প্রকৃতির অটোফিকশন

অলংকরণ: এস এম রাকিবুর রহমান। গ্রাফিকস: প্রথম আলো

ভয়ের সৌন্দর্য আবার দেখতে যাবে তুমি।

জোনাকির নিমিঝিমি আলোতে গাছ দুলছিল নিজের নৃত্যতে।

গত বসন্তে
রাত্রিদের কোনো এক রাতে উচ্চতম ডালে
ফাঁসি নিয়েছিল তোমার প্রেমিক।

পাতার আড়ালে শুধু তুমি দেখো ডাকছে দুটি হাত।
যৌথ অহমিকা।

যজ্ঞভূমি কর্ষণে লাঙলের ফলায় উঠে এল সীতা।
নারী অধিকারবোধ আগুনের সত্যে হাঁটে।

চির প্রিয়তমা। গভীর সমুদ্র থেকে উঠে
ভেনাস দাঁড়াল ঢেউয়ের পইঠায়।

কালো মেঘ। শিশু বলল, উড়ছে ভূত।

শীতের তাঁবুতে তরুণ–তরুণী আনন্দশিকড়।

মোমের রৌদ্র কুয়াশায় পূর্বফল্গুনী।

মরুভূমির আকাশে দৌড়াচ্ছে মেঘ,
কেশর দোলানো সাদা ঘোড়া।

‘শ্যাওড়া গাছ অশুভ আত্মাদের ঘরবাড়ি।
সন্ধ্যায় যাবে না ওই দিকে।’

যুবতী শুনেছে শ্রাবণে মাধবীলতা গায়,
‘কে আবার বাজায় বাঁশি এ ভাঙা কুঞ্জবনে।’

ঝরা পাতার সুর খোঁজে সঙ্গসবুজ।

পূর্ণিমার আকাশ পরিদের দোহারপাড়া।

ঢেউ, জলের নাগরিক। জন্ম আর মৃত্যু ভেসে যায়।

মানুষের ফিকশন রক্তমাংসহীন।