাদেশের। তিনি ‘ডি মানি বাংলাদেশ’–এর সহপ্রতিষ্ঠাতা। তরুণদের জন্য সোনিয়া বশির কবীর বিভিন্নভাবে কাজ করছেন। প্রথম আলোর সঙ্গে ‘মিট দ্য এক্সপার্ট’ কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। এর আওতায় ১০ জন তরুণের সঙ্গে সকালের নাশতা ও বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলবেন তিনি। সম্প্রতি এ নিয়ে কথা হয় তাঁর সঙ্গে।

Posted by Prothom Alo on Thursday, 14 March 2019
prothom Alo
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০১৯
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০-২১ কারওয়ান বাজার , ঢাকা ১২১৫

ফোন: ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্স: ৫৫০১২২০০, ৫৫০১২২১১ ইমেইল: info@prothomalo.com