পেং লিউয়াং উপহারটি গ্রহণ করলেও সেটি ছিল একটি বিরল ঘটনা, কারণ, রক্ষণশীল চীনা সমাজে কোনো সম্ভ্রান্ত বংশীয় নারীর সঙ্গে তৃতীয় কোনো ব্যক্তি সাধারণত এমন সৌজন্য দেখায় না। পরে চীনের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনও দৃশ্যটি কর্তন করে।

‘শাল কূটনীতি’ অবশ্য প্রেসিডেন্ট পুতিনের জন্য নতুন কিছু নয়। এর আগে তিনি জি-টোয়েন্টি সম্মেলনে জার্মানির তৎকালীন চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেলের গায়ে শাল জড়িয়ে দেন। তা নিয়ে যদিও ততটা উচ্চবাচ্য হয়নি।

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সি চিন পিং যত দেশ সফর করেছেন, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গেছেন প্রতিবেশী রাশিয়ায়। গত ১০ বছরে সি ও পুতিনের মধ্যে অন্তত ৪০ বার সাক্ষাৎ হয়েছে। কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এটি একটি বিরল ও ব্যতিক্রমী ঘটনা। এই সময়ে চীনের প্রেসিডেন্ট বহুবার রুশ প্রেসিডেন্টকে তাঁর ‘সেরা বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই রকম বন্ধুত্বের বার্তা দিয়ে সিকে কাছে টেনে নিয়েছেন শীতল মাথার প্রেসিডেন্ট পুতিনও।

প্রেসিডেন্ট পুতিন রাশিয়ার দণ্ডমুণ্ডের কর্তা হয়ে আসেন ২০০০ সালের শুরুর দিকে, সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার ৯ বছর পর। আর এটা ২০২২ সালের মে মাস। সেই হিসাবে তিনি ক্ষমতায় আছেন ২২ বছর ধরে। অপর দিকে সি চিন পিং বিশাল চীন সাম্রাজ্যের অধীশ্বর হয়েছেন ২০১২ সালের শেষ দিকে। তিনি ক্ষমতায় আছেন প্রায় ১০ বছর ধরে। আগামী বছর (২০২৩) তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদ শেষ হবে। শুরু হবে তৃতীয় মেয়াদ। ২০১৭ সালে বর্তমান নেতা সি চিন পিংয়ের ‘নাম’ এবং তাঁর ‘মতাদর্শ’ দলের মেনিফেস্টো অর্থাৎ সংবিধানে ঢোকানোর এক প্রস্তাব অনুমোদন করে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি। দলের মেনিফেস্টোতে ‘নতুন যুগে চীনা সমাজতন্ত্র নিয়ে সি চিন পিংয়ের মতাদর্শ’ ঢোকানোর এই প্রস্তাব অনুমোদনে বেইজিংয়ে গ্রেট হলে দলের দুই হাজার প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নয় কোটি সদস্যের পাশাপাশি স্কুল–কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে কলকারখানার শ্রমিকদের চীনা সমাজতন্ত্র সম্পর্কে বর্তমান নেতা সি চিন পিংয়ের ‘মতাদর্শ’ পড়তে হবে।

এর ধারাবাহিকতায় পরের বছর ২০১৮ সালের মার্চে চীনের কংগ্রেস রাষ্ট্রপ্রধানের নির্দিষ্ট মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার বিধান প্রত্যাহার করে। সেই হিসেবে সি চিন পিংয়ের আজীবন ক্ষমতায় থাকার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এরই মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে সি আজীবন ক্ষমতায়ই থাকবেন। রাজনৈতিক ভাষ্যকারদের অনেকেই বলছেন, দলের মেনিফেস্টোতে মতাদর্শ অন্তর্ভুক্তির এবং রাষ্ট্রপ্রধানের নির্দিষ্ট মেয়াদে ক্ষমতায় থাকার বিধান প্রত্যাহারের পর সি চিন পিং হয়ে উঠেছেন চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা মাও সে তুংয়ের সমকক্ষ। পর্যবেক্ষকেরা বলছেন, এর আগে হু জিনতাও বা জিয়াং জেমিনের মতো যাঁরা প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তাঁদের কারোই সি চিন পিংয়ের মতো এমন কর্তৃত্ব ছিল না।

২.

প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সি চিন পিং যত দেশ সফর করেছেন, এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি গেছেন প্রতিবেশী রাশিয়ায়। গত ১০ বছরে সি ও পুতিনের মধ্যে অন্তত ৪০ বার সাক্ষাৎ হয়েছে। কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে এটি একটি বিরল ও ব্যতিক্রমী ঘটনা। এই সময়ে চীনের প্রেসিডেন্ট বহুবার রুশ প্রেসিডেন্টকে তাঁর ‘সেরা বন্ধু’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। একই রকম বন্ধুত্বের বার্তা দিয়ে সিকে কাছে টেনে নিয়েছেন শীতল মাথার প্রেসিডেন্ট পুতিনও।

সমাজতান্ত্রিক আদর্শের মধ্যে রকমফের থাকার পরও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও আজকের রাশিয়ার সঙ্গে চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ইতিহাস দীর্ঘদিনের। সেই সম্পর্ক রাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক দিক থেকেও বেশ গভীর।

রাশিয়া আকারে-প্রকারে বিরাট দেশ। জনসংখ্যা তুলনামূলক কম আর দেশটির অর্থনীতি ইতালির মতো দেশের সমান। অর্থাৎ অর্থনৈতিকভাবে রাশিয়া শক্তিশালী অবস্থানে নেই। অপর দিকে চীন বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ, আয়তনেও বিশাল। এশিয়া, আফ্রিকাসহ সারা বিশ্বেই দেশটির বিপুল অর্থনৈতিক প্রভাব, যা দিনদিন বাড়ছে।

প্রশ্ন হলো, সি চিন পিং ও পুতিনের মধ্যে কীভাবে হলো এই বন্ধুত্ব? এর উত্তর, ইউরোপ, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দুই দেশেরই ‘প্রত্যাখ্যাত’ হওয়া। এই প্রত্যাখ্যানই দুই নেতাকে সম্পর্কের একবিন্দুতে এনেছে।

রাশিয়ার সঙ্গে ইউরোপের সম্পর্ক বেশি খারাপ হয় ২০১৪ সালের দিকে, যখন মস্কো ইউক্রেনের ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করে নেয়। মূলত সোভিয়েত ইউনিয়ন ভাঙার পর থেকেই ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সমস্যার সূত্রপাত। এটা সত্য যে ক্রিমিয়া ১৭৪৩ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত রাশিয়ার অংশ ছিল। এর অধিবাসীদের প্রায় ৬৪ শতাংশ রুশ আর মাত্র ১৫ শতাংশ ইউক্রেনীয়। সাবেক সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ শুভেচ্ছার নিদর্শনস্বরূপ এই উপদ্বীপটি ইউক্রেনকে উপহার দিয়েছিলেন। যা–ই হোক, ক্রিমিয়া দখলের পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপ রাশিয়ার ওপর অবরোধ আরোপ করে। এরপর ২০১৫ সিরিয়ায় বাশার আল–আসাদ সরকারের পাশে থেকেও পশ্চিমাদের বিরাগভাজন হন পুতিন।

অপর দিকে ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে এক কাণ্ড করে বসেন। নিজেদের তৈরি করা বিশ্বায়ন তত্ত্ব অস্বীকার করে ‘জাতীয় অর্থনৈতিক সংরক্ষণবাদে’র পক্ষে শক্ত অবস্থান নেন। এতে চীনের অনেক পণ্যের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানির পথ সীমিত হয়ে আসে। চীনও হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকেনি। যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপ করে। এভাবে শুরু হয় দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যযুদ্ধ।

চীনের ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা অবশ্য নতুন কিছু নয়। ১৯৮৯ সালে তিয়েনানমেন চত্বরে রক্তক্ষয়ের পর থেকে বেইজিংয়ের ওপর যুক্তরাষ্ট্রসহ পাশ্চাত্য দেশগুলোর অর্থনৈতিক, প্রযুক্তিগত ও সামরিক—বিভিন্ন ধরনের নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ট্রাম্পের শাসনামলে এসব নিষেধাজ্ঞা কেবল আরও বিস্তৃত হয়েছে।

এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুতিন ও চিন পিং পরস্পর কাছাকাছি আসেন। বলা যেতে পারে, তাঁরা গলা জড়াজড়ি করে কান্না করে একে অপরের গলায় মাল্য পরিয়ে দেন। এভাবেই হয়ে যান ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’।

এর পর থেকে প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে অনেকটা এক সুরেই কথা বলেছেন পুতিন ও চিন পিং। ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণবাদ, ইউক্রেনকে ন্যাটোর সদস্যভুক্তির বিষয়ে রাশিয়ার বিরোধিতায় সমর্থন দেয় চীন। আবার ‘এক চীন নীতি’, যার অর্থ হলো তাইওয়ান চীনের অধীন, তাতে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে রাশিয়া। যদিও ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক আর তাইওয়ানের সঙ্গে চীনের সম্পর্কের বিষয়টি ঠিক এক রকম নয়। ইউক্রেন একটি স্বাধীন দেশ, তাইওয়ান যা নয়।

চলতি ফেব্রুয়ারির শুরুতে সি চিন পিং ঘোষণা দেন, রাশিয়ার সঙ্গে চীনের নতুন করে আরও পাকাপোক্ত হওয়া সম্পর্কের মধ্যে কোনো ‘সীমা পরিসীমা নেই’। এরপর আসে ২৪ ফেব্রুয়ারি, ইউক্রেনে রুশ অভিযান। রুশ সৈন্য ফিরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাবে ভোটদানে বিরত থেকে বেইজিং মস্কোর পক্ষে একধরনের অবস্থান নেয়। যদিও অনেকে ধারণা করেছিলেন, চীন সরাসরি রাশিয়ার পক্ষে ভেটোই দিয়ে দেবে।

৩.

ইউক্রেনে রুশ অভিযানের প্রায় আড়াই মাস অতিবাহিত হয়েছে। সেখানকার মাটিতে প্রাণ হারিয়েছেন অসংখ্য রুশ সেনা। তবে জনমানসে প্রতিফলিত হচ্ছে যেসব হৃদয়বিদারক দৃশ্য, তা ইউক্রেনের শিশুদের, নারীদের, সাধারণের। নেটফ্লিক্স দেখা, ব্লন্ড চুলের ইউক্রেনীয়রা আগুনে পুড়তে থাকা আপন গৃহকোণের দৃশ্য বুকে চেপে রেখে পোল্যান্ডগামী ট্রেনে চড়ে বসছেন। এখানে–ওখানে পড়ে রয়েছে লাশ। ইউক্রেন যুদ্ধে তাই স্পষ্টভাবে ব্যাকফুটে পুতিন। যুদ্ধাপরাধের দাগ তাঁর শরীরে। রুশ অভিযান শুরু হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই যেভাবে পশ্চিমারা গোপনে ও প্রকাশ্যে ইউক্রেনের পক্ষে অবতীর্ণ হয়েছে, তাতে এই যুদ্ধের পরিণতি কি হবে, সময়ই তা বলে দেবে।
কিন্তু কোনো পক্ষেই যুদ্ধ না করে, কেবল পুতিনের ‘বেস্ট ফ্রেন্ড’ হয়ে যে দুর্নাম সি চিন পিং কুড়ালেন, তা তিনি কীভাবে কাটাবেন?

এখানে আরেকটি প্রসঙ্গ আনা যেতে পারে, তা হলো ইউক্রেনের সঙ্গেও চীনের গভীর বাণিজ্যিক ও সামরিক সম্পর্ক বিদ্যমান রয়েছে। মনে রাখা দরকার যে ইউক্রেনের এক নম্বর বাণিজ্যিক অংশীদার চীন। তাদের বিআরআই বা বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মতো অবকাঠামো প্রকল্পের রেলওয়ে ও বন্দর নির্মাণে বেইজিং ও কিয়েভ একসঙ্গে কাজ করছে। সামরিক সম্পর্কের জায়গা থেকে দেখলে উল্লেখ করা যায়, যুদ্ধ জাহাজের গ্যাস টারবাইন, বিমানের ইঞ্জিন, এমনকি চীনের প্রথম বিমানবাহী জাহাজ লিয়াওনিং কেনা হয়েছিল ইউক্রেনের কাছ থেকে।

এখনো চীনের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক অংশীদার ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন। গত কয়েক বছরে চীন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন পাল্টাপাল্টি অবরোধ আরোপ করেছে, তারপরও তাদের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক মজবুত রয়েছে।

সেই সম্পর্ককে পাশ কাটিয়েই রাশিয়ার প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করেন চীনের নেতা। এ অবস্থায় নিরপেক্ষ দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে এমন মত দেওয়া যায় যে পুতিনের সঙ্গে জড়িয়ে কেবল সি চিন পিংয়ের ব্যক্তিগত অবস্থান দুর্বল হয়নি, বিশ্বব্যাপী চীনের যে ‘রেপুটেশন’, তার ওপরও প্রভাব পড়েছে। যখন চীন সারা বিশ্বেই ব্যাপকভিত্তিক প্রভাব ও নিয়ন্ত্রণ বাড়িয়ে যাচ্ছিল আর সি চিন পিং চীনের এমন এক ভবিষ্যতের কথা বলছিলেন, যেখানে দেশটির অর্থনীতি হবে আরও আত্মনির্ভর ও সুবিশাল।

কিছুটা হলেও ধাক্কা এতে এসেছে। অনেক রুশ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান নানাভাবে যুক্ত। অবরোধের প্রভাব এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর পড়ছে, সামনে আরও পড়তে পারে। আগেই উল্লেখ করেছি, ইউক্রেনের অবকাঠামো উন্নয়ন খাতেও চীনের বিপুল বিনিয়োগ রয়েছে। এসব বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ নিয়েও বেইজিং উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে।

চীনের ‘রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা’ বলতে কেবল তাইওয়ান ও দক্ষিণ চীন সাগর। দেশটি সব সময় অর্থনৈতিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে এসেছে। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের বারবার আহ্বান জানানো সত্ত্বেও অভিযান বন্ধে চীনের উল্লেখযোগ্য ভূমিকা দেখা যায়নি। মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় এসেছে ইসরায়েল, তুরস্ক ও বেলারুশের মতো মাঝারি শক্তির দেশগুলো।

রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ইউক্রেনে রুশ অভিযান এখন যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, ন্যাটোসহ পশ্চিমারা যেভাবে শক্তি বাড়িয়ে যাচ্ছে, সে ক্ষেত্রে আঞ্চলিক নিরাপত্তার স্বার্থে চীনের একটা শক্তিশালী ভূমিকার প্রয়োজন রয়েছে। ইউরোপীয় নেতারাও চান, চীন রাশিয়াকে নিয়ন্ত্রণে জোরালো অবস্থান নিক। না নিলে ইউরোপ ‘নতুন চীন পলিসি’ গ্রহণের ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছে। আবার চীনের দিক থেকেও ইউরোপ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার অবকাশ নেই। এদিকে রাশিয়াও কোনো নমনীয় অবস্থান গ্রহণ করছে বলে মনে হচ্ছে না। ইউক্রেনকে দেওয়া ইউরোপের অস্ত্রকে সামরিক হামলার লক্ষ্যবস্তু করা হবে বলে হুমকি দিয়ে রেখেছে। এ অবস্থায় চীন কী করবে? খুব জটিল পরিস্থিতিতে আছে দেশটি। সি চিন পিং কোনো ভূমিকা নিতে পারবেন কি?

আগামী বছর সি চিন পিংয়ের তৃতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার কথা। কংগ্রেস তাঁকে ফিরিয়ে দেবে না হয়তো, কিন্তু এই সময়ে সির যে ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে, তা কীভাবে পুনরুদ্ধার করবেন, তা একটা বিরাট প্রশ্ন। চীনের বিচক্ষণ নেতার নিশ্চয়ই সে ভাবনা রয়েছে। এখন এর কিছু নমুনা দেখতে পারলেই হয়।

  • কাজী আলিম-উজ-জামান প্রথম আলোর উপবার্তা সম্পাদক
    ই-মেইল: [email protected] com

কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন