বিশ্বের নামী প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস ওপেনএআইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেছে। পেঙ্গুইনের অভিযোগ, চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি জনপ্রিয় জার্মান শিশুতোষ সিরিজের কনটেন্ট নকল ও অনুকরণ করেছে।
গত ২৭ মার্চ মিউনিখের আদালতে করা মামলায় বলা হয়েছে, পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসের আইনজীবীরা চ্যাটজিপিটিকে ‘কোকোনাট দ্য লিটল ড্রাগন’ সিরিজের অনুরূপ একটি গল্প লিখতে প্রম্পট দিয়েছিলেন। পরে চ্যাটবট যে লেখা ও ছবি দিয়েছিল, তা ‘মূল কাহিনির সঙ্গে প্রায় হুবহু মিলেছে’।
চ্যাটবট কেবল গল্প লিখে দেয়নি, প্রচ্ছদও ডিজাইন করেছিল। প্রচ্ছদে দেখা যায়, সাইজনারের লেখা কমলা ড্রাগন ও দুই সহকারীর চরিত্র দেখানো হয়েছিল—এ ছাড়া ব্যাক কভার ব্লার্ব এবং স্বপ্রকাশনার প্ল্যাটফর্মে ম্যানুস্ক্রিপ্ট জমা দেওয়ার নির্দেশনাও তৈরি হয়েছিল।
‘কোকোনাট দ্য লিটল ড্রাগন’ সিরিজ জার্মান শিশুদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাইজনারের বইগুলোয় ড্রাগনের অভিযান নিয়ে ৩০টির বেশি খণ্ড, ১টি টিভি সিরিজ এবং ২টি চলচ্চিত্র আছে।
পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসের শিশু-কিশোরদের বইয়ের প্রকাশক কারিনা ম্যাথার্ন বলেছেন, ‘মানুষের সৃজনশীলতা নিয়ে আমরা কাজ করি। লেখক ও সৃষ্টিশীলদের স্বার্থের দিকটি দেখা আমাদের দায়িত্ব। তাই তাদের মেধাস্বত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই হলো আমাদের অগ্রাধিকার।’
পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস জানিয়েছে, প্রম্পটের ফলাফল প্রমাণ করে, ওপেনএআইয়ের বড় ভাষার মডেল (এলএলএম) লেখক সাইজনারের কাজ অবৈধভাবে ‘মেমোরাইজ’ করেছে।
পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউসের শিশু-কিশোরদের বইয়ের প্রকাশক কারিনা ম্যাথার্ন বলেছেন, ‘মানুষের সৃজনশীলতা নিয়ে আমরা কাজ করি। লেখক ও সৃষ্টিশীলদের স্বার্থের দিকটি দেখা আমাদের দায়িত্ব। তাই তাদের মেধাস্বত্বের সুরক্ষা নিশ্চিত করাই হলো আমাদের অগ্রাধিকার।’
ওপেনএআইয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘আমরা অভিযোগগুলো যাচাই করছি। আমরা লেখকদের সম্মান করি এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রকাশকের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রেখেছি, যেন তাঁরা এই প্রযুক্তির সুবিধা নিতে পারেন।’
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
গ্রন্থনা: রবিউল কমল