ভোর হয় ধীরে, দোতারা খঞ্জনি কত কী বাতাসে
বটতলে বাউলের জলসায় আজ কে না যাবে,
ঘুঙুরের শব্দে গাঢ় অন্ধকার ফিকে হয়
যুবক-যুবতীরা উত্তাল, ঘাসবন ফুঁড়ে উঠে আসে।
মেলা শেষে ভবঘুরেরা মাতুক না হল্লায়
মহুয়া ফুটেছে, বংশীধ্বনি জাগে, তারপর সব চুপ।
দু–একটা পাগল ভুলে কি আর জ্বালে না বৈশাখী ধূপ
ঘাসবন ধরে বয়ে যায় শুকনা নদী, ঝরনা।
কটা দিন বাঁচব না আনন্দবন্যায়, কার্নিভ্যালে?
সন্ধ্যা থেকেই নির্বাসনের শুরু, চোখ মেলে থাকি
উৎসব নেভে, উৎসব ফিরে যায়
আনি-দুআনি স্বর্ণমুদ্রা খরচা করে কোলাহলে।
ভুবনতলে, ঝোপে ও জঙ্গলে অরণ্যের কুহকে
ডুবতে থাকি আনন্দযজ্ঞে হানিমুনে জ্যোৎস্নারৌদ্রে।
মমির রাজত্বে প্রজারা ঘুমের সিঁড়ি
ভাঙতে ভাঙতে ফুলগুচ্ছে দেখে ছোরা ঝকঝকে
উৎসব চলে রাত্রিভর, চলে মুখোশের নৃত্য।