অনন্ত

অলংকরণ: এস এম রাকিবুর রহমান

কোথাও যে পৌঁছায় না, সে–ও কোথাও না কোথাও পৌঁছায়
হয়তো নিজের ভেতরের আরও দূরদিগন্তে একা উপস্থিত হয়ে দেখে
বহুদিন অব্যবহৃত ঘাটলায় অনেক শেওলা জমে গেছে
অনেক পিচ্ছিল তারা
কিছু মাছ এসে আনমনে, সব রকম অনিরাপত্তার ঝুঁকিমুক্ত হয়ে খাচ্ছে তাদের

আমি সেই মৎস্য সকলকে দূর থেকে দেখি
তাদের নিরাপত্তাবোধে কোনো রকম আঁচড় না লাগিয়ে দেখি
জলে তখন বাতাসের কম্পনে মৃদু ঢেউ
তারা সেই পিচ্ছিল ঘাটে এসে
শেওলার মধ্যে শ্যামল এক টুকরো প্রবাহ দিয়ে যায় 
আমি সেসবও দেখি

আর নিজের ভেতরে আমি পৌঁছাতে থাকি
আনমনে, নিজেকেই ফাঁকি দিয়ে 
আমার এই যাত্রা

চারপাশে তখন আমাকে ছেড়ে গেছে আমার সকল... 
আমার আদি ও আমার অন্ত

সবাই আমাকে ছেড়ে গিয়ে 
আমাকেই যেন অনন্ত করে তোলে আমার ভেতরে