বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এপ্রিলের শুরু থেকে ইসরায়েলি সেনারা আল–আকসা ঘেরাও করছিলেন। ১৫ এপ্রিল (শুক্রবার) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে খবর বের হলো, ১৭০ জনের বেশি মুসল্লি ইসরায়েলি বাহিনীর লাঠিপেটা, কাঁদানে গ্যাসের শেল, রাবার বুলেট ও গুলিতে গুরুতর আহত হন। কয়েক শ মুসল্লিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ওই ঘটনার দুই দিন পর আবার সেখানে ইসরায়েলি পুলিশ হানা দেয়। আবার তারা একইভাবে গুলি করে। এবারের ঘটনায় সেখানে ২০ জন আহত হন। এরপর সর্বশেষ জুমায় দেড় লাখ মুসল্লি সেখানে নামাজ আদায় করতে যান। আবার সেখানে হামলা চালানো হয়।

গত বছর শবে কদরের রাতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছিল ইসরায়েল। এবারও একই অবস্থা তৈরি করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এবারও শবে কদর কিংবা ঈদের দিন ফিলিস্তিনি মুসলমানদের ওপর বড় ধরনের হামলা চালানো হতে পারে।
আসলে ১৯৬৭ সালে পূর্ব জেরুজালেমে ইসরায়েলের দখলদারি অভিযানের পর থেকেই আল–আকসা আক্রান্ত হয়ে আসছে। তখন থেকেই উগ্র ইহুদিবাদীরা এই মসজিদে ঢুকতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে গত এক দশকে তাঁদের অনুপ্রবেশ প্রায় নিয়মিত হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আল-আকসায় নামাজরত মুসল্লিদের ওপর হামলা এত ঘন ঘন ও নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে যে এটি অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। বিশেষ করে, রমজান মাস এলেই এই মসজিদে নামাজরত মুসল্লিদের ওপর নির্বিচার গুলি চালানো একেবারে নিয়মিত ঘটনা হয়ে উঠেছে।

পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো এসব খবর কোন কায়দায় পরিবেশন করবে তা–ও সবার মুখস্থ হয়ে গেছে। মূলধারার সংবাদমাধ্যম এসব খবর এমনভাবে দিয়ে থাকে যাতে মনে হবে এই উত্তেজনার জন্য ফিলিস্তিনিরাই দায়ী। শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হওয়ার তথ্য দেওয়া লাইনটিতেই সুকৌশলে তারা ফিলিস্তিনিদের পাথর ছোড়ার তথ্যজুড়ে দিয়ে সেটিকে ভয়ংকর সন্ত্রাসী তৎপরতা হিসেবে উপস্থাপন করে থাকে।

default-image

মক্কার কাবা শরিফ, মদিনার মসজিদে নববীর পর আল–আকসা মসজিদ মুসলমানদের কাছে সবচেয়ে পবিত্র জায়গা। ইব্রাহিম (আ.), ইসমাঈল (আ.), ইয়াকুব (আ.), ইয়াহিয়া (আ.), দাউদ (আ.), সুলাইমান (আ.), জাকারিয়া (আ.), মুসা (আ.), ঈসা (আ.)-সহ ইসলামের অসংখ্য নবী–রাসুলের স্মৃতিবিজড়িত স্থান এই জেরুজালেম। এই বাইতুল মুকাদ্দাস মুসলমানদের প্রথম কেবলা। ইসলামি ভাষ্যমতে, মিরাজের রাতে মহানবী (সা.) এই মসজিদের চত্বরেই নামাজ আদায় করেছিলেন। মিরাজের আগে মুসলমানেরা কাবার দিকে মুখ করে নয়, বরং এই মসজিদুল আকসার দিকে মুখ করে নামাজ আদায় করতেন।

ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা ওমর (রা.) জেরুজালেম তথা এই আল–আকসা জয় করার পর বিজয়ীদের সঙ্গে যে নমনীয় ব্যবহার করেছিলেন, তা সমগ্র মুসলিম জাতির জন্য এক অনন্য শিক্ষা হয়ে আছে।

আল-আকসা হলো ধ্যান এবং প্রতিফলনের স্থান। এই কারণেই ইমাম গাজ্জালী, রাবেয়া বসরী, শায়খ ইব্রাহিম ইবনে আদহাম এবং অন্য অনেক সুফি–পণ্ডিত তাঁদের জীবনের কিছু সময় এখানে বসবাস করেছিলেন।

এসব কারণে আল-আকসায় ইসরায়েলি হামলাকে শুধু ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আগ্রাসন হিসেবে দেখলে হবে না। আল-আকসার অসম্মান বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের জন্য অপমান। আর প্রতিবছর নিয়ম করে সেখানে রোজার মাসে মুসলমানদের ওপর ইসরায়েলের বাহিনীর এই আক্রমণ মূলত সমগ্র মুসলমানদের ওপর উগ্র ইহুদিবাদীদের নির্লজ্জ আগ্রাসন।

মিডল ইস্ট আই নামের মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক নিউজ ওয়েবসাইটে গত ১৩ মার্চ আদনান আবু আমের নামের একজনের একটি কলাম ছাপা হয়েছে। সেখানে আমের বলেন, ইসরায়েল মূলত শবে মেরাজ ও রমজান মাসকে লক্ষ্য করে আল–আকসা মসজিদে তাণ্ডব চালানোর নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে। এ ছাড়া নাকবা দিবস, দেইর ইয়াসিন গণহত্যা দিবস এবং ঈদের দিন হামলা চালানোর বিষয়েও ইসরায়েল বেশি আগ্রহ দেখাচ্ছে।

default-image

আবু আমের আরও বলেন, ইসরায়েল মূলত জেরুজালেম থেকে ধাপে ধাপে সমস্ত মুসলমানকে উচ্ছেদ করে সেখানে পূর্ণাঙ্গ ইহুদি বসতি স্থাপন করতে চায়।
২০১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর ডোনাল্ড ট্রাম্প মার্কিন দূতাবাস তেলআবিব থেকে জেরুজালেমে সরিয়ে নেওয়ার পর আল–আকসার ওপর মুসলমানদের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কি না, তা নিয়ে মুসলমানদের মনে সংশয় দেখা দেয়। জেরুজালেম, পশ্চিম তীর ও গাজার বাসিন্দারা ‘আল–ফজর’ নামের একটি ক্যাম্পেইন শুরু করেছিল।

ওই ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে স্থানীয় মসজিদগুলোতে ফজরের নামাজে বেশি বেশি হাজির হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছিল। এ ছাড়া আল–আকসা মসজিদে প্রতি জুমায় সবাইকে নামাজ আদায়ের জন্য ডাক দেওয়া হয়েছিল। এতে ইসরায়েল আরও ক্ষেপে যায়। এরপর তারা আল–আকসায় সেনা মোতায়েন করে। আর ওই বছরের রমজান মাসে ইসরায়েলি বাহিনী আল–আকসায় তল্লাশির নামে নির্বিচার গুলি চালায়।

৫ এপ্রিল মিডল ইস্ট মনিটরে প্রকাশিত ‘হোয়াই ডিড ফার-রাইট ইসরায়েলি এমপি স্টর্ম ইন টু আল-আকসা মস্ক?’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের পার্লামেন্টের কট্টর ইহুদিবাদী এমপি ইতামার বেন জিভর এ মাসের শুরুতে অনেক নিরাপত্তাপ্রহরী পরিবেষ্টিত হয়ে আল–আকসা মসজিদ চত্বরে ঢুকেছিলেন।

দখল করা পূর্ব জেরুজালেমে ইহুদিদের বসতিকে প্রশ্নাতীত করতে ইসরায়েল আল–আকসাকে ইহুদিদের উপাসনালয় বানানোর যে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে, ওই এমপির অনুপ্রবেশকে তার অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। লক্ষণীয়ভাবে আল–আকসায় গত কয়েক বছরে ইসরায়েলের আগ্রাসী তৎপরতা বাড়তে দেখা যাচ্ছে। সেখানে জুডাইজমকে চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

ইসরায়েলি ও পশ্চিমাদের পক্ষ থেকে আল–আকসা মসজিদকে মুসলমান ও ইহুদিদের মধ্যে দুই ভাগ করে দেওয়ার ধুয়া তোলা হচ্ছে। এই বিতর্ক জোরেশোরে তোলা হচ্ছে যাতে আল–আকসা মসজিদের একাংশে ইহুদিরা দখল করে সেখানে তালমুদিক উপাসনা করার ন্যায্যতা পেতে পারে। এর আগে ঠিক একই কায়দায় আল–খলিল শহরে (হিব্রুভাষীরা শহরটিকে বলে ‘হেবরন’) এর আগে ইসরায়েল ইব্রাহিমী মসজিদ দখল করে নিয়েছে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এটি সুবিদিত যে ইসরায়েলের উগ্রপন্থী নেতারা ও ইহুদি বসতি স্থাপনকারীরা মসজিদুল আকসার চত্বরের হারাম আশ শরিফ (টেম্পল অব মাউন্ট) ধ্বংস করে সেখানে তাদের উপাসনালয় বানাতে চান।

আল–আকসা মসজিদ ভাগ করার এই দাবি নতুন নয়। ১৯৬৭ সালের ইসরায়েল পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেওয়ার (এই দখলদারী এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অবৈধ বলে সাব্যস্ত হয়ে আছে) পর থেকে ইসরায়েল সেখানে ইহুদিদের উপাসনা করার দাবি তুলে আসছে।

ইসরায়েল সরকার অনেক আগেই আইন করেছে, আল–আকসা চত্বরে ইহুদিরা যেতে পারবেন, কিন্তু কোনো অবস্থায় সেখানে তাঁদের ধর্মীয় প্রার্থনা করতে পারবেন না। কিন্তু এক দশক ধরে কট্টর ইহুদিবাদীরা নতুন দাবি তুলে বলছেন, হারাম আশ শরিফের স্থলে প্রাচীনকালে তাঁদের উপাসনালয় ছিল। এ কারণে সেখানে তাঁরা তাঁদের উপাসনালয় চান।

যাঁরা এ দাবি তুলেছেন, তাঁদের মধ্যে দখলদার রাষ্ট্রের রাজনৈতিক, সামরিক, ধর্মীয়, এমনকি মানবাধিকার নেতারা রয়েছেন। ইসরায়েলে নির্বাচনী প্রচারণার সময় তাঁরা এ নিয়ে বেশি তৎপর হন যাতে ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনকারী ইহুদিদের ভোট পাওয়া সহজ হয়।

১৯৭১ সালের ১১ জুলাই বেতার মুভমেন্ট নামের একটি সংগঠনের ১২ জন ইহুদি তরুণ প্রথম আল–আকসা মসজিদে ঢুকে উপাসনা করার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু ইসরায়েলের নিরাপত্তাকর্মীদের বাধায় তাঁরা তা করতে পারেননি। এর ১১ দিন পর একই সংগঠনের আরেকটি গ্রুপ সেখানে ঢুকে প্রার্থনা করে বেরিয়ে আসে।

আল–আকসার হারাম আশ শরিফে সবচেয়ে ভয়ংকর ইহুদি অনুপ্রবেশ ঘটে ২০০০ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর। ওই দিন তৎকালীন লিকুদ পার্টির নেতা অ্যারিয়েল শ্যারন হাজারখানেক অনুসারী ও বহু ইসরায়েলি সেনাকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে ঢোকেন এবং প্রার্থনা করে বের হন। তাঁর এই উসকানিমূলক প্রার্থনা আল–আকসা ইন্তিফাদার (আল–আকসা জাগরণ) স্ফুলিঙ্গ ছড়িয়ে দেয় এবং এর ধারাবাহিকতায় কয়েক হাজার ফিলিস্তিনিকে ইসরায়েলের সেনারা হত্যা করেন।

২০০৯ সালে রেকর্ডসংখ্যক ইসরায়েলি নাগরিক আল–আকসায় অনুপ্রবেশ করেন। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে ‘এক্সপ্লোসিভ এক্সপার্ট’ নামের একটি ইসরায়েলি পুলিশ ইউনিটের সদস্যরা কুব্বাতুস সাখরার মধ্যে ঢুকে পড়েন। ওই মাসে মুসল্লিদের ওপর ইসরায়েলি সেনারা হামলা চালান। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যা চলছে, তা আগের সেই অনুপ্রবেশগুলোর ধারাবাহিকতামাত্র।

কানাডার ক্যালগারির মাউন্ট রয়্যাল ইউনিভার্সিটির সমাজবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক মার্ক মুহান্নাদ আয়াশ আল–জাজিরায় প্রকাশিত তাঁর একটি কলামে বলেন, ইসরায়েলি সহিংসতার প্রধান লক্ষ্য ঐতিহাসিক ফিলিস্তিনের সমগ্র ভূমিতে সর্বোচ্চ আগ্রাসন নিশ্চিত করা; কারণ, ইসরায়েলের জন্য এখনো এই ভূমি নিশ্চিতভাবে সুরক্ষিত হয়নি। ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ এখনো তার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা বা স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য এই ধরনের সহিংসতা চালানোর কথা নয়। কিন্তু তারা পরিকল্পিতভাবে এটি করে থাকে। মূলত তারা ফিলিস্তিন এবং ফিলিস্তিনিদের ওপর সর্বোচ্চ ইসরায়েলি খবরদারী জাহির করার জন্য এটি করে থাকে। ইসরায়েল সহিংসতার মধ্য দিয়ে যে বার্তাটি দিয়ে থাকে তা হলো, ফিলিস্তিনিদের জীবন ও মৃত্যুর বিষয়ে ইসরায়েলের রায়ই চূড়ান্ত; এসবের জন্য ইসরায়েলিদের জন্য কোনো গুরুতর পরিণতি বরণ করতে হবে না এবং ইসরায়েল হঠকারিতার মধ্য দিয়েও যদি কোনো সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলে, তা উল্টে দেওয়ার বা তা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার কোনো বাস্তব উপায় ফিলিস্তিনিদের সামনে খোলা নেই।

গত বছরের ১০ মে থেকে ২১ মে পর্যন্ত ইসরায়েলের হামলায় ৬৬ জন শিশুসহ ২৫৬ জন ফিলিস্তিনি নিহত হন। ৬০০ শিশু ও ৪০০ নারীসহ ২ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি আহত হয়েছিলেন। সে হামলায় অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি ছিল গুরুতর। সে সময় ২০০০ ভবন ধ্বংস হয়েছিল। আট লাখ মানুষ পানি সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল।

খেয়াল করলে বোঝা যাবে, এই সহিংসতাগুলো স্পষ্টতই অসামঞ্জস্যপূর্ণ এবং ঘোষিত লক্ষ্য ‘ইসরায়েলের নিরাপত্তা’র জন্য প্রয়োজনীয়ও নয়। মূলত ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলি ইহুদিবাদের সম্পূর্ণ সার্বভৌম ক্ষমতা যে অটুট আছে তা জানান দিতেই তারা এই অসম হামলা চালিয়েছিল।

এ নিয়ে আরব দেশগুলো রহস্যময় প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে। সপ্তাহখানেক ধরপাকড়ের পর নিতান্ত দায়ে ঠেকে আরব লিগ দুই দিন আগে একটি বিবৃতি দিয়েছে। সেখানে তারা ইসরায়েলকে আল–আকসা মসজিদে ইহুদিদের উপাসনা করতে না দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার জর্ডানের রাজধানী আম্মানে আরব লীগের সদস্যদেশ তিউনিসিয়া, আলজেরিয়া, সৌদি আরব, কাতার, মিসর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মরক্কো ও ফিলিস্তিনের প্রতিনিধিরা জরুরি বৈঠক করেন। সেখানে তাঁরা বলেন, গোটা চত্বর নিয়েই বায়তুল মুকাদ্দাস। এর পুরোটাই মুসলমানদের উপাসনাস্থল।

কিন্তু এই সদস্যদেশগুলোর মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং মরক্কো আরব লিগের শর্ত ভেঙে এবং ফিলিস্তিনের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দিয়েছে। আরব লিগের সদস্যদের মধ্যে চুক্তি ছিল ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্রের স্বীকৃতি না দেওয়া পর্যন্ত আরব লিগের সদস্যরা ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেবে না। সেই প্রতিশ্রুতি ভেঙে ইসরায়েলের সঙ্গে নিয়মিত মৈত্রীর বৈঠক করছে যারা আল–আকসার নিরাপত্তায় তারা কতটুকু ভূমিকা রাখতে পারবে, তা নিয়ে সন্দেহ আছে।

সারফুদ্দিন আহমেদ প্রথম আলোর সহকারী সম্পাদক

ই-মেইল: [email protected]

কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন