নির্বাচনের আগে ইসির সামনে সময় অল্প, কাজের পরিসর বিস্তর

নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনফাইল ছবি: বাসস

দেশের নির্বাচনব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে জনমনে বিভ্রান্তি রয়েছে। এই বিভ্রান্তি থেকেই তৈরি হয়েছে নানা অভিযোগ। তবে আশার বিষয় হলো, রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টিকে অনুধাবন করতে পেরেছে। বিষয়টি অনুধাবন করেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রার্থীরা জনসংযোগ করছেন। রাজনৈতিক অঙ্গনে যে সদিচ্ছা তৈরি হয়েছে, সেটি অন্তর্বর্তী সরকারও অনুধাবন করতে পেরেছে। অনুধাবন করে ইতিমধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক কিছু সংস্কারের দিকেও মনোযোগ বাড়াতে শুরু করেছে।

গত ২৬ জানুয়ারি প্রথম আলোর ‘মন্ত্রীদের ইচ্ছেমতো প্রকল্প অনুমোদনের ক্ষমতায় লাগাম’ শীর্ষক এক প্রতিবেদন দিয়েই বরং আলোচনা করা যাক। প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, প্রশাসনিক কাঠামোয় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের নানা প্রকল্পের নিয়োগ, ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু করে সার্বিক বাস্তবায়নের কাজে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করতেন কিছু কিছু ক্ষেত্রে। কিন্তু গত ১২ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (এনইসি) সভায় এক নির্দেশিকার মাধ্যমে এ ক্ষমতা প্রয়োগের সিদ্ধান্তের বিষয়ে পরিবর্তন আনা হয়েছে।

এখন থেকে ৫০ কোটি টাকার বেশি খরচের প্রকল্প অনুমোদনের জন্য প্রথমে পরিকল্পনা কমিশনে যাচাই-বাছাইয়ের প্রাতিষ্ঠানিক অনুমোদন নিতে হবে। চাইলেই যখন-তখন প্রকল্প অনুমোদন দিতে পারবেন না কোনো মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী। এমন একটি সিদ্ধান্ত প্রশাসন, রাজনৈতিক অঙ্গন এবং জনস্বার্থের মধ্যে একধরনের সমন্বয় করবে বলেই বিশ্বাস। সরকারের এই সিদ্ধান্ত অনেকাংশে সিভিল ব্যুরোক্রেসির দিকে যাত্রা। এ যাত্রাকে সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠা করার কাজটি করবে ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী দল। আর যখন তা বাস্তবায়িত হবে, এর দীর্ঘমেয়াদি সুফল ভোগ করবেন ভোটাররা। তাই প্রশাসনিক এই সিদ্ধান্তকে শুধু আৃমলাতান্ত্রিক কিংবা রাজনৈতিক—এমন একপেশে সিদ্ধান্তে যাচাই করার সুযোগ একেবারেই নেই।

লোকপ্রশাসনে অধ্যাপনা করায় এবং এ নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করায় আমি বরাবরই সিভিল ব্যুরোক্রেসি নিয়ে আলোচনা করি। আমি মনে করি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি ভোটারদের মনে যে উৎসাহ-উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে, সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে সুসংহত করার কাজটি করতে হবে নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মাঠপর্যায়ের প্রশাসন ও অন্তর্বর্তী সরকারকে। অর্থাৎ জনপ্রশাসন–সংশ্লিষ্ট প্রতিটি অঙ্গকেই সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। যখন সব কটি অঙ্গ সম্মিলিতভাবে কাজ করবে, তখন তার সুফল ভোগ করবে গোটা দেশ।

স্বাধীনতার অর্ধ শতাব্দীর বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও আমরা এখনো সিভিল ব্যুরোক্রেসির দিকে যাত্রা করতে পারিনি। আমরা দেখেছি, দেশের ইতিহাসে বহুবার গণতান্ত্রিক চর্চার পথে প্রতিবন্ধকতা দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রের যে অভিযাত্রা, তার প্রাথমিক বিন্দু ব্রিটিশ শাসনামল থেকেই দেখার চেষ্টা করি। দেশভাগের মাধ্যমে যে বিভাজনের ক্ষত উপমহাদেশকে বহন করতে হয়েছে, তা পাকিস্তান রাষ্ট্রের মাধ্যমে পূরণ হয়নি বিধায় এ দেশের মানুষ ভাষা আন্দোলনে জড়িয়েছে এবং তারই ধারাবাহিকতায় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন রাষ্ট্র পেয়েছি।

জাতির নিরিখে আমরা বাঙালি পরিচয় থেকে বিশ্ব ভূগোলে বাংলাদেশি পরিচয়টি পেয়েছি একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে। মুক্তিযুদ্ধ আমাদের স্বশাসনের সুযোগ দিয়েছে। তার ভিত্তিতে আমরা পেয়েছি একটি সংবিধান। এই সংবিধান একটি সর্বজনীন দলিল। এই দলিলের মাধ্যমে আমরা নিজেদের শাসন করার সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু সংবিধানকে বাস্তবায়ন এবং সংবিধানের চার মূলমন্ত্রের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কী আমরা শক্তিশালী করতে পেরেছি? উত্তরটি সুখকর নয়। এ প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়ে রাজনীতি বিশ্লেষক হিসেবে তাই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সব পক্ষকেই যাচাই করার চেষ্টা করতে চাই। কাজটি আমি করি লোকপ্রশাসনের আঙ্গিকে।

প্রথমেই বলে নিয়েছি, দেশে সিভিল ব্যুরোক্রেসিকে স্বচ্ছ ও প্রাতিষ্ঠানিক করা না গেলে বরাবরই আমাদের সামনে নির্বাচন আয়োজনকে ঘিরে অসংখ্য সংকট থেকে যাবে। এই সংকট জিইয়ে থাকলে আমরা কখনই সংবিধান এবং স্বশাসনের সুফল ভোগ করতে পারব না। অর্থাৎ প্রতিবারই আমরা দেখব নির্বাচনের আগে সুবাতাস বইবে। কিন্তু সেটা ক্ষণিকের হয়ে থাকবে। বিষয়টি বোঝার জন্য সব সময়ই আমাদের পেছনে ফিরে তাকাতে হয়।

বাংলাদেশ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর জনগণকে বরাবরই গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য নানা প্রতিবন্ধকতা ও অস্বস্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে। বিষয়টি এমন এক পর্যায়ে গিয়ে পৌঁছেছিল যে একসময় মনে হচ্ছিল, এ দেশ স্বৈরশাসনের নাগপাশ থেকে মুক্তি পাবে না। স্বাধীনতার পর সেই পঁচাত্তরের পরবর্তী সময়ে দীর্ঘদিন এমন অস্বস্তি আমরা দেখেছি। পরে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশিদের এই অস্বস্তি থেকে মুক্তি দিয়েছিলেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। তাঁর মৃত্যুর পর জেনারেল হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের শাসনামলে আমরা গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় বিরাট প্রতিবন্ধকতা দেখতে পাই। সেখান থেকেও উত্তরণ ঘটেছে।

এরপর আবারও দেশের মানুষ বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোটাধিকার প্রয়োগের অধিকারের ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা দেখেছে। তারই প্রতিবাদে হয়েছে জুলাই অভ্যুত্থান। যখনই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মানুষের মৌলিক অধিকার খর্ব হয়েছে, তখনই মানুষ রাজপথে নেমে রাজনৈতিক অধিকার আদায় করেছে। কিন্তু রাজনৈতিক অঙ্গনের সঙ্গে যদি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোকে শক্তিশালী না করা যায়, তাহলে এই অধিকার আদায়ের সুফল দীর্ঘস্থায়ী হয় না। আমাদের দেশে ভোটাধিকার প্রয়োগের ক্ষেত্রে সিভিল ব্যুরোক্রেসির অভাব বরাবরই একটি বড় সংকট বলেই বিশেষজ্ঞদের আলোচনার বিষয় হয়েছে।

জুলাই অভ্যুত্থানের আগে দীর্ঘ ১৩ থেকে ১৪ বছর প্রাতিষ্ঠানিক ও নাগরিক—এ দুই ক্ষেত্রেই গণতান্ত্রিক চর্চা যেন লোপ পেয়েছিল। চব্বিশের এই ঐতিহাসিক ঘটনা দেশের মানুষকে আবার নাড়া দিয়েছে। দেশের মানুষ অনুধাবন করেছে, আমাদের সংবিধানের যে চারটি মূলমন্ত্র রয়েছে, সেগুলো মূলত ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বাস্তবায়ন সম্ভব। চব্বিশের অভ্যুত্থান আমাদের গণতন্ত্রকে রাষ্ট্রীয় সংস্কার ও সামাজিক সংহতির বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। আবার এর বিপরীতে এখনো জননিরাপত্তা, প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক শৃঙ্খলা সঠিকভাবে নিশ্চিত না হওয়ায় কিছু বিষয়ে শঙ্কাও রয়েছে।

দেশের নির্বাচনব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক কাঠামো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ রয়েছে। রাষ্ট্রের প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে ভোটারের দূরত্ব তৈরি হয়েছে। এ জন্য এখনো জনপ্রশাসন নাগরিক পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার কাজটি সুষ্ঠুভাবে করতে পারছে না। এটিকে অনেকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা বললেও সাধারণ মানুষের জীবনে ভোগান্তিই হয়ে উঠছে। প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে জনগণের দূরত্বের সুযোগ নিয়েই বেড়েছে প্রশাসনিক দুর্নীতি ও অনিয়ম। এমনকি প্রশাসনের ক্ষমতাও নানাভাবে রাজনৈতিক প্রভাবে হ্রাস পেয়েছে বলে অতীতে অভিযোগ ছিল এবং এখনো রয়েছে। এসব সমস্যা দূর করার জন্যই এই পুরোনো কাঠামোর সংস্কার জরুরি, পরিবর্তন নয়। পরিবর্তন মানে একদমই নতুনভাবে গড়া। কিন্তু আমাদের যে কাঠামোর ক্ষতি হয়েছে, তা সংস্কার করলে আমরা কাঙ্ক্ষিত ব্যবস্থা পেতে পারি। তারপরও সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন বলে মনে করি।

এ মুহূর্তে ঢালাওভাবে আমরা ইসি কিংবা জনপ্রশাসনকে আমূল বদলে ফেলার কথা বলতে পারি না। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসির সামনের চ্যালেঞ্জগুলোকে ঠিকই শনাক্ত করতে পারি। সে জন্য বর্তমানে সরকার, ইসি ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক অবস্থানের কর্মতৎপরতাকে যাচাই করেই বলতে চাই। জনপ্রশাসনকে ক্ষমতার অপপ্রয়োগ থেকে মুক্ত করার একটা পথ অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে দিয়েছে। সেটিকে ধরেই এই লেখাটি লিখলেও আসল মনোযোগ এখন কারা ত্রয়োদশ নির্বাচনে জয়ী হয়ে হাল ধরবে, সেদিকে। এখন আমরা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর আলাদা অবস্থানকে বিচার করতে পারি শুধু।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে প্রথম আলোর ২১ জানুয়ারির এক প্রতিবেদন বলছে, এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন। ইতিমধ্যে নিবন্ধিত ৫১টি রাজনৈতিক দল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী—সব মিলিয়ে চলছে ‘ভোটযুদ্ধ’। এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ১২টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনটি থেকে জানা যাচ্ছে, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী দলের সংখ্যা বেড়েছে। অর্থাৎ একটি ইনক্লুসিভ ভোট আয়োজনের বিষয়ে ইসির ওপর দলগুলোর একধরনের আস্থা তৈরি হয়েছে। এই মুহূর্তে তাই রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেবে কি না, সেটি ইসির জন্য বড় প্রশ্ন নয়; বরং ইসির সামনের চ্যালেঞ্জটি অন্য রকম। ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় এ নির্বাচনে ভোটার ঠিকমতো ভোট দিতে পারবেন কি না, সে পরিবেশ নিশ্চিত করার কাজটি ইসিকে করতে হবে।

নির্বাচনের বেশি সময় বাকি নেই। এত অল্প সময়ে ভোটারের ভোটদানের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার জন্য এই নির্বাচন কমিশন ও অন্তর্বর্তী সরকার বহু আগে থেকেই কাজ করছে। এই কাজ কতটা পরিকল্পিত হয়েছে এবং হবে, সেটি আমরা দেখব ভোট গ্রহণ থেকে শুরু করে ভোটের ফল ঘোষণার মতো ক্ষুদ্র সময়ে। কিন্তু ভোট নেওয়ার আগে আমরা দেখছি, রাজনৈতিক দলের নেতারা নির্বাচনী প্রচার করতে গিয়ে অনেক ক্ষেত্রে সহিংসতা কিংবা জনগণের বিরক্তির কারণও হয়ে উঠছেন। এসব বিষয়ে ইসিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। অর্থাৎ নির্বাচনী প্রচারণার সময় কেউ যেন ইসির নিয়মনীতির বাইরে যেতে না পারে এবং গেলে যেন তা নির্মোহ অবস্থান নিয়েই সমাধান করা হয়, সে বিষয়ে সংস্থাটিকে কঠোর অবস্থানে থাকতে হবে।

তাদের এ কাজকে রাষ্ট্রীয় প্রতিপালনে সহায়তা করবে অন্তর্বর্তী সরকার। আবার ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা এবং সার্বিক সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য স্বায়ত্তশাসিত এই প্রতিষ্ঠানকে সহযোগিতা করবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জনপ্রশাসন। কাজটি আরও সহজ হতো, যদি আমরা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকারব্যবস্থার নির্বাচন আয়োজন করতে পারতাম। সে ক্ষেত্রে ইসির জন্য কাজটি আরও সহজ হতো। যেহেতু সেটি হয়নি, তাই জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরেই আমাদের সব ভাবনা কেন্দ্রীভূত রাখতে হবে। এখন সময় নির্বাচনকেন্দ্রিক যত সরকারি-বেসরকারি তদারকি প্রতিষ্ঠান আছে, সেগুলোকে শক্তিশালী করা। কাজটি সহজ নয়। কারণ, সময় অল্প। কিন্তু যতটুকু সময় আছে, সেই অল্প সময়েই এতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

  • ড. মোসলেহউদ্দিন আহমেদ রাজনীতি ও স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ। অধ্যাপক, লোকপ্রশাসন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

    *মতামত লেখকের নিজস্ব