পরিপক্ব কামিনীর ফল
কামিনী, কামিনী ফুটেছে। পরিপক্ব বীজাধার
প্রথাসিদ্ধ বিনম্র অভ্যাসে অংশত আড়াল।
শৈবাল জাপটানো ঋজুরেখ প্রশস্ত পাঁচিল
মুখোমুখি তোমাকে-আমাকে আশ্রয় দিয়েছিল
নিদাঘনিমগ্ন অবকাশে। সুবাসিত ফুলের
সংক্রমণ লুপ্ত হয়ে যায় নাকি ঝরে গেলে?
নতুন পোশাকে ম্লান শোকের স্মারক; শূন্য বা
সামান্য স্মৃতি দেবে না তেমন জোড়াতালি। খালি
হাতে পাখিরা ফিরে আসে! ঘাসে ও নির্যাসে পূর্ণ
পৃথিবীতে কতটা কেড়ে নিচ্ছে বনস্পতিভোজী?
মানুষ, মানুষ বলেই, নতজানু হতে হয়
জৈব ক্ষুধার কাছে, পাখি বা পতঙ্গ পরিচয়ে।