রমজান মাসকে কেন্দ্র করে ঢাকার মুসলমানদের ছিল নানান প্রস্তুতি। পবিত্র এ মাসকে স্বাগত জানানো, ইফতারি বা ‘রোজাখোলাই’-এর ব্যবস্থা, তারাবিহর আয়োজন, সাহ্‌রিতে লোকজনকে জাগিয়ে তোলার জন্য যুবকদের দল গঠন, কাসিদার আয়োজনসহ ছিল বিভিন্ন ব্যবস্থাপনা। সেকালে রোজার প্রতিটি আচার-অনুষ্ঠানই ছিল আনন্দের আর সামাজিক মিথস্ক্রিয়ার এক চমৎকার উদাহরণ।

মহিমান্বিত এ মাসকে স্বাগত জানাতে সব বয়সের মানুষের মধ্যে বিরাজ করত তুমুল উত্তেজনা। রমজান মাসের চাঁদ দেখাকে কেন্দ্র করে খোলা জায়গায়, বাড়ির ছাদে, গাছের ডালে কিংবা নৌকায় করে নদীর মাঝখানে গিয়ে অপেক্ষা করত লোকজন। চাঁদ দেখার পর কোথাও কোথাও মিছিলও বের হতো। মির্জা নাথান তাঁর ঐতিহাসিক গ্রন্থ বাহারিস্তান-ই গায়েবিতে উল্লেখ করেছেন, ‘কামান থেকে তোপ ছুড়ে ও বন্দুকের গুলিবর্ষণ করে রমজান মাসের আগমনী ঘোষণা করা হয়।’ এটি ইসলাম খাঁর সময়ের কথা হলেও পরে উনিশ শতকের শেষ ভাগ পর্যন্ত এ রীতি চলমান ছিল। ধনাঢ্য মুসলমানরা গুলি ছুড়ে বা তোপধ্বনির মাধ্যমে রোজার আগমনী বার্তা ঘোষণা করত। আর সাধারণ মুসলমানরা স্বাগত জানাত নিজেদের মতো করে।

ঢাকা পাচাশ বারাস পাহলে গ্রন্থে বিগত শতকের রমজান মাসের আগমন ও চাঁদ দেখার বর্ণনা দিতে গিয়ে হেকিম হাবীবুর রহমান লিখেছেন, ‘বড়কাটরা, আহসান মঞ্জিল, হোসেনি দালান, ছোটকাটরার উঁচু ইমারতের ছাদের ওপর লোক সময়ের অনেক আগেই পৌঁছে যেত এবং অধিক উৎসাহীরা নৌকাসহযোগে নদীর মাঝখানে গিয়ে চাঁদ দেখত। বিশেষত, বৃদ্ধরা তাদের দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষার জন্য অবশ্যই পৌঁছাত। অতঃপর এই চেষ্টা চলত যে আমিই সর্বপ্রথম চাঁদ দেখব। অবশেষে চাঁদ দেখা গেল। খুশির একটি হল্লা উঠল। পটকা, বন্দুক ও তোপধ্বনি চলল এবং এমন আওয়াজ হলো যে যারা কানে শোনে না, তারাও শুনে নিল যে চাঁদ উঠে গেছে।’

তারাবিহ

রমজান মাসের চাঁদ দেখার পরপরই শুরু হতো তারাবিহ ও সাহ্‌রির প্রস্তুতি। মসজিদের পাশাপাশি অনেকের বাড়িতেও তারাবিহর আয়োজন করা হতো। খতমে তারাবিহ বা তারাবিহতে কোরআন খতমের রেওয়াজটা তখনো জনপ্রিয় হয়নি, উনিশ শতকের বিভিন্ন ইসলামি সংস্কার আন্দোলনের পর তারাবিহর নামাজে কোরআন খতমের রীতিটা বাংলা অঞ্চলে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। তারাবিহকে কেন্দ্র করে সবাই মসজিদে বা কোনো নির্দিষ্ট বাড়িতে জমায়েত হতেন। হিংসা-দ্বেষ ভুলে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নামাজে দাঁড়াতেন। কবি জসীমউদ্‌দীনের ‘তারাবি’ কবিতায় সে সময়ের চিত্র খুঁজে পাওয়া যায়:

নামাজ পড়িতে যাইব মোল্লা বাড়িতে আজ

মেনাজদ্দীন, কলিমদ্দীন, আয় তোরা করি সাজ

চালের বাতায় গোঁজা ছিল

সেই পুরাতন জুতা জোড়া

ধুলাবালু আর রোদ লেগে

তাহা হইয়াছে পাঁচ মোড়া

তাহারি মধ্যে অবাধ্য এই চরণ দুখানি ঠেলে

চল দেখি ভাই খলিলদ্দীন, লুণ্ঠন-বাতি জ্বেলে

ঢৈলারে ডাক, লস্কর কোথা, কিনুরে খবর দাও

মোল্লাবাড়িতে একত্র হব মিলি আজ সার গাঁও।

তখনকার সময়ে কোনো বিশেষ উপলক্ষেই কেবল সাধারণ লোকজন মসজিদে সমবেত হতো। বেঙ্গলি মুসলমান ইন কলোনিয়াল টাইম গবেষণাপত্রে আলিফ রুদাবা লিখেছেন, ‘প্রথম তারাবিহ বা ২৭ রমজানের তারাবিহতে মফস্বল শহরের মসজিদগুলোতে থাকত উপচে পড়া ভিড়, তারাবিহ পড়তে আসা মুসল্লিদের দুধ-শরবত ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন দিয়ে আপ্যায়ন করা হতো। খতম তারাবিহর দিন নামাজ শেষে মসজিদে মসজিদে বিরিয়ানি এবং মিষ্টি বিতরণের চল ছিল শিরনি ও তোবারক হিসেবে।’

সাহ্‌রি ও কাসিদা

তারাবিহর পরপরই আসে সাহ্‌রির কথা। সাহ্‌রিতে রোজাদারদের জাগানোর জন্য পাড়ায়-মহল্লায় যুবকদের ছোট ছোট দল ছিল, যারা বিভিন্ন গজল ও কাসিদার মাধ্যমে লোকজনকে ঘুম থেকে জাগিয়ে তুলত। এ সময় অভিজাত ও সম্ভ্রান্ত পরিবারের কিশোরেরাও রোজাদারদের ঘুম ভাঙাতে সাহ্‌রির সময় বের হতো কাসিদা গাইতে। শায়লা পারভীনের ঢাকার হারিয়ে যাওয়া ক্বাসীদা থেকে জানা যায়, রমজানকে কেন্দ্র করে উর্দু-ফারসি ও বাংলায় লেখা হতো বিভিন্ন গজল ও কাসিদা। তবে অধিকাংশ কাসিদাই ছিল উর্দুতে। এর মধ্যে বিখ্যাত দুটি কাসিদা ছিল এ রকম: আল্লাহ্ কা বান্দেকো হাম আয়ে জাগানে কো (আল্লাহর বান্দাদের আমরা জাগাতে আসছি) ও রোজদারও জাগো ওঠো, এ রাত সোহানি হ্যায় (রোজাদারেরা ঘুম থেকে ওঠো, এ রাত খুবই মনোরম)।

গবেষকদের লেখায় মাহে রমজান উপলক্ষে রচিত তিন ধরনের কাসিদার উল্লেখ পাওয়া যায়। ক. চানরাতি আমাদ: রমজান মাসকে স্বাগত জানিয়ে ৫ থেকে ১০ রোজা পর্যন্ত গাওয়া হতো এই কাসিদা; খ. খোশ আমদেদ: রমজানের মধ্যভাগ পর্যন্ত গাওয়া এসব কাসিদায় রোজা ও রোজাদারের গুরুত্ব বর্ণনা করা হতো; গ. আল-বিদা: রমজান মাসকে বিদায় জানানো হতো বিরহমূলক এই কাসিদার মাধ্যমে। যেহেতু হজরত আলী (রা.) ১৯ রোজায় খঞ্জরবিদ্ধ হন এবং ২১ রমজানে মারা যান, তাই আল-বিদা কাসিদায় হজরত আলী (রা.)-এর জন্য শোকগাথা পরিবেশিত হতো।

default-image

লেখক আনোয়ার হোসেন তাঁর স্মৃতিচারণায় রমজানের কাসিদা নিয়ে তাঁদের কৈশোরকালীন আবেগের কথা লেখেন আমার সাত দশক গ্রন্থে। রমজান মাস শুরুর আগেই তাঁরা কাসিদা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। ১০-১৫ জনের দল নিয়ে তাঁরা বের হতেন কাসিদা গেয়ে রোজাদারদের ঘুম ভাঙানোর জন্য। শবে বরাতের দু-এক দিন পর থেকে নিজেরাই গান লিখতে শুরু করতেন। কাসিদার এসব দল নিয়ে আয়োজন করা হতো বিভিন্ন প্রতিযোগিতার। বিজয়ীদের জন্য থাকত আকর্ষণীয় পুরস্কার ও মুকুট। চমকপ্রদ তথ্য হলো, কাসিদার দলের কারণেই মানমর্যাদা বেড়ে যেত অনেক মহল্লার। কাসিদা গানেওয়ালা শায়েরদেরও ছিল আলাদা কদর। জুম্মন মিয়া, মঞ্জুর আলম, আবদুস সামাদ, মানিক চানরা ছিলেন সে সময়কার প্রখ্যাত কাসিদা গায়ক। মাইকের প্রচলন শুরু হওয়ার আগে টিনের চোঙায় এসব কাসিদা গাওয়া হতো। তারপর শুরু হলো সাইরেনে ডাকার প্রচলন। তারপর মাইক চলে আসায় ধীরে ধীরে এসব প্রথা এখন বিলীয়মান।

সাহ্‌রির খানাদানা

সাহ্‌রিতে কী খেত তখনকার বাঙালিরা, এ নিয়ে খোঁজাখুঁজি করে কেবল ঢাকার মুসলমানদের খাবারের একটা তালিকা পাওয়া যায়। সাহ্‌রিতে ঢাকাইয়াদের মূল খাবার হিসেবে থাকত দুধ, ভাত, কলা ও আম। পুরান ঢাকাবাসী সাহ্‌রির জন্য সাধারণত কোরমা ও শিরবেরেঞ্জ বেশি পছন্দ করত। দুধ, চিনি, মাওয়া, কিশমিশ প্রভৃতি মিশিয়ে শিরবেরেঞ্জ বানানো হতো।

তারাবিহ, সাহ্‌রি বা ইফতার নিয়ে সবার মধ্যে আমেজ বিরাজ করলেও তখনকার দিনে রোজাদারের সংখ্যা বেশি ছিল না বলে জানা যায়। সাধারণ মুসলমানদের বড় একটা অংশ কৃষক-মজুর থাকায় সবাই রোজা রাখতে সমর্থ হতেন না। তবে অন্দরের নারীরা রোজা ছাড়তেন না। পুরুষদের তুলনায় নারীরাই বেশি রোজা রাখতেন। তা ছাড়া রোজা নিয়ে বিশেষ কিছু কুসংস্কারও ছিল সাধারণদের মধ্যে।

আবুল মনসুর আহমদ তাঁর আত্মজীবনী আত্মকথায় লিখেছেন, ‘সে সময় বয়স্করাও সকলে রোজা রাখত না। দিনের বেলা তারা তামাক ও পানি খেতো। শুধু ভাত খাওয়া থেকে বিরত থাকতো। পানি ও তামাক খাওয়াতে রোজা নষ্ট হতো না—এই বিশ্বাস ছিল তখন তাদের মনে।’ তবে এটা ছিল গ্রামের কথা। শহরের লোকজন, বিশেষত ঢাকার লোকজন ছিল ব্যতিক্রম। গ্রামের তুলনায় শহুরে মানুষের মধ্যে রোজাদারের সংখ্যা বেশি ছিল, এ তথ্য পাওয়া যায় মোহাম্মদ আবদুল কাইউমের চকবাজারের কেতাবপট্টি বইয়ে। তাঁর লেখা থেকে জানা যায়, তখনকার ঢাকাইয়া মুসলমানরা শরিয়তের অন্যান্য বিষয় মানুক আর না মানুক, কিন্তু রমজান মাসে তারা ছিল খুবই তৎপর ও আবেগপ্রবণ। তবে এটা ঠিক যে আজকালের মতো তখনকার সময়ে রোজা রাখার প্রবণতা এত বেশি ছিল না।

বাড়ির কেউ প্রথমে রোজা রাখলে ঘটা করে ইফতার উৎসব করা হতো। ঢাকা পাচাশ বারাস পাহলেতে হেকিম হাবীবুর রহমান উল্লেখ করেন, ‘জীবনে প্রথম রোজা সূচনাকারী শিশু-কিশোরদের নিয়ে রোজার প্রথম দিন জুলুসের প্রচলন ছিল।’

এবং ইফতারির বাহার

শবে বরাতের পর থেকেই শুরু হয়ে যেত ইফতারের জন্য প্রস্তুতি। এ জন্য পরিষ্কার করা হতো পানির পাত্রগুলো। কেনা হতো নতুন সরা, মাটির হুঁকা ইত্যাদি। সেগুলো বাসায় এনে সুগন্ধি দিয়ে সুরভিত করারও চল ছিল। গরমের দিনে পানি ঠান্ডা রাখার জন্য আনা হতো বালুর তৈরি সুরাহি। সেভাবে রাখা পানিকে সুগন্ধি করার জন্য দেওয়া হতো গোলাপ ও কেওড়া।

ইফতার করাকে সে কালে বলা হতো ‘রোজাখোলাই’, মানে খাবার গ্রহণের মাধ্যমে রোজা খোলা বা ভাঙা। নিজের বইয়ে ঢাকার ইফতার-অভিজ্ঞতার চমৎকার বর্ণনা দিয়েছেন মির্জা নাথান। তিনি লেখেন, ১৬১১ সালের প্রথম রোজার দিন তাঁর মনটা খুব খারাপ ছিল। বাংলা মুলুকে ইফতারের আয়োজন কেমন হবে, এ নিয়ে মনে মনে শঙ্কা ছিল তাঁর। ইফতারে এখানে কী না কী হয়, সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে তিনি রওনা হলেন বন্ধু মির্জা আলম বেগের তাঁবুর উদ্দেশে। তাঁবুর মোটা পর্দা সরিয়ে ভেতরে প্রবেশ করে ইফতারের আয়োজন দেখে মনই ভালো হয়ে গেল তাঁর। মানতে বাধ্য হলেন, ঢাকা অঞ্চলের ইফতারের আয়োজন খুবই সমৃদ্ধ।

ইতিহাসের বিভিন্ন বইয়ের সূত্রে প্রায় ৫০ পদ ঢাকাইয়া ইফতারির নাম পাওয়া যায়। নান তাফতান ও শিরমালের সঙ্গে শিক কাবাব, মুসাল্লাম কাবাব, শামি কাবাব, টিকা কাবাব ও তাশ কাবাব ছিল মোগলদের প্রিয় ইফতার, যা পুরান ঢাকার চকবাজারে এখনো তুমুল জনপ্রিয়। এ ছাড়া বিরিয়ানি, কিমা, পোলাও, বাখরখানি ও হালিম পুরান ঢাকার ইফতারিতে আজও গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হিসেবে টিকে আছে।

রমজান মাসে আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে হরেক রকম ইফতারি সাজিয়ে ‘ডালা’ পাঠানো হতো। বিয়ের প্রথম বছর কনের বাড়ি থেকে বরের বাড়িতে এ ডালা পাঠানো ছিল আবশ্যক। না পাঠালে কনের বাড়ির লোকজনকে অসামাজিক হিসেবে দেখা হতো।

ঢাকা পুরাণ-এ মীজানুর রহমানের বর্ণনায় সেকালের ঢাকাই ইফতারের দারুণভাবে মূর্ত হয়েছে, ইফতার শুরু হতো খেজুর আর
শরবত দিয়ে। প্রথম দিনের ইফতারের জন্য ধনাঢ্য বা বনেদি পরিবারের মুসলমানরা জমজমের
পানি সংগ্রহ করে রাখত। শরবতের সঙ্গে জমজমের দু-তিন ফোঁটা পানি মিশিয়ে খেত তারা। ঢাকায়
সে সময় বহু ধরনের শরবত তৈরি করা হতো।
বেশির ভাগ লোক তোকমার সুগন্ধি শরবত পান করত। আবার কিছু লোক বেলের শরবত পান করত। আর কেউ কেউ লেবুর শরবত বা তেঁতুল-গুড়ের ঘন টক-মিষ্টি শরবত দিয়েই সূচনা ঘটাত ইফতারের।

তখন গরমের দিনে ‘পাহাইড়া বরফ আছে’ বলে হাঁক ছেড়ে ইফতারের শরবতের জন্য ডেকে ডেকে বরফ বিক্রি করতেন ভিস্তিওয়ালা। এসব বরফ দিয়ে ফালুদা, বোরহানি ও লাবাং তৈরি করা হতো। এ ছাড়া পেস্তাবাদামের শরবত, ঘোল বা মাঠার শরবতও বেশ জনপ্রিয় ছিল।

এসবের সঙ্গে থাকত ডাল পিষে বানানো গরম-গরম ফুলুরি। কবি শামসুর রাহমান তাঁর স্মৃতিকথায় লিখেছেন, ‘বাড়িতে ইফতারির সরঞ্জামের অভাব ছিল না, কিন্তু চোখ পড়ে থাকত সিতারা মসজিদের বারান্দায়। শুধু মনে হতো, ওই মুড়ি, ফুলুরি, দোভাজা, ছোলা আর বেগুনি মেশানো খাবারটা যেন রূপকথার দেশ থেকে এসেছে, আমাদের রোজকার দেখা ধরাছোঁয়ার বাইরের জিনিস।’

সে সময় সামর্থ্যবান সবাই চেষ্টা করত মহল্লার মসজিদে ইফতারি পাঠাতে। প্রথম রমজান, সাতাশ রমজান ও শেষ রমজানে মসজিদে কে ইফতারি দেবে—এ নিয়ে চলত তুমুল প্রতিযোগিতা। শিশু-কিশোরেরাও মুখিয়ে থাকত মসজিদের এই ইফতারির জন্য। রোজার এসব বর্ণিল সঙ্গ-অনুষঙ্গগুলো হারিয়ে গেলেও ইফতারের আয়োজনটা এখনো তার সেই শাহি অবস্থা সামান্য হলেও ধরে রেখেছে।

রমজান মাস যেমন পবিত্রতার মহিমায় আবৃত্ত, তেমনি এ মাস এলেই স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ি আমরা। আমাদের মনে পড়ে ফেলে আসা দিনের রোজা-রমজানের কথা। তাই তো এ মাসে বাঙালি হামেশায় মেলে ধরে বিগত রোজার স্মৃতির পসরা।

নিবন্ধ থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন