ভয়ংকর!
জঙ্গলের ভাষা না-জানা প্রাণীদের
সভ্যতা প্রথম প্রথম নাম দেয়—মুশকিল অথবা বিপদ
যারা গর্জনের ভাষা বুঝতে সক্ষম
আদতে তারা প্রাণীদের জন্য খুলে দেয় খাঁচার দরজা।
যাদের ঘিরে তৈরি হয় লৌহ ব্যাসার্ধ
কিংবা কাঁটাযুক্ত বোবা কালা বেড়া
সভ্যতার একটা শ্রেণি একে বলে কৌতূহলী-শিক্ষা
এরপর খাঁচার ভেতরে বন্দী করা হয় প্রাণীটি
শিশু থেকে বয়স্করা তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে—
কী আশ্চর্য সুন্দর...
অথচ খাঁচার ভেতর দাঁড়িয়ে থাকা প্রাণীটি ভাবে—
বনের বাইরেও কিছু প্রাণী বাস করে
আত্মস্বীকৃতিতে নিজেকে মানুষ দাবি করে—
অথচ তারাই সবচেয়ে ভয়ংকর জন্তু!