একাডেমিক মান উন্নতি: এই সূচকের মান ৪০। এটির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন শিক্ষাবিদেরা বুয়েটের শিক্ষা কার্যক্রম সম্বন্ধে তাঁদের মতামত দেন। প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৪০০ শিক্ষাবিদের নাম দেওয়ার সুযোগ থাকে। বুয়েট এ পর্যন্ত ৩২০ জনের নাম দিয়েছে। তাঁদের মধ্য থেকে বাছাই করে এবং নিজেদের পছন্দের তালিকা থেকেও যুক্ত করে গোপনীয়তা রক্ষা করে বিভিন্ন একাডেমিশিয়ানদের কাছ থেকে র‌্যাঙ্কিং কর্তৃপক্ষ বুয়েটের ব্যাপারে মতামত নিয়েছে। তাঁদের প্রদত্ত মতামত অনুযায়ী, এবার এই সূচকে বুয়েটের স্কোর ছিল ৭২, যা গতবারের চেয়ে ৭ পয়েন্ট বেশি।

নিয়োগের মান উন্নয়ন: এটির নম্বর থাকে মোট নম্বরের ৩০ শতাংশ। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ১৯০ কর্মীর দেওয়া মতামতের ভিত্তিতে বুয়েটের এবারের স্কোর ছিল ৯০, গতবারের তুলনায় ২৭ পয়েন্ট বেশি। উল্লেখ্য, এ ক্ষেত্রেও র‌্যাঙ্কিং কর্তৃপক্ষের কাছে বুয়েটের প্রাথমিকভাবে ৪০০ জনের নাম দেওয়ার সুযোগ ছিল, অর্থাৎ ভবিষ্যতে আরও ২১০ জনের নাম পাঠানোর সুযোগ রয়েছে।

প্রকাশনায় উন্নতি: এটির নম্বর ১০। বুয়েটের শিক্ষকদের প্রকাশিত জার্নাল কতটা গ্রহণযোগ্য হলো, সেই তথ্য র‌্যাঙ্কিং কর্তৃপক্ষ সরাসরি সংগ্রহ করে। তাদের প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবার এ ক্ষেত্রে বুয়েটের স্কোর ছিল ৭০, গতবারের চেয়ে ৪ পয়েন্ট বেশি।

এইচ ইনডেক্স: এটির নম্বর ১০। এই ইনডেস্কের মাধ্যমে দেখা হয় প্রকাশিত জার্নালগুলোর প্রায়োগিক গুরুত্ব আছে কি না। কর্তৃপক্ষ বুয়েটের প্রকাশিত জার্নালগুলোতে এ ক্ষেত্রে স্কোর দিয়েছেন ৬১, গতবারের চেয়ে ৫ পয়েন্ট বেশি।

আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক (আইআরএন): এটিরও নম্বর ১০ শতাংশ। বিষয়টি এ বছরই নতুন যুক্ত হয়েছে। এর মাধ্যমে দেখা হয়, একটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় বা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে মিলে বা যুক্ত হয়ে কোনো গবেষণা করছে কি না। বুয়েট এ ক্ষেত্রে স্কোর করেছে ৩৬।

সব মিলিয়ে বুয়েটের স্কোর হয়েছে ৭২ দশমিক ৫। এটি গতবারের তুলনায় ৯ পয়েন্ট বেশি। এর ফলেই বুয়েটের র‌্যাংকিং ১৬২ ধাপ এগিয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে, প্রতিটি সূচকের স্কোর বাড়ানোর জন্য বুয়েট কী করেছে, যার ফলে এত উচ্চ লম্ফন হলো?

সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের কারণে একাডেমিক উৎকর্ষ বেড়েছে বলে মনে হয়। এর মধ্যে একটি হলো, করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যেও বুয়েট অনলাইনে সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রম চালু রাখতে সমর্থ হয়েছিল। এর জন্য বুয়েট কর্তৃপক্ষ তাদের নিজস্ব তহবিল থেকে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ, ডেস্কটপ, মুঠোফোন, অন্যান্য ডিভাইস ও মোবাইল ডেটা কেনার জন্য সুদবিহীন লোন (প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা) দিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রেজিস্ট্রেশন ফি মওকুফ বা শিথিলও করা হয়েছিল।

এসব উদ্যোগ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার কারণে করোনার মূল দুই বছর সময়ের মধ্যে বুয়েট তিনটি টার্ম শেষ করতে পেরেছে। সাধারণত বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে দুই বছরে সাড়ে তিনটি টার্মের বেশি সম্পন্ন করা যায় না। করোনার প্রাদুর্ভাবের মধ্যে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ ছিল এইচএসসি পরীক্ষাবিহীন শিক্ষার্থীদের বুয়েটের প্রথম বর্ষে ভর্তি করানো। বুয়েটের অতীত ঐতিহ্যকে সমুন্নত রেখে করোনার বাস্তবতায় এবার ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় দুই স্তরে। প্রথম স্তরে চারটি সেশনে ১৮ হাজার পরীক্ষার্থীর এমসিকিউ টাইপ পরীক্ষা নেওয়া হয়। এখান থেকে প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে দ্বিতীয় স্তরের লিখিত পরীক্ষার জন্য ছয় হাজার পরীক্ষার্থীকে বাছাই করা হয়।

করোনার কারণে সশরীর খাতা পরীক্ষণ ও নিরীক্ষণ করা সম্ভব ছিল না। তাই বুয়েটের নিজস্ব উদ্ভাবিত সফটওয়্যারের মাধ্যমে অনস্ক্রিন খাতা মূল্যায়ন ও নিরীক্ষণ পদ্ধতি প্রবর্তন করা হয়। করোনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেও দ্রুততম সময়ের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ করা হয়। প্রথম বর্ষের এই ব্যাচ তাদের প্রথম টার্মের ক্লাস শেষ করেছে এবং আগামী ১৬ মে থেকে তাদের প্রথম টার্মের পরীক্ষা শুরু হবে, সশরীর।

পোস্ট গ্র্যাজুয়েট শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও উন্নত করার জন্য বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পৃক্ত করার বিষয়ে একাডেমিক কাউন্সিল ও সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বিদেশি শিক্ষকদের বিমান ভাড়া, থাকা–খাওয়া এবং সম্মানীর বিষয়গুলো ফিন্যান্স কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। গবেষণা কার্যক্রমকে গতিশীল করা, গবেষণাসংখ্যা বাড়ানোর জন্য এবং নতুন নতুন উদ্ভাবন বাড়াতে বিশেষ গবেষণাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব, এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা ও ভিশন ২০৪১–কে সামনে রেখে নতুন নতুন কোর্স চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিশ্বের শিক্ষাবিদেরা বুয়েট সম্পর্কে এখন অনেক সুশৃঙ্খলভাবে এসব ইতিবাচক তথ্য পাচ্ছেন। কারণ, গত কয়েক বছরে বুয়েট তার ওয়েবসাইটকে তথ্যবহুল করেছে। বুয়েটের প্রধান ওয়েবসাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগীয় ওয়েবসাইটে এখন শিক্ষকসংখ্যা, শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত, প্রকাশনা, গবেষণার ক্ষেত্র ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

বিদ্যমান গবেষণাগুলোতে আধুনিক ও যুগোপযোগী করার জন্য ২ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকার একটি ডিপিপি ইউজিসির মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তিন অর্থবছরে বাস্তবায়নযোগ্য এই প্রকল্প অনুমোদন পেলে বদলে যাবে বুয়েটের গবেষণার মানচিত্র। আরও অনেক এগিয়ে যাবে বুয়েট। শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বকেয়া পরিশোধ, ক্লিয়ারেন্স, টেস্টিমোনিয়াল, ট্রান্সক্রিপ্ট ও প্রভিশনাল সনদ পাওয়ার বিষয়গুলোকে অনলাইন সিস্টেমের মাধ্যমে সহজ করা হয়েছে। ২০১৫ ব্যাচ এবং তার পরের শিক্ষার্থীরা এই সুবিধা উপভোগ করছে।

বিশ্বের শিক্ষাবিদেরা বুয়েট সম্পর্কে এখন অনেক সুশৃঙ্খলভাবে এসব ইতিবাচক তথ্য পাচ্ছেন। কারণ, গত কয়েক বছরে বুয়েট তার ওয়েবসাইটকে তথ্যবহুল করেছে। বুয়েটের প্রধান ওয়েবসাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগীয় ওয়েবসাইটে এখন শিক্ষকসংখ্যা, শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত, প্রকাশনা, গবেষণার ক্ষেত্র ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

বুয়েটে নিয়োগের মানোন্নয়ন বেড়েছে মূলত ওয়েবসাইটের বৈচিত্র্যের কারণে। বুয়েট গ্র্যাজুয়েট দীর্ঘদিন ধরেই সুনামের সঙ্গে দেশে-বিদেশে কর্মরত আছেন। কিন্তু তাঁদের সম্পর্কে জানার সুযোগ ছিল কম। বুয়েট নিজে পেশাদারি কাজকর্মের সঙ্গে কতটা জড়িত, সেটিরও প্রচার ছিল না খুব একটা। বর্তমানে বুয়েটের প্রধান ওয়েবসাইটের পাশাপাশি বিভিন্ন বিভাগীয় ওয়েবসাইটে এখন ইউজি এবং পিজি ডিগ্রি, একাডেমিক সিলেবাস, শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত পাঠ্য ক্রমিক কার্যক্রম, শিল্পের সঙ্গে বুয়েটের সহযোগিতা, গবেষণার ক্ষেত্র, বিভিন্ন পেশাদার প্রকল্পের হাইলাইট ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। এ ছাড়া বুয়েট কর্তৃপক্ষ অনেক কর্মদাতা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়িয়েছে অনেক বেশি।

প্রকাশনা ও এইচ ইনডেক্স স্কোর বাড়ানোর পেছনে নিম্নোক্ত বিষয় এবং পদক্ষেপ বা উদ্যোগগুলোকে চিহ্নিত করা যেতে পারে: এ দুটি সূচকই শিক্ষকদের জার্নাল পাবলিকেশনের সঙ্গে সম্পর্কিত। ২০২০ সালে বুয়েটের পাবলিকেশনের সংখ্যা ছিল ৫১৯। ২০২১ সালে পাবলিকেশনের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯৮। অতীতের বিভিন্ন সময়ের গবেষণা বাজেট পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত গেছে। এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বর্তমান প্রশাসনের উদ্যোগ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ফলে গবেষণা খাতের বরাদ্দ ফেরত যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

স্নাতকোত্তর পর্যায়ে এমএসসি এবং পিএইচডি গবেষকদের আকৃষ্ট করার জন্য চালু করা হয়েছে ফেলোশিপ। একজন পিএইচডি ফেলো ৪৫ হাজার টাকা হারে ৩৬ মাসের জন্য এবং একজন মাস্টার্স ফেলো ৩০ হাজার টাকা হারে ১৮ মাসের জন্য বৃত্তি পাবেন। বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও রয়েছে একই ব্যবস্থা। আবেদনকারীদের মধ্য থেকে কারা এই ফেলোশিপ পাবেন, সে জন্য রয়েছে সিন্ডিকেট অনুমোদিত স্বচ্ছ নীতিমালা। সম্প্রতি বুয়েটের নিজস্ব তহবিল থেকে ৪০ জন মাস্টার্স ও ১০ জন পিএইচডি শিক্ষার্থীকে এই ফেলোশিপ দেওয়া হয়েছে। বুয়েটের বিভিন্ন ব্যাচে প্রায় অর্ধকোটি টাকার একটি অনুদানও দিয়েছে।

শিক্ষকদের জার্নাল প্রকাশে উদ্বুদ্ধ করার জন্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষক কিউওয়ান মানের সাময়িকীতে তাঁদের লেখা প্রকাশ করবেন, তাঁরা প্রতিটা জার্নালের জন্য পাবেন ১ লাখ ৫০ হাজার টাকার প্রণোদনা। কর্তৃপক্ষের এই উদ্যোগের ফলে অনেক শিক্ষকই, যাঁরা দীর্ঘদিন গবেষণা থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছিলেন, তাঁরাও আবার গবেষণায় মনোনিবেশ করেছেন।

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং চিরস্থায়ী কিছু নয়। এটি অর্জন করা যেমন কঠিন, এটি ধরে রাখা তার চেয়েও অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। আমাদের মনে রাখতে হবে বর্তমান স্কোর ও অবস্থান আপেক্ষিক। বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও বসে নেই, থাকবে না। তাই আত্মপ্রসাদের ঢেকুর তুলে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ নেই।

এ ছাড়া সম্মানিত শিক্ষকদের অধীনে গবেষণারত শিক্ষার্থীদের দেশের ভেতরে বা বাইরে বিভিন্ন কনফারেন্সে যোগ দেওয়ার জন্য অথবা গবেষণা–সংক্রান্ত তাৎক্ষণিক যেকোনো ব্যয়ের জন্য প্রবর্তন করা হয়েছে বেসিক রিসার্চ ফান্ড। এর আওতায় একজন অধ্যাপক সর্বোচ্চ তিন লাখ, একজন সহযোগী অধ্যাপক সর্বোচ্চ দুই লাখ এবং একজন সহকারী অধ্যাপক সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা পর্যন্ত পেতে পারেন।

ফেলোশিপের বাইরে অন্য মেধাবী গবেষকদের জন্য চালু করা হয়েছে টিচিং অ্যাসিস্ট্যান্টশিপ (টিএ)। সবকটি বিভাগ মিলে মোট ১৩২টি টিএ দেওয়া হয়েছে। এই টিএদের বেতন হবে গ্রেড ৯–এর মূল বেতনের সমান, অর্থাৎ প্রায় ২২ হাজার টাকা। এর ফলে গবেষকদের অন ক্যাম্পাস জবের পাশাপাশি নিজের গবেষণাকাজেও অধিকতর মনোনিবেশ করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। আর নিবিড় গবেষণা মানেই ভালো মানের পাবলিকেশন।

আন্তর্জাতিক গবেষণা নেটওয়ার্ক (আইআরএন) সূচকটি এবারই প্রথম চালু করেছে কিউএস কর্তৃপক্ষ। এই সূচকে বুয়েটের বর্তমান স্কোর ৩৬। এ ছাড়া বুয়েটের কিছু ইনস্টিটিউটের মাধ্যমেও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষণামূলক কাজ চলছে। এসবের প্রতিফলনই দেখা যাচ্ছে এই সূচকের বর্তমান স্কোরে। স্পষ্টতই এই সূচককে সামনে রেখে বুয়েটের আরও কাজ করার সুযোগ রয়েছে।

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাঙ্কিং চিরস্থায়ী কিছু নয়। এটি অর্জন করা যেমন কঠিন, এটি ধরে রাখা তার চেয়েও অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং। আমাদের মনে রাখতে হবে বর্তমান স্কোর ও অবস্থান আপেক্ষিক। বিশ্বের অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ও বসে নেই, থাকবে না। তাই আত্মপ্রসাদের ঢেকুর তুলে বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগ নেই। সব সূচকে নিজেদের অবস্থান আরও উন্নত করার জন্য প্রয়োজন নিবেদিত ও সৃজনশীল প্রশাসনের সক্রিয়তা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একনিষ্ঠ আন্তরিকতা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দক্ষ ও পর্যাপ্ত জনবল সৃজনে কালক্ষেপণ না করা, শিক্ষা ও গবেষণা খাতে উদার বাজেট বরাদ্দ প্রদান এবং সর্বোপরি সরকারের সব মন্ত্রণালয়ের চলমান সহযোগিতার ধারাবাহিকতা।

বাংলাদেশ এগিয়ে যাক, বুয়েট এগিয়ে যাক।

অধ্যাপক আবদুল জব্বার খান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সহ–উপাচার্য

কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন