অস্ট্রেলিয়া কেন ১৬ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধ করল?

মুঠোফোন আসক্তি, মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব ফেলে

২০২৫ সালের ১০ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়ায় একটি নতুন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম আইন কার্যকর হয়। এই আইন অনুযায়ী, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট খোলা বা সচল রাখার সর্বনিম্ন বয়স ১৬ বছর। বিশ্বজুড়ে এটিই প্রথম এ ধরনের উদ্যোগ।

এ আইনে বড় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলোর জন্য শুধু জন্মতারিখ চাওয়া যথেষ্ট নয়; বয়স যাচাই ও আইন প্রয়োগের আইনি দায়িত্ব এখন সরাসরি তাদের ওপর।

ছয় মাস পর বিশ্ব এখন গভীর আগ্রহে এটি পর্যবেক্ষণ করছে। এ নিষেধাজ্ঞা কি আসলেই কাজ করছে?

কিছু সমালোচক ও গণমাধ্যম এখনই এ নীতিকে ব্যর্থ বলে ঘোষণা করেছে। তারা প্রাথমিক কিছু জরিপ দেখাচ্ছে। সেখানে দেখা গেছে, ১৬ বছরের কম বয়সীদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কিছুটা কমলেও বেশির ভাগ শিশু এখনো এটি ব্যবহার করছে। তাদের দাবি, বয়সসীমা কখনো কাজ করবে না। এটি প্ল্যাটফর্মের ক্ষতিকর ডিজাইনের আসল সমস্যাটি সমাধান করতে পারছে না। তাই অন্য দেশগুলোর এ আইন অনুসরণ করা উচিত হবে না।

কিন্তু প্রকৃত সত্যটি বেশ আশাব্যঞ্জক। এখানে বেশ কিছু ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যা অন্য দেশগুলো অনুসরণ করতে পারে। এতে অস্ট্রেলিয়ার এই অগ্রগামী নীতির গুরুত্ব স্পষ্ট হয়।

শুরুটা বেশ সহজভাবেই হয়েছিল। প্রধান ১০টি প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের বয়স যাচাই এবং ১৬ বছরের কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলার পদক্ষেপ নেয়। এখন অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কমেছে। ইন্দোনেশিয়া, কানাডা, মালয়েশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফ্রান্স, স্পেন, যুক্তরাজ্যসহ এক ডজনের বেশি দেশ এ ধরনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।

শিশুরা কোনো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারছে কি না, শুধু তা পরিমাপ করলে এ আইনের আসল প্রভাব বোঝা যাবে না।
প্রতীকী ছবি

সাফল্যের প্রাথমিক লক্ষণ

গত ডিসেম্বরে আইনটি কার্যকর হওয়ার পর ফেসবুক, কিক, রেডিট, থ্রেডস, টিকটক, টুইচ, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাট, এক্স ও ইউটিউব—এ ১০ প্ল্যাটফর্ম ১৬ বছরের কম বয়সী শিশুদের ৪৭ লাখ অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলে। এগুলো ছিল আনুমানিক ২৫ লাখ অস্ট্রেলীয় শিশুর অ্যাকাউন্ট, যাদের বয়স ৮ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে।

অবশ্য এর মানে এই নয় যে শিশুরা পুরোপুরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার বন্ধ করে দিয়েছে। অনেকের হয়তো একাধিক অ্যাকাউন্ট ছিল। তবে এটি প্রমাণ করে যে আইনটি দ্রুত কাজ শুরু করেছে এবং প্ল্যাটফর্মগুলোকে বড় পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করেছে।

এ আইন শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কনটেন্ট দেখার সুযোগ পুরোপুরি বন্ধ করে না। কারণ, আইনটি সেভাবে তৈরিও করা হয়নি। অ্যাকাউন্ট তৈরি এবং তথ্য শেয়ার করার মাধ্যমেই শিশুরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়; যেমন শেষ রাতের নোটিফিকেশন আসা, অপরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগ, নিজের ছবি পোস্ট করা, ‘লাইক’ গোনা এবং আসক্তি তৈরি করার মতো অ্যালগরিদম। তাই শিশুরা কোনো প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করতে পারছে কি না, শুধু তা পরিমাপ করলে এ আইনের আসল প্রভাব বোঝা যাবে না।

অস্ট্রেলিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া আইন ব্যর্থ হয়নি। এটি পুরো পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। লাখ লাখ শিশু এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কম ব্যবহার করছে। তারা মাঠের খেলায় ফিরছে। অভিভাবকেরা স্বস্তি পাচ্ছেন। প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে এবং কোম্পানিগুলো সুরক্ষায় মনোযোগ দিচ্ছে।

আমরা ইউটিউবের উদাহরণ দেখতে পারি। অনেকেই অ্যাকাউন্ট ছাড়াই ইউটিউব দেখেন। আইন কার্যকর হওয়ার পর অনেক ইউটিউব অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয়েছে, তবে অ্যাকাউন্ট ছাড়া ব্যবহার করায় এর সামগ্রিক ব্যবহারে তেমন প্রভাব পড়েনি। অন্যদিকে স্ন্যাপচ্যাট দেখতে অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হয়। প্যারেন্টাল কন্ট্রোল কোম্পানি কুস্টোডিওর তথ্যমতে, আইন কার্যকরের পর ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সীদের স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে। কিন্তু ইউটিউব ব্যবহার কমেছে মাত্র ৩ শতাংশ।

অস্ট্রেলিয়ার ক্ষেত্রে দুটি বিষয়ই সত্য। শিশুদের অ্যাকাউন্ট থাকার হার অনেক কমেছে, আবার লগইন না করেই অনেকে কনটেন্ট দেখছে।

এ আইনের কার্যকারিতা বোঝার আরেকটি উপায় হলো অভিভাবকদের মতামত। আইন কার্যকরের এক মাস পর ইউগভের এক জরিপে ৬০ শতাংশ অস্ট্রেলীয় এ নিষেধাজ্ঞাকে কার্যকর বলেছেন। ১৬ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের ৬১ শতাংশ অভিভাবক তাঁদের সন্তানদের মধ্যে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখেছেন। এর মধ্যে রয়েছে সরাসরি সামাজিক যোগাযোগ বৃদ্ধি (৪৩%), শিশুদের বেশি মনোযোগী ও সক্রিয় থাকা (৩৮%) এবং সন্তানের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতি (৩৮%)। বিশ্বজুড়ে অভিভাবকেরা এ নীতিকে ব্যাপকভাবে সমর্থন করছেন।

আরও পড়ুন

প্রয়োগ ও বাস্তবায়নে উন্নতি

শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার কিছুটা কমেছে। এই হ্রাসের গতি নিয়ে অনেকের অসন্তোষ থাকতে পারে। তবে এটি আইনের মূল উদ্দেশ্যকে ভুল বোঝা। আসলে অস্ট্রেলিয়ার এ সুরক্ষাব্যবস্থা সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও উন্নত হওয়ার জন্য তৈরি।

প্রথমত, কোম্পানিগুলো তাদের ব্যবস্থা উন্নত করতে বাধ্য হবে। অস্ট্রেলিয়ার ই-সেফটি কমিশনার একে দীর্ঘমেয়াদি সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের শুরু বলেছেন। যে কোম্পানিগুলো নিয়ম মানেনি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রমাণ সংগ্রহ করছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এ ছাড়া নিয়ম অমান্য করলে জরিমানার পরিমাণ দ্বিগুণ করা হয়েছে।

দ্বিতীয়ত, আগামী কয়েক বছরে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি বদলে যাবে। ‘১৬ বছরের আগে কোনো অ্যাকাউন্ট নয়’—এটিই স্বাভাবিক নিয়মে পরিণত হবে। তখন শিশুরা দলছুট হওয়ার ভয়ে ভুগবে না। দীর্ঘ মেয়াদে এ আইনের সাফল্য আজকের ১৫ বছর বয়সীদের দিয়ে বিচার করা হবে না। এটি বিচার করা হবে বর্তমানের ১০ বছর বা তার কম বয়সী শিশুদের জীবনযাত্রার পরিবর্তন দেখে।

আগে শিশুরা ১২ বছর বয়সের মধ্যেই একাধিক অ্যাকাউন্ট খুলে ফেলত। কিন্তু এখন আইন থাকার কারণে অভিভাবকেরা দৃঢ় অবস্থান নিতে পারছেন। স্কুলগুলো তথ্য শেয়ার করার জন্য আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করবে না। ফলে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে থাকাটাই নিয়ম হয়ে দাঁড়াবে। এই সামাজিক পরিবর্তনে সময় লাগবে, তবে এটিই স্থায়ী সমাধান।

অস্ট্রেলিয়ায় শিশুদের অ্যাকাউন্ট থাকার হার অনেক কমেছে, আবার লগইন না করেই অনেকে কনটেন্ট দেখছে।
ফাইল ছবি

সুরক্ষায় অগ্রগতি

এরপর আসে গোপনীয়তার প্রশ্ন। বয়স যাচাই করতে গিয়ে কি সবাই সংবেদনশীল পরিচয়পত্র জমা দিতে বাধ্য হবে? এটি একটি যৌক্তিক উদ্বেগ।

ভালো খবর হলো, গোপনীয়তা রক্ষা করে বয়স যাচাইয়ের প্রযুক্তি ইতিমধ্যে রয়েছে। প্রথম পদ্ধতি হলো বায়োমেট্রিক বয়স অনুমান। যেমন ইনস্টাগ্রামে ভিডিও সেলফির মাধ্যমে বয়স যাচাই করা যায়। তৃতীয় পক্ষের প্রতিষ্ঠান ‘ইয়োতি’ এটি বিশ্লেষণ করে। তারা শুধু ব্যবহারকারী ১৬ বছরের বেশি কি না, তা ইনস্টাগ্রামকে জানায়। এরপর উভয় কোম্পানি সেই ফেশিয়াল ডেটা মুছে ফেলে।

দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো তৃতীয় পক্ষের প্রত্যয়ন। অ্যাপল বা গুগলের মতো প্রতিষ্ঠান, যারা ইতিমধ্যে আপনার বয়স জানে, তারা শুধু একটি বিবৃতি দেয় যে ‘এই ব্যবহারকারীর বয়স ১৬ বছরের বেশি’। কোনো জন্মতারিখ বা পরিচয়পত্র আদান-প্রদান হয় না। গুগলের ‘জিরো-নলেজ প্রুফ’ প্রযুক্তির মাধ্যমে নাম বা জন্মতারিখ ছাড়াই বয়স নিশ্চিত করা যায়।

ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এটি একটি বড় সমাধান। অ্যাকাউন্ট খোলার সময় সামান্য তথ্য দেওয়ার ঝুঁকি কোটি কোটি তথ্য চুরির ঝুঁকির চেয়ে অনেক কম। এ আইন শিশুদের তথ্য সুরক্ষায় বাঁধ হিসেবে কাজ করছে।

আরও পড়ুন

নিরাপদ হচ্ছে প্রযুক্তিপণ্য

কিছু সংস্কারক মনে করেন, বয়সসীমা নির্ধারণের ফলে মূল সমস্যা আড়াল হতে পারে। মূল সমস্যা হলো প্ল্যাটফর্মগুলোর ক্ষতিকর ডিজাইন, যেমন অ্যালগরিদমিক ফিড, ইনফিনিট স্ক্রল ও নোটিফিকেশন, যা শিশুদের আসক্ত করে। ডিজাইনে সংস্কার আনা জরুরি, তবে বয়সসীমা ও ডিজাইন সংস্কার একে অপরের পরিপূরক। দুটি একসঙ্গে কাজ করলে ফলাফল আরও ভালো হয়।

অস্ট্রেলিয়ার এই আইন কোম্পানিগুলোকে তাদের ডিজাইন বদলাতে বাধ্য করছে। যেমন স্ন্যাপচ্যাট ঘোষণা করেছে, বিশ্বজুড়ে তাদের ১৩ থেকে ১৫ বছর বয়সী ব্যবহারকারীদের প্রোফাইল শুধু ‘ফ্রেন্ডস-অনলি’–এর জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আইন এড়াতে কোম্পানিগুলো এখন শিশুদের সুরক্ষাকে প্রাধান্য দিচ্ছে।

বয়সসীমা নির্ধারণের এ আইন কোম্পানিগুলোর ব্যবসায়িক হিসাব-নিকাশ বদলে দিয়েছে। ক্ষতিকর ফিচার তৈরি করে লাভ করার যে সুযোগ ছিল, তা বন্ধ হয়েছে। এখন কোম্পানিগুলো বাধ্য হয়েই শিশুদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে অ্যাপ ডিজাইন করছে।

এখন নিরাপদ প্রমাণ করার দায় কোম্পানির। ওষুধ বা রেস্তোরাঁ ব্যবসার মতো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিকেও এখন পণ্য নিরাপদ প্রমাণ করে বাজারে আসতে হবে।

নতুন ও উন্নত মাধ্যমের বিকাশ

অনেকের আশঙ্কা, শিশুদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে দূরে রাখলে তারা তথ্য ও সম্প্রদায় থেকে বিচ্ছিন্ন হবে। কিন্তু অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতা বলছে, এ আইনের ফলে শিশুদের জন্য আরও নিরাপদ ও ভালো প্ল্যাটফর্মের বাজার তৈরি হবে।

এ আইন শিশুদের কনটেন্ট করা বন্ধ করছে না, পুরো ইন্টারনেট তাদের জন্য খোলাই আছে। তবে এটি ক্ষতিকর কোম্পানিগুলোর আধিপত্য কমিয়ে নিরাপদ নতুন প্ল্যাটফর্মের সুযোগ তৈরি করবে।

আজকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলো মুক্তমতের জন্য মোটেও উপযুক্ত জায়গা নয়। মানুষ এখানে নিজের মনের কথা বলে না, বরং অ্যালগরিদম যা পছন্দ করে, তা-ই প্রকাশ করে। ফলে ভয়, ক্ষোভ আর সমাজকে বিভক্ত করার মতো কনটেন্ট এখানে বেশি ছড়ায়। নাইটস ফাউন্ডেশনের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী মনে করে, আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মানুষ নিজের মত প্রকাশ করতে পারে না।

এটা কোনো নিরপেক্ষ মুক্তমঞ্চ নয়। এটি আসলে প্রাচীন রোমের কলোসিয়ামের মতো, যেখানে দর্শক হাসাতে একে অপরকে আক্রমণ করতে উসকে দেওয়া হয়।

সময় দিতে হবে

অস্ট্রেলিয়ার সোশ্যাল মিডিয়া আইন ব্যর্থ হয়নি। এটি পুরো পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। লাখ লাখ শিশু এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কম ব্যবহার করছে। তারা মাঠের খেলায় ফিরছে। অভিভাবকেরা স্বস্তি পাচ্ছেন। প্রযুক্তি উন্নত হচ্ছে এবং কোম্পানিগুলো সুরক্ষায় মনোযোগ দিচ্ছে।

অস্ট্রেলিয়ার এই সাহসী পদক্ষেপ বিশ্বজুড়ে এবং প্রযুক্তি–দুনিয়ায় রীতিমতো ঝাঁকুনি দিয়েছে। অনলাইনে শিশুদের নিরাপদ রাখতে নীতিনির্ধারক আর প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো যখন গলদঘর্ম হচ্ছে, অভিভাবকেরা তখন স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে তাদের সাধুবাদ জানাচ্ছেন। এই পথচলায় হয়তো নানা ভুলত্রুটি থেকে নতুন শিক্ষা আসবে, আইনকানুন আরও বাস্তবসম্মত হবে। তবে অস্ট্রেলিয়ার এ উদ্যোগ থেকে সবচেয়ে বড় যে শিক্ষা পাওয়া গেছে, তা হলো এটি রাতারাতি কোনো সমাধান নয়, বরং একটি দীর্ঘমেয়াদি লড়াইয়ের সূচনা।

  • রবি আইয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়ার নিলি সেন্টারের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

  • জোনাথন হাইড নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির স্টার্ন স্কুল অব বিজনেসের অধ্যাপক

  • জ্যাক রশ নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির স্টার্ন স্কুল অব বিজনেসের গবেষক।

টাইম থেকে অনূদিত