২০২১ সালে কি অর্থনীতির পুনরুদ্ধার সম্ভব?

২০২০ সাল উন্নত, স্বল্পোন্নত ও অনুন্নত প্রতিটি স্তরের অর্থনীতির জন্য ছিল অত্যন্ত খারাপ সময়। এ বছরে করোনাভাইরাস মহামারি একটি গতিশীল অর্থনৈতিক বিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপসহ উন্নত বিশ্ব নাগরিকদের বিভিন্নভাবে আর্থিক ও অনার্থিক সহযোগিতার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক চাহিদা ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। কোভিড-১৯ মহামারির কারণে যাঁরা চাকরি হারিয়েছেন, তাঁদের মাসিক আর্থিক সাহায্য দিয়েছে। আবার যাঁদের ‘কর্মসংস্থান বিমা’ ছিল, তাঁরা বিমা থেকে মাসিক একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থও পেয়েছেন। অন্যদিকে সরকার ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলোকে বিশেষ প্রণোদনার মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক জোগানকে স্বাভাবিক পর্যায়ে ধরে রাখার চেষ্টা করেছে। উন্নত বিশ্বের সরকারগুলো ছোট ও মাঝারি ব্যবসাগুলোর কর্মচারীদের শতকরা ৮০ ভাগ পর্যন্ত বেতন দিয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলো সুদের হার সর্বনিম্ন পর্যায়ে নিয়ে এসেছে, যাতে বিনিয়োগ কমে না যায়।

উন্নয়নশীল দেশগুলো এই মহামারিতে দেশের সামগ্রিক চাহিদা ধরে রাখার জন্য সামর্থ্য অনুযায়ী চেষ্টা করেছে। ভারত করোনাভাইরাসের লকডাউন দ্বারা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তার জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে ২২ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার দৈনিক মজুরি উপার্জনকারী, ছোট ব্যবসার মালিক এবং স্বল্প আয়ের পরিবারকে দিয়েছে, পরবর্তী সময়ে যা আরও অনেক বাড়িয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সুদের হার কমিয়ে, ঋণ পরিশোধের মেয়াদ বাড়িয়ে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য লেনদেনে বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহারে বিধিনিষেধ শিথিল করে দেশীয় শিল্পকে সহযোগিতাদানের চেষ্টা করেছে। অন্যদিকে বাংলাদেশ সরকার ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) এবং ভালনারেবল গ্রুপ ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) ছয় মাসের জন্য সম্প্রসারণ করে, কম দামে খোলাবাজার চালের বিক্রয় এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য কিছু মাত্রায় সহযোগিতা দিয়েছে। দুই পর্যায়ে নয় বিলিয়ন ডলারের জরুরি প্রণোদনা প্যাকেজের মাধ্যমে রপ্তানিমুখী শিল্প, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে সহযোগিতা করেছে। বলা বাহুল্য, বণ্টনব্যবস্থার অদক্ষতার কথা বিবেচনায় না আনলে এই সাহায্য প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল ছিল।

বিজ্ঞাপন

গত দশকে বাংলাদেশে যেখানে গড়ে প্রতিবছর শতকরা প্রায় ৭ ভাগ প্রবৃদ্ধি হয়েছে, সেখানে ২০২০ সালে বাংলাদেশে প্রবৃদ্ধি প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। এখন প্রশ্ন হলো, ২০২১ সালে কি আমরা আমাদের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে পারব? অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য আমাদের কী কী প্রস্তুতি নিতে হবে? টেকসই উন্নয়নের জন্য আমাদের কী পরিকল্পনা থাকা দরকার? এ প্রসঙ্গে নিচে কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরা হলো।

করোনার টিকা আবিষ্কার ২০২১ সালের জন্য ইতিবাচক হলেও ২০২১ সালের মধ্যে এমনকি উন্নত বিশ্বও করোনামুক্ত হওয়ার কথা নয়। এই টিকা ইতিমধ্যে উন্নত দেশগুলো ব্যবহার করা শুরু করে দিলেও বাংলাদেশ এখনো শুরুই করতে পারেনি। ধারণা করা হচ্ছে, উন্নত দেশগুলোর নাগরিকদের কাছে এই টিকা পৌঁছাতে ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পার হয়ে যাবে। বাংলাদেশের জন্য এর সহজলভ্যতা, সংরক্ষণ ও প্রায়োগিক দক্ষতা অর্জন এবং দেশের সর্বত্র পৌঁছানো আরও অনেক বেশি সময়সাপেক্ষ। এ কারণে বাংলাদেশকে ২০২১ সালে, এমনকি ২০২২ সালেও কোভিড-১৯–এর মধ্যেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের কাজ করতে হবে।

এ মুহূর্তে অর্থনীতির কাঠামোগত রূপান্তরে ধীর অগ্রগতি, রপ্তানি শিল্পে নতুনত্বের অভাব, করোনা মহামারিতে সৃষ্ট আন্তর্জাতিক ও দেশীয় শ্রমবাজারে মন্দা, উচ্চ বেকারত্ব, কর্মসংস্থানে ধীরগতি, অবকাঠামোর দুর্বল অবস্থান, দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা এবং ক্রমবর্ধমান আয়বৈষম্য বাংলাদেশের জন্য গুরুতর চ্যালেঞ্জ। কোভিড-১৯ এই চ্যালেঞ্জকে আরও অনেক গুণ বাড়িয়ে তুলেছে। সরকারকে মূলত উপরিউক্ত বিষয়গুলোর প্রতি মনোনিবেশ করতে হবে। একবিংশ শতকের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নিম্নোক্ত বিষয়ে মনোযোগী হওয়া বাংলাদেশ অর্থনীতির জন্য অপরিহার্য

তথ্যপ্রযুক্তিগত উন্নয়ন: এই একবিংশ শতাব্দীতে ও বাংলাদেশের জনশক্তির একটা বিশাল অংশের প্রান্তিক উৎপাদন শূন্যের কোঠায়। বিশ্বের এই চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রাক্কালে দেশের অবকাঠামোগত পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তিগত কাঠামো পরিবর্তন অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যপ্রযুক্তিগত উন্নয়ন এই প্রান্তিক জনশক্তিকে প্রচলিত শ্রমবাজারে প্রবেশের সুযোগ করে দেবে।

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ‘নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেক্স’ (ডিজিটাল রূপান্তর) অনুসারে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ১০৫তম। ২০৩০ সালের মধ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জন করতে বাংলাদেশকে আরও দ্রুত তথ্যপ্রযুক্তিগত উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। জেলা, উপজেলা, এমনকি প্রত্যন্ত অঞ্চলেও তথ্যপ্রযুক্তিগত সংযোগ পৌঁছাতে হবে। এটি যেমন দেশে কর্মসংস্থান বাড়াবে, তেমনি দারিদ্র্য ও বৈষম্য কমাবে।

চিকিৎসা খাত: চিকিৎসা খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশে প্রস্তুত অনেক ওষুধ বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। কিন্তু স্থানীয় চিকিৎসা এবং দুর্বল রোগ নির্ণয়ের (ডায়াগনোসিস) প্রতি আস্থার অভাবে প্রতিবছর প্রায় সাত লাখ লোক চিকিৎসার জন্য বিদেশে যায় এবং ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার খরচ করে। এতে প্রতিবেশী দেশগুলোর (ভারত, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড ও মালয়েশিয়ার) জন্য বাংলাদেশ স্বাস্থ্য পর্যটন বাজারে পরিণত হয়েছে।

বাংলাদেশি শ্রমিকদের কঠোর পরিশ্রমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে চলে যাচ্ছে, যা আমরা সহজেই দেশীয় অর্থনীতিতে কাজে লাগাতে পারি। চিকিৎসা খাতে উন্নয়নের মাধ্যমে দেশের এই অর্থ দেশীয় জিডিপিতে ভূমিকা রাখতে পারে। এই বিশ্বায়নের যুগে বাংলাদেশের চিকিৎসক আর প্রতিবেশী দেশগুলোর চিকিৎসকদের মধ্যে মানগত তেমন কোনো পার্থক্য থাকার কথা নয়। মূল পার্থক্য সেবাদানে। সরকারের কঠোর নিয়ম আর এর বাস্তবায়নই চিকিৎসাসেবায় ব্যাপক উন্নয়ন সম্ভব। দেশে বিশ্বমানের চিকিৎসক তৈরি করার জন্য বিদেশি গবেষণা সংস্থাগুলোর সঙ্গে পার্টনারশিপ এবং স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা গবেষণায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে।

শিক্ষা খাত: ইউনেসকোর তথ্যমতে, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর প্রায় ৯০ হাজার শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশে যান। এই শিক্ষার্থীদের জনপ্রিয় গন্তব্যগুলোর মধ্যে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, যুক্তরাজ্য এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশ, ভারত, চীন, মালয়েশিয়া, জাপান ও নিউজিল্যান্ড।
এর সুখকর দিক হলো এতে বিশ্বে অনেক বাংলাদেশি স্কলার তৈরি হচ্ছে, যাঁরা বাংলাদেশসহ সারা বিশ্ব নিয়ে গবেষণা করছেন। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে এই স্কলাররা বাংলাদেশের উন্নয়ন-পলিসি তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারেন।

শিক্ষার গুণগত মানে বাংলাদেশের সঙ্গে উন্নত বিশ্বের এক বিশাল ব্যবধান লক্ষণীয়। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের কোনো বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্ব র‌্যাঙ্কিং তো দূরের কথা, এশিয়ান র‌্যাঙ্কিংয়েও কোনো স্থান পাচ্ছে না। একসময় অনেক বিদেশি ছাত্রছাত্রী উচ্চশিক্ষা লাভের উদ্দেশ্যে প্রাচ্যের অক্সফোর্ডখ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতেন। আজ সেটি প্রায় বন্ধ। ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ড কমিশন বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা-বিশ্ববিদ্যালয় ঘোষণা করে গবেষণার জন্য একটা নীতিমালা নির্ধারণ করে দিতে পারে। আর সরকার এই বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় পর্যাপ্ত পরিমাণে গবেষণা বরাদ্দ দিলে বাংলাদেশের শিক্ষার মান অনেক উন্নত হবে। সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষায় বিদেশি শিক্ষার্থীদেরও আকৃষ্ট করতে পারবে। বিদেশি শিক্ষার্থীদের আকৃষ্ট করতে বাংলাদেশকে অবশ্যই শিক্ষক ও ছাত্ররাজনীতি বন্ধ করতে হবে।

দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল কাজে লাগাতে হলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।
বিজ্ঞাপন

গ্রিন এনার্জিতে বিনিয়োগ: নাসা বলছে, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের পানির স্তর বাড়ছে, তাপপ্রবাহ দীর্ঘতর ও তীব্রতর হচ্ছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ২১০০ সাল নাগাদ সমুদ্রের স্তর আট ফুট পর্যন্ত বাড়তে পারে। তা ছাড়া এর কারণে ক্রমবর্ধমান ভারী বৃষ্টিপাত, ঘনঘন ও তীব্র মাত্রার সাইক্লোন এবং হারিকেনের পরিমাণ বাড়বে। বিল গেটসের মতে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব করোনাভাইরাসের চেয়ে অনেক ভয়াবহ হবে। জলবায়ু পরিবর্তন মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের কারণে হচ্ছে। আর এই গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের মূল উৎস হলো ফসিল ফুয়েল। অপরিশোধিত তেল বা পেট্রোলিয়াম, কয়লা, প্রাকৃতিক গ্যাস হলো ফসিল ফুয়েলের মূল উৎস।

১৯৬টি দেশ স্বাক্ষরিত প্যারিস অ্যাগ্রিমেন্ট ২০১৬তে বিশ্ব তাপমাত্রা বৃদ্ধিকে ১ দশমিক ৫ শতাংশের ওপরে যেতে না দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যদি বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ২ শতাংশে রাখতে হয়, তবে বিশ্বের এক-তৃতীয়াংশ তেল, অর্ধেক গ্যাস এবং পাঁচ ভাগের চার ভাগ কয়লার মজুত মাটির নিচেই থেকে যাবে। তাই সারা বিশ্ব এখন সাশ্রয়ী ও স্বচ্ছ জ্বালানি শক্তির উৎস ও উৎপাদনের দিকে ঝুঁকছে। ক্রমবর্ধমান হরে গ্রিন এনার্জিতে বিনিয়োগ করছে। ইন্টারন্যাশনাল রিনিউয়েবল এনার্জি এজেন্সির (আইআরইএনএ) ২০২০ সালের তথ্যানুসারে, চীন বর্তমানে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি (মোট উৎপাদনের ৩০ ভাগ) নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তি উৎপাদন করছে। এরপরই আমেরিকার অবস্থান (মোট উৎপাদনের ১০ ভাগ)। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শাসনামলে স্বচ্ছ জ্বালানিশক্তিতে তেমন উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগ বাড়েনি। কিন্তু আমেরিকার নতুন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন দ্রুত নবায়নযোগ্য

জ্বালানিশক্তির প্রবৃদ্ধির অঙ্গীকার করেছেন। তিনি প্যারিস চুক্তির সঙ্গে সম্পর্ক রেখে ২০৫০ সালের মধ্যে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ নেট শূন্যের কোঠায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন। এতে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানি খাতে যে বিশাল আকারে বিনিয়োগ হবে, তাতে ছয় মিলিয়নের মতো নতুন চাকরির বাজার তৈরি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ভারত বিশ্বের ৫ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদন করে। পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা ও মিয়ানমার বাংলাদেশের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছ জ্বালানি উৎপাদন করে। বাংলাদেশের এখনই সময় জলবিদ্যুৎ, সৌরশক্তিসহ অন্যান্য পরিবেশবান্ধব জ্বালানিতে বিশেষ বিনিয়োগ করা।

এসডিজির অন্যতম একটি লক্ষ্য হলো শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী রাজনৈতিক–অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান গঠন। এই গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যমাত্রা থেকে বাংলাদেশ অনেকটা পিছিয়ে আছে। সর্বোপরি, দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সুফল কাজে লাগাতে হলে দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ, আইনের শাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বাধীনতাকে অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

ড. নুসরাতে আজীজ: সহযোগী অধ্যাপক, আলগমা ইউনিভার্সিটি, কানাডা

কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন