বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ভেবেই অবাক লাগে, উচ্চ ও মধ্যবিত্ত স্তরের শিশুরা যখন বাসায় আটকে থেকে দিন গুনছে বন্ধুদের সঙ্গে আবার দেখা হওয়ার, অথবা মা–বাবা হিসেবে আমরা যখন ভাবছি সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠাব নাকি আরও কিছুদিন অপেক্ষা করব, সেই পরিস্থিতিতে হয়তো সুবিধাবঞ্চিত একটি শিশু প্রাণপণে চাচ্ছে, বিদ্যালয় খুলে যাক। তাতে তার এক বেলার মধ্যাহ্ন আহার হবে। মা–বাবা নিশ্চিন্ত থাকবেন তাঁর শিশু অসৎ সঙ্গে নেই।

দারিদ্র্যপীড়িত পরিবারগুলো শুধুই যে অসচ্ছলতার জন্য শিশুদের কাজে নিয়োগ বা শিশুবিবাহে বাধ্য করে, তা কিন্তু নয়। পুত্রশিশুর জন্য পরিবার ভাবনায় থাকেন শিশুটি অসৎ সঙ্গে জড়িত হয়ে মাদক সেবন, অসামাজিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে কি না। মা–বাবা ভেবে থাকেন, মূলত কাজের সঙ্গে জড়িত থাকলে শিশুটি অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হবে না এবং আর্থিক সমর্থনও পাবে পরিবারটি। অন্যদিকে, কন্যাশিশুদের জন্য পরিবার সামাজিক নিরাপত্তা নিয়ে অধিক চিন্তায় থাকে। আর এই চিন্তাই এই করোনা পরিস্থিতিতে অধিক মাত্রায় শিশুদের শ্রমে নিয়োজিত করেছে। কন্যাশিশুর ক্ষেত্রে সামাজিক নিরাপত্তা, অপরাধ চক্রের ফাঁদে পড়া, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ও গর্ভধারণ এড়াতে মা–বাবা বিয়েকেই শ্রেয় মনে করেছেন।

শিশুশ্রম বা বিবাহ ছাড়া অন্য যে কারণে শিশুরা শিক্ষা থেকে ঝরে পড়েছে, সেগুলো হলো অনলাইন বা টেলিভিশনভিত্তিক লেখাপড়ায় একমুখী শিখনে পাঠ বুঝতে অসুবিধা, বাড়িতে পড়ালেখায় সহায়তার কেউ না থাকা, ডিভাইস না থাকা, শিখনশূন্যতা অধিক হারে হয়ে পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ হারানো।

কারণ যা–ই হোক, শিশুদের বিদ্যালয়ে প্রত্যাবর্তন এখন সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে যারা কাজের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে এবং যাদের বিয়ে হয়ে গেছে। অনেকে মনে করেন, কাজের সঙ্গে যুক্ত শিশুদের ফেরানো গেলেও বিবাহিত শিশুদের ফেরানো দুষ্কর হবে।

করোনাকালে যেসব শিশুর বিয়ে হয়েছে, তাদের বেশির ভাগই হয়েছে গোপনে। যাতে এর বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়া যায় এমনভাবে। শ্রমজীবী শিশুদের অভিভাবকের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে তাদের ফিরিয়ে আনা গেলেও বিবাহোত্তর কন্যাশিশুদের মা–বাবা তাঁদের সন্তানকে অন্য বাড়ির আমানতই মনে করেন। এ ক্ষেত্রে শিশুটির বৈবাহিক পরিবারকে কতটুকু অ্যাডভোকেসির আওতায় আনা যায়, তা চিন্তার বিষয়। তবে কি আমরা হাল ছেড়ে দেব?

শিশু বয়সেই ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় বিয়ে হওয়া শিশুরা নতুন পরিবারে যেই সাংস্কৃতিক অভিঘাতের ভেতর দিয়ে যায়, সেই অবস্থায় তাকে সবার আগে মানসিকভাবে দৃঢ় করা প্রয়োজন। এখানেই শেষ নয়, একজন শিশু জন্ম দেবে না আরেক শিশুর, তাই রিপ্রোডাকটিভ হেলথ নিয়ে কথা বলতে হবে তার, তার নতুন পরিবারের সঙ্গে।

২১ সেপ্টেম্বর ২০২১ বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের একটি বিদ্যালয়ের যেখানে এই করোনা লকডাউনে ৪০ জন শিশুর বিয়ে হয়েছে। এদের মধ্যে বড় একটা অংশ ইতিমধ্যে গর্ভধারণ করেছে এবং নানান ধরনের বিবাহ–পরবর্তী পারিবারিক নির্যাতন ও গর্ভকালীন শারীরিক ও মানসিক জটিলতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ভাবা যায়! তাহলে পুরো দেশের চিত্র কেমন!

এবারে আন্তর্জাতিক শিশু দিবসের প্রতিপাদ্য, ‘ডিজিটাল জেনারেশন, আওয়ার জেনারেশন’। আমরা যখন ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে এগিয়ে যাচ্ছি, এই প্রতিপাদ্য যেন আমাদের জন্য হয়ে ওঠে সম্ভাবনার। আর সেটা ঝরে পড়া শিশুদের বাদ রেখে নয়, তাদের নিয়েই।

তাহলে প্রশ্ন ওঠে—কী করা যেতে পারে বিয়ের শিকার শিশুদের জন্য? প্রথমেই যা উচিত তা হলো এই শিশুদের মানসিক সুস্থতা ফিরিয়ে দেওয়া। শিশু বয়সেই ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় বিয়ে হওয়া শিশুরা নতুন পরিবারে যেই সাংস্কৃতিক অভিঘাতের ভেতর দিয়ে যায়, সেই অবস্থায় তাকে সবার আগে মানসিকভাবে দৃঢ় করা প্রয়োজন। এখানেই শেষ নয়, একজন শিশু জন্ম দেবে না আরেক শিশুর, তাই রিপ্রোডাকটিভ হেলথ নিয়ে কথা বলতে হবে তার, তার নতুন পরিবারের সঙ্গে। কথা বলার এবং অ্যাডভোকেসি করতে পারতে হবে এই পরিবার অর্থাৎ কন্যা বিসর্জন ও অর্জন করা দুই পরিবারকে নিয়ে, যাতে তার লেখাপড়া ও ভবিষ্যৎ নির্মাণ বন্ধ না হয়। সুযোগ পেলে কেন এবং কীভাবে সেই শিশু উভয় পরিবারের জন্য আশীর্বাদ হতে পারে, তা তাদের বোঝাতে পারতে হবে।

ইতিমধ্যে যারা অন্তঃসত্ত্বা হয়েছে বা শিশুর জন্ম দিয়েছে, তাদের স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য পুনর্গঠনে দিতে হবে নজর। সেই সঙ্গে জন্ম দেওয়া শিশুটিরও ভবিষ্যৎ নিয়ে বোঝাতে পারতে হবে সবাইকে। অর্থাৎ চেইন রিঅ্যাকশনটা বন্ধ করতে হবে। তবে এই বিষয়গুলোও যেন বুমেরাং না হয়। অর্থাৎ শিশু বিয়ের পরও সবকিছু অব্যাহত রাখতেই পারে, এই রকম কোনো অপব্যাখ্যাও যেন তাদের মাঝে গেড়ে না বসে।

সর্বাগ্রে আমাদের উচিত, যা আছে তাই নিয়ে শুরু করা। হাতে হাতে স্মার্টফোন (৪১%) যে দেশে, সেই দেশে ডিজিটাল বিহেভিয়ার চেঞ্জ অ্যাপ্রোচ হতে পারে একটা আশীর্বাদ। আমাদের ১০৯ ও ১০৯৮ মতো প্ল্যাটফর্মকে কাজে লাগাতেই হবে। এগুলো টোল ফ্রি নম্বর। যেখানে ফোন করতে পয়সা খরচ হয় না এবং যোগাযোগকারীর তথ্য গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। বাল্যবিবাহসহ নারী ও শিশু নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সহজ উপায় এটি। এই নম্বরগুলোকে ভীষণভাবে ছড়িয়ে দিতে হবে।

স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের জানাতে হয় ‘জয়’ অ্যাপের কথা। শিশু ও নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে এই অ্যাপ হতে পারে আশীর্বাদ, যদি এর প্রসার, ব্যবহার বাড়ানো যায়। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ তাদের একটি কর্মসূচির আওতায় গর্ভবতী মায়েদের স্বাস্থ্যবার্তা, কখন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যেতে হবে সেই সব বার্তা দেয় একটি চুড়ির মাধ্যমে। এটাকে ‘কোয়েল বেঙ্গল’ বলা হয়, যেটি কিনা গর্ভবতী নারীরা হাতে পরে থাকেন। সময়মতো এই চুড়ি ভয়েস নোটিফিকেশন দেয়। সন্তানসম্ভবা কন্যাশিশুরা যেন সঠিক সময়ে সঠিক স্বাস্থ্যসেবা ও পরিচর্যা পায়, তার দিকে লক্ষ রাখতে হবে।

এলাকাভিত্তিক শিশু ও যুবসমাজ পিয়ার টিউটরিং ও রেসপনসিবল সিটিজেন হিসেবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে কাভারেজের বাইরে থাকা শিশুদের শিক্ষা, রিপ্রোডাকটিভ হেলথ রাইট নিয়ে কাজ করতে পারে। এ ক্ষেত্রে তাদের সক্ষমতা বাড়াতে হবে ব্যাপকভাবে। ইতিমধ্যে অনেক বেসরকারি সংগঠন এ বিষয়ে কাজ করছে। সে ক্ষেত্রে কীভাবে একত্র হয়ে এক ছাতার নিয়ে অধিক কাভারেজ নিশ্চিত করা যায় এবং অবশ্যই ফলপ্রসূভাবে, তা ভাবতে হবে। করোনাকালে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যখন বন্ধ ছিল, তখন এই উদ্যোগ অনেক শিশুর শিক্ষা অব্যাহত রেখেছে। যেকোনো সময় আবারও এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হলে যাতে কভারেজের বাইরে কোনো শিশু না যায়, তার জন্য সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে, যাতে মনিটরিং ও অ্যাডজাস্টমেন্টের সুযোগ থাকে।

মানসিক স্বাস্থ্যকে প্রাধান্য দিয়ে এই শিশুদের কীভাবে আত্মবিশ্বাসী করা যায়, সে ব্যাপারে ভাবতে হবে। নিজের বিয়ে নিজেই প্রতিরোধ কীভাবে করবে, প্রতিবাদের ভাষা ও তার নিজস্ব পদক্ষেপগুলো কীভাবে দৃঢ় করবে, সেই বার্তাগুলো তাদের কাছে পৌঁছতে হবে।

দুঃখজনক হলেও সত্য, আলোর নিচেই আঁধারের বাস। যখন কিনা আমরা যারা উন্নয়নকর্মীরা সুবিধাবঞ্চিত অথবা ‘হার্ড টু রিচ’ এলাকার শিশুদের নিয়ে ভাবছি, তখন সুবিধা পাওয়া আমাদের ঘরের সন্তানেরাই অনেক তথ্য সম্পর্কে অবগত নয়। এই লেখার সুবাদে ঢাকার পরিচিত কিছু বিদ্যালয়ের (বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যম) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জানা গেল, তারা অধিকাংশই নারী ও শিশু নির্যাতনের জন্য যে হটলাইন আছে, সে ব্যাপারে জানে না। অথবা বন্ধুর বিয়ে হতে যাচ্ছে জানতে পারলে তাঁর ভূমিকা কী হতে পারে, সে ব্যাপারে ধারণা রাখে না। বিষয়টা হতাশাজনক। এই শিশুদের সঙ্গেও ব্যাপক আঙ্গিকে কাজ করার সুযোগ আছে।

উন্নয়ন যোগাযোগ নিয়ে কাজ করা একজন হিসেবে আমি বিশ্বাস করি, টার্গেট গ্রুপকে ধরতে হলে সব সম্ভাব্য পথ ব্যবহার করতে হবে। জেনারেশন জেডকে ধরার উপায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। আমাদের দেশে সামাজিক মাধ্যমগুলোর মধ্যে যেগুলো অধিক জনপ্রিয়, সেগুলো হলো ফেসবুক ও টিকটক। আমাদের দেশে ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি ৬০ লাখ। অন্যদিকে টিকটক ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি, যেটা গত বছরের চেয়েও ৭০ শতাংশ বেশি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো যখন বন্ধ ছিল, তখন এই উদ্যোগ অনেক শিশুর শিক্ষা অব্যাহত রেখেছে। যেকোনো সময় আবারও এই ধরনের পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হলে যাতে কভারেজের বাইরে কোনো শিশু না যায়, তার জন্য সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে, যাতে মনিটরিং ও অ্যাডজাস্টমেন্টের সুযোগ থাকে।

অল্প সময়ে ক্রিয়েটিভ কনটেন্ট দিয়ে অধিক ফলপ্রসূভাবে ইনফোটেইনমেন্ট দেওয়ার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এটি জনপ্রিয়তা পাচ্ছে বিভিন্ন দেশে। এমনকি আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা বা আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠনগুলোও নানান উন্নয়ন বার্তা ও বিসিসির (বিহেভিয়রাল চেঞ্জ কমিউনিকেশন) জন্য এই মাধ্যম ব্যবহার করছেন। যদিও আমাদের দেশে সম্প্রতি কেন টিকটকের মতো অ্যাপ বন্ধ করা হবে না; কারণ, জানতে চেয়ে রিট পিটিশন হয়েছে। তবে মাথাব্যথায় মাথা না কেটে ব্যথার কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা উচিত। এই প্ল্যাটফর্মগুলো যেহেতু নগর ও গ্রামাঞ্চলের শিশু ও যুবদের মধ্যে জনপ্রিয়, তাই দিয়েই টার্গেটিং অনেক সহজ।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কমতে থাকা ধৈর্যের সময়সীমায় নিরীক্ষায় উঠে আসে, ডিভাইস ব্যবহারকারীদের প্রতি কনটেন্টের জন্য সর্বোচ্চ সময় ব্যয় ২০ সেকেন্ড। এই ২০ সেকেন্ডের মধ্যে তার মাঝে আবেদন সৃষ্টি করতে না পারলে সে স্ক্রলিংয়ে চলে যায়। সে ক্ষেত্রে ছোট ছোট ক্রিয়েটিভ ভিডিও ইনফোটেইনমেন্ট অর্থাৎ তথ্য ও বিনোদনযোগে কনটেন্টের মাধ্যমে তাদের অ্যাপ্রোচ করবার পথ খুঁজতে হবে।

আচরণ পরিবর্তন করার বড় একটা পথ হলো মানুষকে এমনভাবে প্রথম ধাক্কাটি দিতে হবে, যাতে সে অনুধাবন করে তার আচরণের অনভিপ্রেত বিষয়গুলো। তারপর প্রাত্যহিক জীবনে একটু একটু পরিবর্তন। কিছুদিন আগে, নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্র টিকটকে তার দুঃসাহসিক বিয়ে করে ফেলার ঘটনা নিয়ে কনটেন্ট বানিয়েছে, যার থিম ছিল ভালোবাসার জয়। সে অনেক রিঅ্যাকশন পেয়েছে, কিন্তু একটাও ইতিবাচক নয়। তাকে সামাজিকভাবে লজ্জার মুখে পড়তে হয়েছে। পাল্টা কনটেন্ট হয়েছে কীভাবে শিশুবিবাহ রোধ করা যায়।

পরিশেষে জোরালোভাবে বলতে চাই, শিশুদের জন্য ভাবতে গিয়ে বিবাহিত শিশুদের কথা ভুললে চলবে না। তাদের মানসিক ও শারীরিকভাবে পুনর্বাসন করে নতুনভাবে পথচলায় সহায়তা করতে হবে। শিশু বাজেটে এর পরিপূর্ণ প্রকাশ থাকতে হবে। কোভিডের সঙ্গে পথচলায় ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে টেলিকম প্রতিষ্ঠানগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। ভাবতে হবে ইনোভেশনের কথা। ছন্নছাড়া না হয়ে একসঙ্গে চলতে হবে। তবেই সত্যি হবে ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন, প্রস্ফুটিত হবে শিশুদের সম্ভাবনা। কোনো উন্নয়ন, কোনো শিশুকে ছেড়ে নয়।

হুমায়রা সুলতানা উন্নয়ন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ

কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন