default-image

বিশ্ব যেসব বই এ বছর আগ্রহ ভরে পড়ল তার একটা মনোবিজ্ঞানী শোশানা জুবোফের দ্য এজ অব সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজম। পুঁজিতান্ত্রিক সঞ্চয়নের নজরদারিভিত্তিক নবযাত্রাকে ব্যাখ্যা করেছে এই গ্রন্থ। 

মানুষ ও সমাজকে ‘নিয়ন্ত্রণ’ ও ‘নজরদারি’ পুঁজিতান্ত্রিক উৎপাদন সম্পর্কের অপরিহার্য নতুন উপাদান এখন মুনাফামুখী চলতি ব্যবস্থাকে বাড়তি গতি দিচ্ছে অত্যাধুনিক প্রহরা-প্রযুক্তি। ফেসবুক, টুইটার, গুগল, উইচ্যাটের ব্যবহারকারীরা আদতে মোটেই এসব কোম্পানির ক্রেতা-ভোক্তা নেই। কাঁচামাল মাত্র। এসব ব্যবহারকারী তাঁদের পছন্দ-অপছন্দ, নড়াচড়া, অভ্যাস, ঘৃণা, হাসি-কান্নার যাবতীয় ‘তথ্য’ জুগিয়ে যাচ্ছেন ‘অন্য’কে। ফেসবুক, টুইটার, গুগল, উইচ্যাটের কাছে ব্যবহারকারীদের সব তথ্যই ‘ডেটা’ মাত্র। সরাসরি বা গোপনে যা চলে যাচ্ছে শেষ পর্যন্ত রাষ্ট্রের হাতে; করপোরেটদের হাতেও। কাজে লাগছে সেসব কখনো ব্যবসায়ের প্রসারে, কখনো নজরদারির প্রয়োজনে। এভাবে ‘মানুষ’ অজান্তেই শান্তিপূর্ণ পথে বেদখল হচ্ছে। সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমের শক্তির জায়গা এটাই।

পুঁজিতন্ত্রের আগের অধ্যায়ে দখল-বেদখল হতো প্রাকৃতিক সম্পদ। আজকের অর্থনীতি আগ্রহী মানবপ্রকৃতি নিয়ে। খোদ মানুষকে নিয়ে। এত দিনকার ইতিহাসে পুঁজি ও তার পেশিশক্তি উপনিবেশিত করেছে বিভিন্ন অঞ্চলকে। এখন উপনিবেশ হওয়ার কাল মানবশরীর ও মনের। সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক বহুত্ববাদের পাশাপাশি খুন হচ্ছে বিশেষভাবে মানুষের সার্বভৌমত্ব। এর বড় নজির আজকের চীনে। বিশেষ করে চীনের জিনজিয়াং।

চীনের উত্তর-পশ্চিমে দেশটির সবচেয়ে বড় প্রদেশ জিনজিয়াং। চীনজুড়ে সবচেয়ে বড় নৃগোষ্ঠী হানরা। ১৪১ কোটি মানুষের দেশে ৯২ ভাগই হান। কিন্তু জিনজিয়াংয়ে তারা সংখ্যালঘু। উইঘুররা সংখ্যাগুরু। এই উইঘুররাই চীনকেন্দ্রিক বিশ্বসংবাদের বড় উৎস এখন। মুসলমান উইঘুররা সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমের বড় এক নিরীক্ষার শিকার এ মুহূর্তে। তবে উইঘুরদের নিয়ে চীনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, নিপীড়ন এক হবু বিশ্বেরও ইঙ্গিত দিচ্ছে; যেখানে ৯৯ শতাংশ নাগরিকের নিয়তি উইঘুরদের মতোই হবে। যেখানে ‘৯৯ শতাংশ’ একই সঙ্গে ‘কাঁচামাল’, ‘ভোক্তা’ ও ‘ভিলেন’। ফলে শুধু মুসলমানিত্বের চোখ দিয়ে জিনজিয়াংয়ের ঘটনাকে দেখলে সামান্যই তার তাৎপর্য বোঝা যায়। অথচ বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে সেভাবেই বিষণ্ন চোখে উইঘুর ইস্যু দেখা হয়। অথচ যার যার আয়নার তাকালে দেখা যেত, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবার উইঘুর দশা আসন্ন। সম্প্রতি ভারতও চীনের এই নজরদারি প্রযুক্তি কিনতে যাচ্ছে বলে খবর প্রকাশিত হওয়া থেকে বোঝায়, উইঘুরদের পরিণতি আরও অনেক দেশের মানুষেরই হতে যাচ্ছে।

উইঘুররা চাইছে হারানো সার্বভৌমত্ব; চীন চাইছে ‘উন্নয়ন’
চীনের জনসংখ্যায় মুসলমান হিস্যা ১-২ ভাগের বেশি নয়। তারও অর্ধেকের কম উইঘুর। এই উইঘুরদের কাছে তাদের হারিয়ে ফেলা দেশ হলো জিনজিয়াং—তথা ‘পূর্ব তুর্কমেনিস্তান’। তাদের সঙ্গে সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত মিল তুর্কি ও উজবেকদের। কিন্তু থাকতে হচ্ছে হানদের অধীনে। হানরা ভাবে, উইঘুরদের আরও চীনাকরণ দরকার। উইঘুররা ‘পশ্চাৎপদ’, সে কারণেই ‘বিপজ্জনক’। তাদের ‘প্রশিক্ষণ’ দিয়ে ‘উন্নত’ করতে হবে।

এ যেন বিশ্বের সব ছোট ছোট জাতিসত্তার নিয়তি ও পরিণতি। শাসক এবং করপোরেট—সবাই তাদের ‘আধুনিক’ ও ‘উন্নত’ করতে চায়। কিন্তু উইঘুররা চাইছে নিজেদের অতীত ও ভবিষ্যতের ওপর সার্বভৌমত্ব। হান ও উইঘুরদের চাওয়া-পাওয়ার এই ব্যবধানই শেষোক্তদের চিহ্নিত করেছে ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে। যেভাবে দেশে দেশে কর্তৃত্ববাদ ও খবরদারিবিরোধী ভিন্নমতাবলম্বীরা চিহ্নিত ‘উন্নয়নবিরোধী’ হিসেবে।

জিনজিয়াংয়ের সমস্যাটি শুধু রাজনৈতিক নয়, মনোজাগতিকও। উইঘুরদের পাঁচ ওয়াক্তে মসজিদে যাওয়া বা তাদের লম্বা দাড়িও নজরদারির ব্যাপার। তারা ‘তালিবান’ হয়ে যাচ্ছে কি না, এ নিয়ে গণচীনের একমাত্র ‘বৈধ’ দলটি উদ্বিগ্ন। হানদের এই উদ্বেগ-উত্কণ্ঠা-কর্তৃত্ব উইঘুরদের মধ্যে সৃষ্টি করছে গভীর বিচ্ছিন্নতাবোধ। নজরদারিভিত্তিক পুঁজিতন্ত্র এভাবেই ‘৯৯ শতাংশ’কে বিচ্ছিন্ন ও বিবাগি শ্রমদাসে পরিণত করে। তীব্রতায় রকমফের থাকলেও সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজম মানেই একধরনের নীরব ‘কাউন্টার ইন্সারজেন্সি’ তথা ‘জনগণ’-এর বিরুদ্ধে দমনাভিযান। ‘আইনসম্মত’ভাবেই এসব হয় সব দেশে। প্রশিক্ষণের নামে উইঘুর শ্রমশিবিরগুলোও সেভাবেই কাজ করছে। ‘উন্নয়ন’-এর কাছে মাথা নোয়াতে শেখানোই এসব শিবিরের পাঠ্যসূচি। বাছাই করে উইঘুর শিল্পী, লেখক, অধ্যাপকদের সেখানে ‘প্রশিক্ষণ’ দেওয়া হচ্ছে। কারণ, উইঘুরদের নিজ স্বাতন্ত্র্য ভুলিয়ে দিতে হবে।

সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমের মহাপরীক্ষাগার উইঘুরদের জিনজিয়াং
প্রযুক্তির উদ্ভাবনে চীন অদম্য এক ড্রাগন এখন। জিনজিয়াংয়ের রাজধানী উরুমকিতে গেলেও তা বিশেষভাবে বোঝা যায়। পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম থেকে জানা যাচ্ছে, উইঘুরদের সবার হাতে স্মার্টফোন। বুকে পরিচয়পত্র। শখ কিংবা প্রয়োজনে নয়, এসব ব্যবহারে তারা বাধ্য। স্মার্টফোনে রাখতে হচ্ছে সরকার নির্ধারিত বিশেষ ‘অ্যাপ’ও, যা তাকে সর্বক্ষণ নজরদারিতে রাখছে। ফোন বন্ধ মানেই সন্দেহের তালিকায় পড়ে যাওয়া।

জিনজিয়াংয়ে মসজিদ, রেস্তোরাঁ, বাস টার্মিনাল—সর্বত্র মুখাবয়ব শনাক্ত করার চেকপোস্ট আছে। মুখের ছবি আর পরিচয়পত্র স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্যান হচ্ছে। কোনোটা বাদ পড়ামাত্র পুলিশকে সতর্ক করবে প্রযুক্তি। পরের পরিস্থিতি অনুমান করে নিতে পারি আমরা।

স্মার্টফোন পকেটে রেখে দেওয়াও অন্যায়। টহল পুলিশ চাওয়ামাত্র তা দেখাতে হয়। দরকার মনে করলে তারা সেটা তাৎক্ষণিক নেড়েচেড়ে দেখে। স্মার্টফোন আর বায়োমেট্রিক পরিচয়পত্র ছাড়াও চীন উইঘুরদের ডিএনএ, আঙুলের ছাপ নিচ্ছে; ‘ভয়েস রেকর্ড’ করছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রত্যেকের নড়াচড়ার ‘ম্যাপিং’ও চলছে। ২৫ লাখ উইঘুর ইতিমধ্যে নজরদারি প্রযুক্তির আওতায় এসেছে। গ্রাম-শহর সর্বত্র তাদের ‘চেকপয়েন্ট’-এর ভেতর দিয়েই এদিক-সেদিক যেতে হয়। ব্যতিক্রম ঘটার সুযোগ নেই।

স্বভাবত উইঘুররা হাঁপিয়ে উঠেছে। হানদের আধিপত্য ও নিয়ন্ত্রণ মানতে চাইছে না তারা। উইঘুরদের সেই অস্থিরতাই ‘খবর’ হিসেবে পাই আমরা। কিন্তু খবরদাতারা কেউ সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমের বিরুদ্ধে নন।

বাস্তবে উইঘুরদের জন্য পশ্চিমের হাহাকার যতটা একটা ছোট নৃগোষ্ঠীর মানবাধিকারের জন্য, তার চেয়েও বেশি চীনকে অপদস্থ করতে। এরই অংশ হিসেবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ২৮টি চীনা কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে। চীনের সরকারি ও বেসরকারি যেসব সংস্থা নজরদারি যন্ত্রপাতির উৎপাদন ও বেচাবিক্রিতে যুক্ত, তেমন কয়েকটিই এই নিষেধাজ্ঞায় পড়ল। এদের বিরুদ্ধে উইঘুরদের মানবাধিকার লঙ্ঘনে যুক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে। তবে এটা একধরনের বাণিজ্যযুদ্ধও বটে। উইঘুররা এখানে লক্ষ্য নয় মোটেই, উপলক্ষ মাত্র।

কোটি কোটি মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য কর্তৃত্ববাদী শক্তির হাতে
বিশ্বে সার্ভিল্যান্স ক্যাপিটালিজমের সমকালীন বড় হাতিয়ার হলো মুখচ্ছবি শনাক্ত করার প্রযুক্তি। বায়োমেট্রিক বিদ্যা দিয়ে মুখের মানচিত্র শনাক্ত করে এই প্রযুক্তি। বিমানবন্দর থেকে শপিং সেন্টার, সর্বত্র এটা বসানো হচ্ছে। ২০১৭-এর হিসাবে, আড়াই কোটি ভিডিও সার্ভিল্যান্স ক্যামেরা বসে আছে দুনিয়াব্যাপী। এর অন্তত ২০ ভাগ রাষ্ট্রীয় নেটওয়ার্কভুক্ত। কেবল চীনই এ রকম চার কোটি ক্যামেরা বসাতে চায়। চীনের শেনজেনে এখনই প্রতি হাজার মানুষের বিপরীতে ১৫৯টি ক্যামেরা বসে আছে। সাংহাইয়ে সেটা হাজারে ১১৩। লন্ডনে প্রতি হাজার মানুষকে নজরদারিতে রাখছে ৬৮টি ক্যামেরা।

মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার চিরতরে মৃত্যু ঘটতে চলেছে এভাবে। এ বছর ‘ফেসিয়াল টেকনোলজি’র বাজার ছিল তিন বিলিয়ন ডলারের সামান্য ওপরে। পাঁচ বছরের মধ্যে তা দ্বিগুণ হবে। ২০১৭ সালে কেবল ভিডিও নজরদারি যন্ত্রের বাজার ছিল ২৮ হাজার মিলিয়ন ডলারের সমান। ২০২৫-এ দাঁড়াবে ৮৭ হাজার মিলিয়ন ডলারে।

বিশ্বকে ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বধ্যভূমি বানাতেই এত সব বাণিজ্য। ইতিমধ্যে এফবিআইয়ের হাতে নানান উপায়ে ৪১ কোটি মানুষের মুখাবয়বের ‘ডেটা’ চলে গেছে বলে যুক্তরাষ্ট্রেই খবর বেরিয়েছে। এ রকম ‘ডেটা’ আস্তে আস্তে বিশ্বের সব গোয়েন্দা সংস্থা থেকে সন্ত্রাসী সংগঠন, সবার কাছেই যাবে কোটি কোটি মানুষের অজান্তে। কর্তৃত্ববাদী শাসকেরা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে পেটোয়া বাহিনী ব্যবহার করতে ফেসিয়াল টেকনোলজির বড় ক্রেতা হয়ে উঠছে ইতিমধ্যে। করপোরেটরাও এই প্রযুক্তির প্রধান এক ভোক্তা। এই প্রযুক্তির মানবাধিকারবিরোধী ব্যবহার হবে ভয়াবহ রকম বহুমাত্রিক। একজন প্রতিবাদী শ্রমিককে বরখাস্ত করার পাশাপাশি তাঁর মুখের মানচিত্র যদি সব মালিকের কাছে নিমেষে পৌঁছে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি হয়তো আর কোনো দিনই কাজ পাবেন না। সন্ত্রাস, ধরপাকড়, জুলুম থেকে বাঁচতে মানুষের এক স্থান থেকে অন্য স্থানে লুকিয়ে থাকার দিনও ফুরাল। সাম্প্রতিক হংকংয়ে বিক্ষোভকারীদের মুখোশ পরতে যে নিষেধ করা হচ্ছে, তা-ও মুখাবয়ব শনাক্তকারী প্রযুক্তি ব্যবহার করে চীনের নজরদারির জন্যই। সার্ভিল্যান্স যুগের প্রধান সংস্কৃতিই হলো, ‘সব মেনে নাও’।

যুক্তরাষ্ট্র বা চীনবিরোধী কেউ এসবের বিপক্ষে নয়, বরং উত্সাহী। তারা চাইছে প্রযুক্তি যেন কেবল তাদের হাতেই থাকে। সেই জন্য চীনের কোম্পানিকে থামাতে চাইছে তারা। উইঘুরদের জন্য ক্রন্দন তাই কপটতার অধিক কিছু হয়ে ওঠে না।

কিন্তু সোয়া কোটি উইঘুরের বিপন্নতা প্রকৃতই এক অমানবিক বাস্তবতা। জিনজিয়াংয়ে পুরো উইঘুর সমাজকে ডেটা সার্ভিলেন্সের আওতায় আনতে পারলে চীন মানব‘সভ্যতা’র নতুন এক অধ্যায় শুরুর কর্তৃত্ব দাবি করতেই পারে। হানদের এই নতুন আধিপত্য আসলে পুঁজিতন্ত্রের নতুন এক মানবপ্রকৃতিবিরোধী যাত্রা।

অথচ দেশে দেশে নজরদারি প্রযুক্তির উদ্ভাবন, উৎপাদন ও বিপণন সফলতাকে দেখানো হচ্ছে বিজ্ঞান ও ব্যবসায়ের বিশাল উন্নতি ও সম্ভাবনা হিসেবে। বিশ্বের যেসব শহরে সার্ভিল্যান্স যন্ত্রপাতি যত বেশি বসছে, সেগুলোকে তত জোরেশোরে বলা হচ্ছে ‘স্মার্টসিটি’। এসব স্মার্টসিটি আসলে উচ্চপ্রযুক্তির কারাগার হিসেবেই গড়ে উঠছে। দু-একটি অপরাধ দমনে প্রযুক্তির সাহায্যকে অতিপ্রচারে এনে স্মার্টসিটির কারা সংস্কৃতিকে মহিমান্বিত করা হয়।

জিনজিয়াংয়ের উইঘুরদের মতোই বিশ্ব জনসংখ্যার ‘৯৯ শতাংশ সংখ্যালঘু’ই কালে কালে এভাবে ১ শতাংশের নজরদারির আওতায় চলে আসবে। একদিকে থাকবে ৭ দশমিক ৭ বিলিয়ন মানুষের ৭ কোটি, অন্যদিকে বাকিরা।

লাখ লাখ উইঘুরের মানবিক সত্তা মুছে তাদের স্রেফ নজরদারির ‘ডেটা’য় পরিণত করার চীনা চেষ্টা কার্যত এই জীবন্ত পৃথিবীটাকে মেশিনে পুরে জিডিপি বাড়ানোর সর্বনাশা আয়োজন মাত্র। কেবল ধর্ম পরিচয় দিয়ে উইঘুরদের হাহাকারকে বোঝার চেষ্টাই তাই সুনামির অনেকটাই আড়ালে পড়ে।

আলতাফ পারভেজ: দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস বিষয়ে গবেষক

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0