পার্কিং লট
তুমি জিজ্ঞেস করলে, ‘কেমন আছ?’ আমি বললাম, নাম্ব। মানে? মানে, আমি এখন অবশ। পাঁজরের কয়েকটা হাড় কেটে বের করা হয়েছে হৃৎপিণ্ডটা। খুলে পাশে রাখা আছে। চলছে সার্জারি ব্যথাহীন। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে কৃত্রিম শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যবস্থা। কত কিছু ঘটে যাচ্ছে, টের পাচ্ছি না কিছুই।
শুধুই অবশ—কর্কটের ঘর। দরজা–জানালা সব বন্ধ। তোমার হাতটা এইখানে রাখো, শুধু একবার! কী ভীষণ ঠান্ডা তা–ই না? এইটা পার্কিং লট। এইখানে এসে সব কিছু থেমে যায়।