আমাকে উগরে দাও
আমাকে উগরে দাও।
গলায় আঙুল দিয়ে উগরে দাও—
এই শুয়োরের মাংস, এই বিষ।
উগরে দাও যত ঘেন্না, তেতো লালা।
বমি করো,
তবেই তোমার মুক্তি।
শেফালি
মিথেনের নদী থেকে উঠে এসে এই পাথুরে গুহায়।
হিলিয়ামের দুনিয়ায়—অবসরে—
পৃথিবীর অক্সিজেনের কথা মনে পড়ে—
পাথরে পাথরে সারা বেলা কার মুখ এঁকেছি!
বহুকালের ধূলিমেঘ সরে গেলে পরিষ্কার দেখি—
একটা ডুয়ার্ফ,
ভেসে যায়—
চিরনিঃসঙ্গ, চিরশূন্য...।
যেখানে একদিন আমি ছিলাম, তুমিও।
আজ তুমি কোন তারায়, শেফালি!
এই বন্যায়
ভয়াল বন্যায়—
বিপন্ন আহত সাপ, শিয়াল, কুকুর—
বর্বর পানির তোড়ে ভাসতে ভাসতে এই গরিবের ঘরে এল।
দাঁড়াবার মাটিটুকু পেল।
আমি কি তাড়িয়ে দিতে পারি ওদের? দুর্গতদের?
ওদের থাকতে দিতে হবে, খেতে দিতে হবে।
জল নেমে গেলে ওরা এমনিতে চলে যাবে।
জল নেমে গেলে পরে আমিও জঙ্গলে যাব—
সাপ, বেজি, শিয়ালের বাসায় বেড়াতে।
আমার কবরে
আমার কবরে
বুকশেলফ রাখবা,
বই রাখবা।
নতুন নতুন বই
আমাকে পাঠাবা।
অবসরে পড়ব, লিখব।