‘আমি হোমসের ঠিকানায় তাঁর অটোগ্রাফ চেয়ে চিঠি পাই’

শার্লক হোমস। গোয়েন্দা কাহিনি পছন্দ, অথচ এই নাম জানেন না, এমন মানুষ সম্ভবত খুঁজে পাওয়া ভার। ব্রিটিশ লেখক ও চিকিৎসক স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের (২২ মে ১৮৫৯—৭ জুলাই ১৯৩০) সৃষ্টি এই গোয়েন্দা চরিত্র বিশ্বব্যাপী এতটাই জনপ্রিয় যে অনেকেই তাঁকে রক্ত-মাংসের মানুষ মনে করেন! কিন্তু কীভাবে জন্ম নিল এই চরিত্র? স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের অনেক সাক্ষাৎকারেই কমবেশি এর উল্লেখ আছে। হারল্ড ওরেল সম্পাদিত ‘স্যার আর্থার কোনান ডয়েল: ইন্টারভিউজ অ্যান্ড রিকালেকশনস’ বইয়ে বহু সাক্ষাৎকার, স্মৃতিচারণা ও আলাপসংক্রান্ত লেখা একত্র করা হয়েছে। তবে তাঁর সরাসরি রেকর্ড করা সাক্ষাৎকার তেমন একটা খুঁজে পাওয়া যায় না। ইতিহাসের সাক্ষী হিসেবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভিডিওর হদিস পাওয়া যায়। যেটি ১৯২৭ সালের সেপ্টেম্বরে ধারণ করা। অনেক গবেষক এটিকে তাঁর একমাত্র ‘চলচ্চিত্রায়িত সাক্ষাৎকার’ বলে উল্লেখ করেন। প্রায় ১০ মিনিটের এ ভিডিওতে তিনি তাঁর অমর সৃষ্টি শার্লক হোমস এবং তাঁর জীবনের শেষ দিকের প্রধান আকর্ষণ আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কথা বলেন। উল্টো দিক থেকে কেউ তাঁকে কোনো প্রশ্ন করেন না। গতকাল ছিল মহান এই লেখকের জন্মদিন। চলুন তাঁর জবানিতেই শোনা যাক সেসব কথা। ভিডিও থেকে লিখিত রূপসহ অনুবাদ করেছেন হাসান ইমাম

স্যার আর্থার কোনান ডয়েলের (২২ মে ১৮৫৯—৭ জুলাই ১৯৩০) আলোকচিত্র এবং তাঁর সৃষ্ট চরিত্র শার্লক হোমসকে নিয়ে ২০১১ সালে নির্মিত চলচ্চিত্রের পোস্টার অবলম্বনে গ্রাফিকস: প্রথম আলো

হ্যালো। দেখুন, আমার কণ্ঠস্বর পরীক্ষা করার জন্য এখন আমাকে দু-একটি কথা বলতে হচ্ছে। আমি বুঝি যে মানুষ সব সময় আমাকে দুটি বিষয় জিজ্ঞেস করতে চায়—একটি হলো আমি কীভাবে শার্লক হোমসের গল্পগুলো লিখতে শুরু করলাম, আর অন্যটি আমার অতীন্দ্রিয় অভিজ্ঞতা এবং সেই বিষয়ে আমার এত প্রবল আগ্রহ জন্মানোর পেছনের কারণ কী।

শার্লক হোমসের গল্পগুলোর বিষয়ে প্রথমে বলি। তখন আমি তরুণ চিকিৎসক, স্বাভাবিকভাবেই আমার বিজ্ঞানভিত্তিক প্রশিক্ষণ ছিল এবং মাঝেমধ্যে গোয়েন্দা গল্প পড়তাম। সে আমলের পুরোনো ধাঁচের গোয়েন্দা গল্পগুলোয় গোয়েন্দারা যেভাবে কোনো দৈব সুযোগ বা আকস্মিক ঘটনার মাধ্যমে রহস্য সমাধান করতেন, তা আমাকে বিরক্ত করত, অথবা তিনি কীভাবে সমাধানে পৌঁছালেন, তার কোনো ব্যাখ্যা থাকত না। এটি আমার কাছে খুব একটা ‘ন্যায্য’ মনে হতো না। আমার মনে হতো, তিনি কেন নির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন, তার পেছনের কারণগুলো ব্যাখ্যা করা দরকার।

আমি গোয়েন্দাগিরিতে তথাকথিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ব্যবহারের কথা ভাবতে শুরু করলাম। ছাত্রজীবনে বেল নামে আমার একজন অধ্যাপক ছিলেন, যিনি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অসাধারণ ক্ষিপ্র ছিলেন। তিনি রোগীর দিকে তাকাতেন, রোগীকে মুখ খুলতে দেওয়ার সুযোগ প্রায় দিতেনই না, স্রেফ নিজের পর্যবেক্ষণক্ষমতার মাধ্যমে রোগের ধরন এবং প্রায়ই রোগীর জাতীয়তা, পেশা ও অন্যান্য বিষয় বলে দিতেন। স্বাভাবিকভাবেই আমি ভাবলাম, ‘বেলের মতো কোনো বিজ্ঞানমনস্ক মানুষ যদি গোয়েন্দা পেশায় আসতেন, তবে তিনি দৈবক্রমে কিছু করতেন না, বরং বৈজ্ঞানিক উপায়ে ভিত্তি গড়ে রহস্যের সমাধান করতেন।’

একবার সেই চিন্তাধারা মাথায় আসার পর, আপনারা সহজেই কল্পনা করতে পারেন যে আমার মধ্যে একজন গোয়েন্দার নতুন ধারণা তৈরি হলো এবং এটি নিয়ে কাজ করতে বেশ আগ্রহী হলাম। আমি শত শত ছোটখাটো কৌশল—যাকে আপনারা বলতে পারেন শত শত ছোট পথ—নিয়ে ভাবলাম, যার মাধ্যমে সে তার সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারে, এরপর আমি সেই ধারায় গল্প লিখতে শুরু করলাম। প্রথম দিকে আমার মনে হয়, সেগুলো খুব একটা কারও নজর কাড়েনি, কিন্তু কিছুকাল পর, যখন আমি ‘দ্য স্ট্র্যান্ড ম্যাগাজিন’-এ প্রতি মাসে একের পর এক ছোট ছোট রোমাঞ্চকর গল্প প্রকাশ করতে শুরু করলাম, মানুষ বুঝতে পারল যে এটি পুরোনো গোয়েন্দাদের চেয়ে আলাদা—এখানে নতুন কিছু আছে। তারা ম্যাগাজিনটি কিনতে শুরু করল এবং সেটির উন্নতি হলো, সেই সঙ্গে বলতে পারি আমারও উন্নতি হলো, আমরা একসঙ্গেই এগিয়ে গেলাম।

স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে হোমস একজন রক্তমাংসের মানুষ। আমি তাঁর ঠিকানায় লেখা চিঠি পাই, তাঁর অটোগ্রাফ চেয়ে চিঠি পাই, এমনকি তাঁর কিছুটা নির্বোধ বন্ধু ওয়াটসনের নামেও চিঠি আসে। অনেক নারী আমাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন যে তাঁরা হোমসের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে পারলে খুব খুশি হবেন। তাঁদের মধ্যে একজন যখন শুনলেন যে হোমস মৌমাছি পালনের কাজ শুরু করেছেন, তখন তিনি লিখেছিলেন যে তিনি রানি মৌমাছি আলাদা করায় পারদর্শী।

সেই সময় থেকেই শার্লক হোমস বেশ পাকাপোক্তভাবে শিকড় গেড়ে বসল। আমি তাঁকে নিয়ে যতটা লিখেছি, তা আমার মূল ভাবনার চেয়ে অনেক বেশি, আমরা সহৃদয় বন্ধুদের ক্রমাগত আরও জানার আগ্রহের কারণে অনেকটা বাধ্য হয়েই আমাকে লিখতে হয়েছে। আর এভাবেই একটি তুলনামূলক ছোট বীজ থেকে এই বিশাল মহিরুহের জন্ম। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীতে এমন অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করেন যে হোমস একজন রক্তমাংসের মানুষ। আমি তাঁর ঠিকানায় লেখা চিঠি পাই, তাঁর অটোগ্রাফ চেয়ে চিঠি পাই, এমনকি তাঁর কিছুটা নির্বোধ বন্ধু ওয়াটসনের নামেও চিঠি আসে। অনেক নারী আমাকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন যে তাঁরা হোমসের গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতে পারলে খুব খুশি হবেন। তাঁদের মধ্যে একজন যখন শুনলেন যে হোমস মৌমাছি পালনের কাজ শুরু করেছেন, তখন তিনি লিখেছিলেন যে তিনি রানি মৌমাছি আলাদা করায় পারদর্শী। এর অর্থ যা-ই হোক না কেন—স্পষ্টতই মনে হয় তিনি যেন নিয়তিগতভাবেই শার্লক হোমসের গৃহপরিচারিকা হওয়ার জন্য নির্ধারিত ছিলেন।

তাঁকে (শার্লক হোমস) নিয়ে বলার মতো বাড়তি আর কিছু আছে বলে আমার মনে হয় না। তবে অন্য বিষয়টি, যা আমার কাছে অবশ্যই অনেক বেশি গুরুত্ববহ—অর্থাৎ আমার এই অতিন্দ্রীয় বিষয়ে জড়িয়ে পড়া। আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই পথে আমার প্রথম অভিজ্ঞতা ঠিক তখনই হয়েছিল, যখন আমার মনে শার্লক হোমস চরিত্রটি গড়ে উঠছিল, সেটি ১৮৮৬-১৮৮৭ সাল—ওই সময়ের কথা। তাই কেউ বলতে পারবে না যে আমি খুব তাড়াহুড়ো করে অতিন্দ্রীয় বিষয়ে আমার মতামত তৈরি করেছি। এখন থেকে ঠিক ৪১ বছর আগে ‘লাইট’ নামের একটি সাময়িকীতে এ বিষয়ে আমার একটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল, যার মাধ্যমে আমি নিজের অবস্থান তুলে ধরি। এই ৪১ বছরে বিষয়টি নিয়ে পড়াশোনা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার কোনো সুযোগই আমি হাতছাড়া করিনি।

মানুষ আমাকে জিজ্ঞেস করে, ‘আমি কি শার্লক হোমসের আরও গল্প লিখব?’ আমি নিশ্চিতভাবেই মনে করি, তেমন সম্ভাবনা নেই। কিন্তু বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অতীন্দ্রিয় বিষয়টি সব সময়ই আরও তীব্র হয়ে ওঠে এবং মানুষ এটা নিয়ে আরও বেশি আন্তরিক হয়ে পড়ে। আমার মনে হয়, জীবনের বাকি কয়েকটা বছর সম্ভবত সাহিত্যের চেয়ে এই পথেই বেশি নিবেদিত থাকব। তবে তা সত্ত্বেও আমি লেখালেখি একেবারে ছেড়ে দিইনি—মানুষকে তো জীবিকা নির্বাহ করতে হয়। তবে আমার প্রধান চিন্তা হলো, অতীন্দ্রিয় বিষয়ে আমার যে জ্ঞান রয়েছে, আমি যদি পারি তবে তার পরিধি আরও বাড়াব এবং যাঁরা আমার মতো অতটা সৌভাগ্যবান নন, তাঁদের মাঝে তা যতটা সম্ভব ছড়িয়ে দেব।

১৯৮৫ সালে মুক্তি পাওয়া শার্লক হোমসের কাহিনি নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্রের পোস্টার

তবে একমুহূর্তের জন্যও এমনটা ভাববেন না যে আমি নিজেকে অধ্যাত্মবাদের উদ্ভাবক কিংবা এর প্রবক্তা হিসেবে দাবি করছি। এখানে অনেক মহান অতীন্দ্রিয় সংযোগকারী (মিডিয়াম) আছেন, অনেক খ্যাতিমান অতীন্দ্রিয় গবেষক ও নানা ধরনের অনুসন্ধানকারী আছেন। আমি যা করতে পারি, তা হলো এ বিষয়ের একধরনের গ্রামোফোন হয়ে থাকা—এদিক-ওদিক ঘুরে বেড়ানো, মানুষের সঙ্গে মুখোমুখি কথা বলা এবং তাদের বোঝানোর চেষ্টা করা যে এটি কোনো হাস্যকর বিষয় নয়, যেভাবে একে প্রায়ই উপস্থাপন করা হয়। বরং এটি সত্যিই এক মহান দর্শন এবং আমার বিশ্বাস, ভবিষ্যতে মানবজাতির সব ধর্মীয় উন্নতির ভিত্তি হয়ে উঠতে পারে।

আমি হয়তো পৃথিবীর যেকোনো জীবিত মানুষের চেয়ে বেশিসংখ্যক মিডিয়ামের সঙ্গে বসেছি—ভালো, খারাপ, মাঝারি সব ধরনের—অন্তত সবচেয়ে বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে। কারণ, আমি সারা পৃথিবী ঘুরেছি। আমি যেখানেই গেছি—অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা কিংবা দক্ষিণ আফ্রিকা—এই বিষয়ে যত ভালো মানুষ পাওয়া যেত, তাদের সঙ্গই আমার জন্য ব্যবস্থা করা হতো। তাই যখন এমন লোকেরা এসে আমাকে ভুল প্রমাণ করতে চায়, যাদের এ বিষয়ে কোনো অভিজ্ঞতা নেই, খুব কম পড়াশোনা করেছে, আর হয়তো কখনো কোনো সিয়ঁসে (বৈঠকে) পর্যন্ত যায়নি, তখন আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারেন যে তাদের বিরোধিতাকে আমি খুব একটা গুরুত্ব দিই না।

আমি যখন এ বিষয়ে কথা বলি, তখন আমি কী বিশ্বাস করি তা নিয়ে বলি না, আমি কী ভাবছি তা-ও বলি না, বরং আমি যা জানি, তা-ই বলি। বিশ্বাস করা এবং জানার মধ্যে বিশাল ব্যবধান রয়েছে—দয়া করে তা বিশ্বাস করুন। আমি এমন সব বিষয় নিয়ে কথা বলছি যা আমি নিজে নাড়াচাড়া করেছি, দেখেছি এবং নিজের কানে শুনেছি। আর মনে রাখবেন, এসবই সব সময় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে ঘটেছে। আমি কখনো হ্যালুসিনেশনের ঝুঁকি নিই না, সাধারণত আমার বেশির ভাগ পরীক্ষায় ৬, ৮ কিংবা ১০ জন সাক্ষী থাকতেন, যাঁরা প্রত্যেকেই আমার মতো একইভাবে সবকিছু দেখেছেন এবং শুনেছেন।

নিশ্চিতভাবেই, প্রাপ্ত ফলাফল আমার কাজের যৌক্তিকতা প্রমাণ করেছে। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে এ বিষয়ে আমার লেখা এবং বক্তৃতার মাধ্যমে মানুষ যে সান্ত্বনা পেয়েছে—তা জানিয়ে তাঁদের লেখা চিঠিপত্র দিয়ে আমি আমার বাড়ির একটি ঘর অনায়াসেই ভরে ফেলতে পারব। কীভাবে তাঁরা হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠস্বর আবারও শুনতে পেয়েছেন এবং হারিয়ে যাওয়া হাতের স্পর্শ অনুভব করেছেন, তাঁরা সেই অভিজ্ঞতার কথা আমাকে জানিয়েছেন।

ধীরে ধীরে, বছর বছর ধরে এই বিষয়টি পড়াশোনা করে আমি এ বিষয়ে আরও বেশি নিশ্চিত হতে থাকি। কিন্তু সত্যিকারের গভীরভাবে আমি বিষয়টির গুরুত্ব বুঝতে পারি যুদ্ধের সময়, যখন আমাদের চোখের সামনে থেকে অসংখ্য অসাধারণ তরুণ হারিয়ে যাচ্ছিল, আর পুরো বিশ্বই প্রশ্ন করছিল—‘তারা এখন কোথায়? তাদের কী হয়েছে? তারা কি একেবারে বিলীন হয়ে গেছে, নাকি এখনো সেই আগের মতোই মহৎ মানুষ হিসেবে কোথাও আছে?’ ঠিক তখনই আমি বুঝতে পারি, মানবজাতির জন্য এ বিষয়টি জানা কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এরপরই আমি আরও একাগ্রভাবে এতে ঝাঁপিয়ে পড়ি এবং অনুভব করি যে নিজের অর্জিত সেই জ্ঞান ও নিশ্চয়তা অন্য মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টাই হতে পারে আমার অবশিষ্ট জীবন উৎসর্গ করার মহত্তম উদ্দেশ্য।

নিশ্চিতভাবেই, প্রাপ্ত ফলাফল আমার কাজের যৌক্তিকতা প্রমাণ করেছে। আমি পুরোপুরি নিশ্চিত যে এ বিষয়ে আমার লেখা এবং বক্তৃতার মাধ্যমে মানুষ যে সান্ত্বনা পেয়েছে—তা জানিয়ে তাঁদের লেখা চিঠিপত্র দিয়ে আমি আমার বাড়ির একটি ঘর অনায়াসেই ভরে ফেলতে পারব। কীভাবে তাঁরা হারিয়ে যাওয়া কণ্ঠস্বর আবারও শুনতে পেয়েছেন এবং হারিয়ে যাওয়া হাতের স্পর্শ অনুভব করেছেন, তাঁরা সেই অভিজ্ঞতার কথা আমাকে জানিয়েছেন। ওহ, বিদায়!

  • হাসান ইমাম: কবি, সাংবাদিক

[email protected]