সব
Meet The Expert Banner

পর্ব - ৫

পর্ব - ৪

পর্ব - ৩

পর্ব - ২

পর্ব - ১

আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখার বয়স হল কৈশোর ও তারুণ্য। তারুণ্যের স্বপ্ন এগিয়ে নিতে “মিট দি এক্সপার্ট” এ প্রতিমাসে বাংলাদেশের ১০ জন তরুণ পাবে সফল ব্যাক্তিদের সাথে দেখা করার সুযোগ, তাদের সাথে সকালের নাশতার টেবিলে বসে কথা বলা, পরামর্শ নেওয়া, তাদের জীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের পেছনের গল্প শুনে নিজেদের জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাওয়ার সুযোগ।

আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন দেখার বয়স হল কৈশোর ও তারুণ্য। তারুণ্যের স্বপ্ন এগিয়ে নিতে “মিট দি এক্সপার্ট” এ প্রতিমাসে বাংলাদেশের ১০ জন তরুণ পাবে সফল ব্যাক্তিদের সাথে দেখা করার সুযোগ, তাদের সাথে সকালের নাশতার টেবিলে বসে কথা বলা, পরামর্শ নেওয়া, তাদের জীবনের সংগ্রাম ও সাফল্যের পেছনের গল্প শুনে নিজেদের জীবনকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার প্রেরণা পাওয়ার সুযোগ।

নিয়মাবলী

  • ১। প্রতিযোগীর বয়স ১৮ - ৩৫ এর মধ্যে হতে হবে।
  • ২। প্রশ্ন ৫০ শব্দের মধ্যে হতে হবে।
  • ৩। অংশগ্রহণকারীদের মধ্য থেকে ১০ জনকে বেঁছে নিবেন আমন্ত্রিত অতিথি।
  • ৪। প্রথম আলো এবং বিএসআরএম এর কেউ প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে পারবেনা।
  • ৫। বাংলাদেশে বসবাসরত ব্যাক্তিরাই প্রতিযোগীতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • সাদিয়া ইসলাম মৌ
  • লিমন মোল্যা
  • সোহানা ইসমাইল
  • মোঃ নাসিম উদ্দীন
  • জ্যোতির্ময়ী সাহা
  • নাজিয়া ইউসুফ
  • রাইসা তাসিন হাসানাত
  • অমিত দেব রায়
  • হাসিব আহমেদ নেছার
  • নাদিরা আকতার
  • রামিসা নাওয়ার প্রমি
  • মোঃ তুহিন শেখ

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ রবির প্রথম বাংলাদেশি সিইও। বলা যায়, কোনো বিদেশি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির প্রথম বাংলাদেশি সিইও হিসেবে তিনিই দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি রবির চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১৪ সাল পর্যন্ত একই পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর এপ্রিল ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মার্চ পর্যন্ত তিনি একই কোম্পানির চিফ অপারেটিং অফিসার ছিলেন। রবিতে যোগ দেওয়ার আগে মাহতাব ১৭ বছর ধরে ইউনিলিভারের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও অর্থসংক্রান্ত নেতৃস্থানীয় অবস্থানে ছিলেন; যেমন: ইউন ... িলিভার পাকিস্তান, ইউনিলিভার অ্যারাবিয়া ও ইউনিলিভার বাংলাদেশের মতো অপারেটিং কোম্পানিগুলোয় ফিন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন।

মাহতাব উদ্দিন বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) সহসভাপতি এবং ফরেন ইনভেস্টর’স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) এক্সিকিউটিভ কমিটি মেম্বার। হার্ভার্ড বিজনেস স্কু্লের অ্যালামনি মাহতাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্ট অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি), এফসিএমএ ও সিজিএমএ অব চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টসের (সিআইএমএ, ইউকে) একজন সম্মানিত সদস্য।

শিক্ষাগত, পেশাগত ও পারিবারিক জীবনেও সফল মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ব্যক্তিগতভাবেও বিশ্বাস করেন, আজকের তরুণ সমাজ ভীষণ রকম সম্ভাবনাময়। আজকের তরুণেরাই একেকটি রবি বা সূর্য, যারা আপন শক্তিতে জ্বলে উঠবে এবং বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।
 আরও পড়ুন

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ রবির প্রথম বাংলাদেশি সিইও। বলা যায়, কোনো বিদেশি মোবাইল অপারেটর কোম্পানির প্রথম বাংলাদেশি সিইও হিসেবে তিনিই দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি রবির চিফ ফিন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে যোগদান করেন এবং ২০১৪ সাল পর্যন্ত একই পদে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর এপ্রিল ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মার্চ পর্যন্ত তিনি একই কোম্পানির চিফ অপারেটিং অফিসার ছিলেন। রবিতে যোগ দেওয়ার আগে মাহতাব ১৭ বছর ধরে ইউনিলিভারের সঙ্গে কাজ করেছেন। সেখানে তিনি বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও অর্থসংক্রান্ত নেতৃস্থানীয় অবস্থানে ছিলেন; যেমন: ইউনিলিভার পাকিস্তান, ইউনিলিভার অ্যারাবিয়া ও ইউনিলিভার বাংলাদেশের মতো অপারেটিং কোম্পানিগুলোয় ফিন্যান্স ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন।

মাহতাব উদ্দিন বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশের (অ্যামটব) সহসভাপতি এবং ফরেন ইনভেস্টর’স চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (এফআইসিসিআই) এক্সিকিউটিভ কমিটি মেম্বার। হার্ভার্ড বিজনেস স্কু্লের অ্যালামনি মাহতাব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। তিনি ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউনট্যান্ট অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি), এফসিএমএ ও সিজিএমএ অব চার্টার্ড ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টসের (সিআইএমএ, ইউকে) একজন সম্মানিত সদস্য।

শিক্ষাগত, পেশাগত ও পারিবারিক জীবনেও সফল মাহতাব উদ্দিন আহমেদ ব্যক্তিগতভাবেও বিশ্বাস করেন, আজকের তরুণ সমাজ ভীষণ রকম সম্ভাবনাময়। আজকের তরুণেরাই একেকটি রবি বা সূর্য, যারা আপন শক্তিতে জ্বলে উঠবে এবং বাংলাদেশকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবে।

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • ফায়েকা সুমাইয়া
  • সাবরিনা আক্তার
  • মোঃ শফিকুল হক শিশির
  • লিমন মোল্লা
  • আবু ওবায়দা ইমন
  • সাদিয়া ইসলাম
  • আফরোজা সুলতানা সুরুভী
  • মালিহা রহমান
  • নাজমুল হোসেন
  • মোঃ রিয়াজ
  • নানজীবা ইবনাত
  • শারমিন সুলতানা শিমু

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • রাহাত উল্লাহ তৌসিফ
  • একরামুল হক
  • সাজ্জাদুর রহমান
  • রবি শংকর মজুমদার
  • নুসরাত জাহান
  • তাহরীমা ইসলাম
  • নিপা দাস
  • রিদোয়ানুল কবির ফাহিম
  • চৌধুরী রায়হান বিন মাহবুব
  • সাজেদা সামিহা
  • মোঃ ফাহিম আহমেদ
  • রিনিকা সরকার

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • নুসরাত জাহান
  • এরিকা আফরিন বুশরা
  • সারাহ তামান্না
  • শারমিন আক্তার
  • নীতা বর্মণ
  • ফয়সাল মেহেদী
  • মাহামুদুল হাসান আসিফ
  • মোঃ নাফিস সাদিক চৌধুরী
  • মোহাম্মদ তানসেন
  • মাসুদ রানা

অংশগ্রহণকারীদের নাম

  • মাহ্ফুজুল ইসলাম ইমন
  • কাজী ফারজানা হক
  • আরফান উল করিম
  • মোঃ তৌফিক ইসলাম
  • শাইখ তাজওয়ার আহমেদ
  • দিলরুবা আখতার রাখি
  • মুজাহিদুল ইসলাম
  • জোয়ারিয়া ইশরাত
  • সায়মা বিনতে মাহবুব
  • ইসরাফাত জাহান

ড. রুবানা হক বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যবসায় জগতের পরিচিত নাম এবং নারীশক্তির এক অনন্য উদাহরণ। তিনি একজন প্রথিতযশা শিল্পপতি, কর্মরত আছেন মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে। তিনি বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) নির্বাচিত প্রথম নারী সভাপতি। তিনি ২০১৩ ও ২০১৪ সালে পরপর দুবার ‘বিবিসি ১০০ নারী’ নিবন্ধে স্থান পেয়েছিলেন। রুবানা হকের আরও একটি বিশেষ পরিচয় হলো তিনি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের সহধর্মিণী।

রুবানা হকের জন্ম ১৯৬৪ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারে। পড়াশোনায় ভীষণ মেধাবী ছিলেন ছোটবেলা থেকেই। এসএসসি পাস করেছেন ভিকারুননিসা নূন স্কুল থেকে এবং এইচএসসি পাস করেছেন হলিক্রস কলেজ থেকে। দুবারই তিনি বোর্ড–স্ট্যান্ড করেছিলেন। তিনি পড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ২০০৮ সালে ইস্টওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি থেকে ইংরেজি সাহিত্যে প্রেসিডেন্ট গোল্ড মেডেল নিয়ে স্নাতকোত্তর করেছেন। ভারতের যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘রাইটার্স ওয়ার্কশপ এজেন্ট অব চেঞ্জ’ বিষয়ে পিএইচডি শেষ করেছেন।

রুবানা হকের বর্ণময় কর্মজীবনের ২২ বছর কেটেছে মোহাম্মদী গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে। ব্যবসায় জগতে আসার আগে তিনি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলে শিক্ষকতা করেছেন। এ ছাড়া ২০০৬ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত তিনি সাউথ এশিয়া টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর ওম্যানের ট্রাস্টি মেম্বার।

ড. রুবানা হক একজন সৃজনশীল মানুষ। ব্যবসায়ের পাশাপাশি তিনি কবিতা লেখেন, প্রবন্ধ লেখেন এবং শিল্প-সাহিত্যের প্রতি অনুরক্ত। তাঁর লেখা কবিতার বই ‘টাইম অফ মাই লাইফ’। কবিতার জন্য ২০০৬ সালে তিনি ‘সার্ক সাহিত্য পুরস্কার’ অর্জন করেছেন। এর বাইরেও সমাজের নারীদের জন্য তিনি ‘শি ফর শি’ নামে একটি উদ্যোগ নিয়েছেন, যার মাধ্যমে তিনি মেয়েদের নানান সমস্যার কথা মন দিয়ে শোনেন এবং সাহায্য করার চেষ্টা করেন। এসবের পাশাপাশি আনিসুল হক ফাউন্ডেশন এবং শারাফ মেমোরিয়াল ট্রাস্টের কাজও চালিয়ে জাচ্ছেন রুবানা। পারিবারিক জীবনে তিনি চার সন্তানের জননী এবং তাঁর সব সন্তানই নিজ নিজ ক্ষেত্রে সফল। পারিবারিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক ও নিজের শিল্প-সাহিত্যচর্চা নিয়ে ভীষণ ব্যস্ত জীবন কাটে ড. রুবানা হকের। আর এই ব্যস্ততার মাঝেই তিনি বাংলাদেশের তরুণসমাজ নিয়ে স্বপ্ন দেখেন যে একদিন আজকের তরুণেরাই বাংলাদেশকে আরও সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন।

‘সারা জীবনের কষ্টের টাকায় বানানো বাড়ি। আমার কাছে তো পদ্মা সেতুই’—বিএসআরএমের এই বিজ্ঞাপন এখন মানুষের কাছে খুব পরিচিত। বাংলাদেশের ইস্পাতশিল্পের কথা মাথায় এলেই নাম নিতে হয় বিএসআরএমের। মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গা নিয়েছে বিএসআরএম ইস্পাত। আর এই ব্র্যান্ড গড়ে ওঠার পেছনে যে মানুষটির অক্লান্ত পরিশ্রম, নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতা কাজ করেছে, তিনি তরুণ ও সফল উদ্যোক্তা বিএসআরএমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আমীর আলিহোসাইন। বিএসআরএমের প্রতিষ্ঠাতা দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ শিল্পপতি জনাব আলিহোসাইন আকবর আলীর সুযোগ্য পুত্র। পৈতৃক ব্যবসাকে তিনি সাফল্যের সঙ্গে সামনে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন। কীভাবে আমীর আলিহোসাইন নিজেকে সুযোগ্য প্রমাণ করে দায়িত্বের সঙ্গে পৈতৃক ব্যবসাকে একটি আস্থা ও ভরসার ব্র্যান্ড বানালেন? তাঁর জীবনী হতে পারে এখনকার তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা।

আমীর আলিহোসাইন ১৯৯৭ সালে কানাডার ম্যাকগিল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক করেছেন। ২০০০ সালে লাহোরের এলইউএমএস বিশ্ববিদ্যালয় থেকে করেছেন এমবিএ। ১৮ বছরের বেশি সময় ধরে তিনি ইস্পাতশিল্পের সঙ্গে জড়িত। তাঁর অসাধারণ নেতৃত্বে সাধারণ ইস্পাত ব্যবসা হয়ে উঠেছে আজকের আধুনিক ইস্পাত ব্র্যান্ড। শুধু তা–ই নয়, তাঁর প্রতিষ্ঠানের কর্মপরিবেশও অসাধারণ। তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানে ‘মডার্ন ম্যানেজমেন্ট কনসেপ্ট’ প্রয়োগের মাধ্যমে কর্মীদের ভেতরে সঙ্গবদ্ধ হয়ে লক্ষ্যে পৌঁছানোর স্পৃহা ও প্রেরণা জুগিয়েছেন। গুণগত মান নিশ্চিত করা এবং ক্রেতাদের সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি দেওয়াই তাঁর ব্যবসার লক্ষ্য।

ব্যবসায়িক জগতে আমীর আলিহোসাইন একজন সৎ, স্বচ্ছ ও পরিশ্রমী মানুষ হিসেবে পরিচিত। জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ২০১৪-১৫ ও ২০১৫-১৬ সালে আমীর আলিহোসাইন চট্টগ্রাম বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত করদাতা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক তিনি ভূষিত হন বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি, সিআইপি (শিল্প) ও সিআইপি (রপ্তানি) হিসেবে। তাঁর দৃঢ় নেতৃত্বের ফলে বিএসআরএম ভূষিত হয়েছে রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে (শিল্পপ্রতিষ্ঠান) এবং পুরস্কার পেয়েছে সর্বোচ্চ ট্যাক্স প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান (প্রকৌশল বিভাগ) হিসেবে। এ ছাড়া পরপর সাতবার জিতে নিয়েছে দেশের সেরা স্টিল ব্র্যান্ড পুরস্কার।

আমীর আলিহোসাইন বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডেও জড়িত। তিনি চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে একটি বিদ্যালয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা, যেখানে ৫০০ জনের বেশি শিশুকে বিনা মূল্যে শিক্ষাদান করা হয়। এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানিক সামাজিক দায়বদ্ধতার (সিএসআর) অংশ হিসেবে তাঁর তত্ত্বাবধানে বেশ কয়েকটি প্রজেক্ট পরিচালিত হচ্ছে, যা দেশজুড়ে হাজার হাজার মানুষের জীবনকে প্রভাবিত করেছে।

ইয়াসির আজমান গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও এবং সিএমও হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আজমান একজন অভিজ্ঞ এবং দক্ষ প্রফেশনাল, যিনি দেশ ও দেশের বাইরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন।

গ্রামীণফোনের সিএমও হিসেবে ২০১৫ সালের ১৫ জুনে দায়িত্ব নেওয়ার আগে টেলিনর গ্রুপের বিপণন ও ই-বিজনসের প্রধান হিসেবে নরওয়েতে দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে তিনি টেলিনর ইন্ডিয়াতে ইভিপি এবং সার্কেল প্রধান হিসেবে ওডিশা ও কর্ণাটকে ২০১০ - ২০১২ পর্যন্ত কর্মরত ছিলেন। বিজনেসে উদ্ভাবনী মানসিকতার জন্য সুপরিচিত আজমান এর আগে গ্রামীণফোনের বিক্রয় ও বিপণন বিভাগকে আধুনিকায়নে নেতৃত্ব দেন। তিনি বিভিন্ন লিডারশিপ দায়িত্ব পালনকালে সময়োপযোগী ট্রান্সফরমেশন ও বিজনেস ডেভেলপমেন্টে বিশেষ অবদান রাখেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইবিএ থেকে এমবিএ ছাড়াও লন্ডন বিজনেস স্কুল, আইএনএসইএডি ফ্রান্স সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ এক্সসিকিউটিভ প্রোগ্রামে অংশ নেন।

বর্তমানে গ্রামীণফোনের ডেপুটি সিইও এবং সিএমও হিসেবে তিনি গ্রামীণফোনকে আরও বেশি ডিজিটাল এবং গ্রাহকবান্ধব করতে নিরলস কাজ করে চলেছেন। তিনি বিশ্বাস করেন, ডিজিটাল ও গ্রাহকবান্ধব গ্রামীণফোনই হবে আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণের বড় অংশীদার।

পেশাগত পরিচয়ের বাইরে আজমান নিজেকে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন।

 
 

বিএসআরএম নিবেদিত ‘মিট দ্য এক্সপার্ট’ আমার মূল কাজ কোম্পানিকে সফলভাবে পরিচালনা করা: সিইও মাহতাব

সিইওদের সমস্যা যে নেই, তা নয়। সিইও, সিএফও, ম্যানেজার, ডেপুটি ম্যানেজারদের...
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিএসআরএম ‘মিট দ্য এক্সপার্ট’ স্কুলজীবনে খেলোয়াড় হতে চেয়েছিলেন রবির সিইও মাহতাব উদ্দিন

খেলোয়াড় হতে চেয়েছিলেন রবি আজিয়াটা লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)...
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিএসআরএম মিট দ্য এক্সপার্ট চতুর্থ শিল্পবিপ্লবে অনেকের চাকরি যাবে, এটা বিশ্বাস করি না: রবির সিইও মাহতাব

রবি আজিয়াটা লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মাহতাব উদ্দিন আহমেদ...
১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০

বিএসআরএম নিবেদিত মিট দ্য এক্সপার্ট: সফলতার সংজ্ঞা সময়ে সময়ে বদলায়

‘কে আমাকে কী বলল, তা নিয়ে যদি বেশি ভাবি, তাহলে অবশ্যই নেতিবাচক প্রভাব পড়বে...
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০

আসছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

রবির মতো একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে হলে নিজেকে কীভাবে তৈরি করা উচিত?...
২৬ জানুয়ারি ২০২০

বিএসআরএম নিবেদিত ‘মিট দ্য এক্সপার্ট’ এ আসছেন মাহতাব উদ্দিন আহমেদ

মাহতাব উদ্দিন আহমেদ রবির প্রথম বাংলাদেশি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)।...
২১ জানুয়ারি ২০২০

বড় হওয়ার স্বপ্নটা দেখতে হবে: রুবানা হক

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক বলেছেন, নেতা হওয়ার...
১৫ অক্টোবর ২০১৯

নারী বলে দ্বিগুণ চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়: রুবানা হক

তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক বলেছেন, ‘লিডার হয়ে...
১৪ অক্টোবর ২০১৯

‘পড়লেই হয় না, জীবনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে হয়’

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক বলেছেন, শুধু...
১৪ অক্টোবর ২০১৯

বিএসআরএম নিবেদিত প্রথমেই জানতে চাই, পত্রিকা পড়েন কি না: রুবানা হক

‘জানেন তো, ব্রিলিয়ান্স (মেধা) এবং ইন্টেলিজেন্সের (বুদ্ধিমত্তা) মধ্যে যে অনেক...
১৩ অক্টোবর ২০১৯
prothom Alo
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন    
© স্বত্ব প্রথম আলো ১৯৯৮ - ২০২০
সম্পাদক ও প্রকাশক: মতিউর রহমান
প্রগতি ইনস্যুরেন্স ভবন, ২০-২১ কারওয়ান বাজার, ঢাকা ১২১৫

ফোন: ৮১৮০০৭৮-৮১, ফ্যাক্স: ৫৫০১২২০০, ৫৫০১২২১১ ইমেইল: info@prothomalo.com