হে আমার উত্তরের হিম

তারচে’ নিকটতর প্রতিবেশী নাই

অঙ্কশায়িনী তিনি আরামদায়িনী!

চিনি বহুকাল

সেই কোন পাল যুগ থেকে!

তাকে দেখে এঁকেছি অনন্ত

চিত্রকলার ঘোরে উপুড় দুপুর রঙে

বর্ণিল উচ্ছ্বাসে ঘাসে হারাই হারাই!

অস্ফুটে হয়নি বলাও

পথপাশে মেঠো ঘাসে ভোরের আলোয়

ঝিকমিক করে যে শিশির

সে তো আমারই প্রণতিঘোর—ডাহুক, ডাহুক

অপ্রেমের বৈরী বেড় ভেঙে ভেঙে

ছুটে আয় দেহের দেউল!

হে আমার উত্তরের হিম

দক্ষিণ জলধী কেন কেঁপে ওঠে

তোমার চুম্বনে!

সে স্পর্শে কী এমন ছিল তোলপাড়

রাতের জলোচ্ছ্বাস এসেছে অথই তোড়ে

উন্মত্ত ভাসানশির!

তখনো তোমার পাশে

অধমের নাও ভিড়েছিল!