সান্ধ্য আইন: নিরাপত্তার দোহাই দিয়ে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়ন্ত্রণ

ছাত্রী হলে ‘বৈষম্যমূলক সান্ধ্য আইন’ বাতিলসহ তিন দফা দাবিতে সংহতি সমাবেশ করেছে ‘অবরোধবাসিনী’ নামের একটি প্ল্যাটফর্ম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়; ১০ আগস্ট ২০২৬ছবি: প্রথম আলো

গত কয়েক সপ্তাহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা একটি দীর্ঘদিনের বৈষম্যমূলক নিয়মের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। মেয়েদের আবাসিক হলে রাতের একটি নির্দিষ্ট সময়ের পর গেট বন্ধ হয়ে যায় এবং হল থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য হল প্রভোস্টের অনুমতি নিতে হয়। ‘অবরোধবাসিনী’ নামে ছাত্রীদের একটি প্ল্যাটফর্ম রোকেয়া হলসহ সব ছাত্রী হলের গেটে পোস্টার ও গ্রাফিতি দিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছে, স্লোগান তুলেছে সময়ের এই শিকল ভাঙার।

পরে বিভিন্ন হলের আবাসিক ও অনাবাসিক ছাত্রীরা মিলে উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়ে সান্ধ্য আইন শিথিল করা, প্রবেশপ্রক্রিয়া সহজ করা এবং বৈধ শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র দেখিয়ে কোনো ছাত্রীর যেকোনো হলে ঢোকার সুযোগ চেয়েছেন।

সান্ধ্য আইন কি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক?

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘সান্ধ্য আইন’ বলতে বোঝানো হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ছাত্রীনিবাসে রাত ১০টার কঠোর কারফিউ। এই নিয়ম অনুযায়ী, রাত ১০টার পর হলে ফেরত আসা ছাত্রীদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয় বা তাঁদের বাইরে আটকে রাখা হয়। এই নিরাপত্তার নামে গেট বন্ধ করে তাঁকে অনিরাপদ করে তুললে সে দায়িত্ব কে নেবে, তার উল্লেখ নেই এই ধরনের আইনে।

উল্লেখ্য যে এই আইন পুরুষ ছাত্র হলগুলোর জন্য প্রযোজ্য নয়। অথচ বাংলাদেশের সংবিধানে স্পষ্টভাবে বলা আছে যে রাষ্ট্র বা জনজীবনের কোনো স্তরে নারীদের প্রতি বৈষম্য করা যাবে না। এ ছাড়া সংবিধান লিঙ্গভিত্তিক বৈষম্যকেও নিষিদ্ধ করেছে। সেই পরিপ্রেক্ষিতে পুরুষ ও নারীর আবাসিক হলের ভিন্ন ভিন্ন ব্যবস্থা থাকার সুযোগ নাই।

কর্মক্ষেত্রেও প্রতিবন্ধকতা?

বাংলাদেশে নারী শিক্ষার সফলতার হার প্রাইমারি ও মাধ্যমিক স্তরে আশাব্যঞ্জক হলেও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সেই গল্পটা আর একই রকম থাকে না। বাংলাদেশ শিক্ষা পরিসংখ্যান ২০২৪ অনুযায়ী, পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীর ভর্তির হার ৩৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

নারী শিক্ষার্থীরা প্রাইমারি, মাধ্যমিক বা উচ্চমাধ্যমিকে ভালো করলেও উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে সুযোগ কমতে থাকে। উচ্চশিক্ষা শেষ করে যাঁরা কাজে যোগ দেন, সেই পরিসংখ্যান আরও হতাশাজনক। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে, উচ্চশিক্ষা সম্পন্নকারী পুরুষদের প্রায় অর্ধেক (৪৭ দশমিক ১৩ শতাংশ) আনুষ্ঠানিক কর্মসংস্থানে নিয়োজিত। একই শিক্ষাগত যোগ্যতাসম্পন্ন নারীদের ক্ষেত্রে এই হার মাত্র ২৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

এর পেছনে রয়েছে কর্মক্ষেত্রে নারীবান্ধব সুযোগ–সুবিধার অভাব, নিয়োগপ্রক্রিয়ার ত্রুটি, সামাজিক রীতিনীতি, যথেষ্ট পরিমাণ পাবলিক পরিবহন না থাকা, শিশু যত্ন কেন্দ্র না থাকা, পরিবারে অসম কাজের বণ্টনসহ আরও অনেক সামাজিক ও ধর্মীয় বিধিবিধান, যা নারীর কর্মক্ষেত্রে অংশগ্রহণের জন্য বাধা। নিরাপত্তার নামে এই প্রতিবন্ধকতা নারীর জন্য শুরু হয় তার পরিবার থেকে এবং সেটা কখনো কখনো প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়েও তৈরি করা হয়। সে রকমই একটি নিয়ম সান্ধ্য আইন।

নিরাপত্তা কি শুধু নারী শিক্ষার্থীর জন্য? পুরুষ শিক্ষার্থীরা আসলে এ দেশে কতটা নিরাপদ, যেখানে প্রতিদিন শহরগুলোতে রাস্তায় ছিনতাই, খুন, দুর্ঘটনা হচ্ছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ভুক্তভোগী পুরুষেরা। তাহলে নিরাপত্তার নামে যে সান্ধ্য আইন তা কেন শুধু নারীদের জন্য? প্রশ্ন হলো আসলে কি এই আইন নিরাপত্তার জন্য, নাকি নারীর চলাচলকে নিয়ন্ত্রণের জন্য? এই যুক্তি প্রকৃতপক্ষে নিরাপত্তার নয়, নিয়ন্ত্রণের। তার মাশুল নারীকে দিতে হচ্ছে তাঁর স্বাধীনতা, সময় ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সম্ভাবনা দিয়ে।

সন্ধ্যা হলে কি নারীর জীবন বন্ধ হয়ে যায়

বাংলাদেশের সমাজে একজন পুরুষ শিক্ষার্থী বা কর্মজীবীর জন্য দিনের কাজ শেষে সন্ধ্যাটাই আসলে সামাজিক জীবনের শুরু। চায়ের দোকানে আড্ডা, ক্যাম্পাসের করিডরে বা টিএসসিতে দীর্ঘ আলোচনা, সিনিয়র-জুনিয়র নেটওয়ার্কিং, রাজনৈতিক বা সাংগঠনিক বৈঠক—এসবই মূলত রাতের দিকে জমে ওঠে।

অথচ ঠিক এই সময়েই একজন ছাত্রীর জন্য হলের গেট বন্ধ হয়ে যায়। এমনকি এই সমাজে পরিবারগুলোও কন্যাসন্তানকে সন্ধ্যার পর বাইরে থাকতে নিরুৎসাহিত করে। ফলে একজন পুরুষের জীবন যখন সন্ধ্যায় সচল হয়, একজন নারীর জীবন তখন কার্যত বন্ধ হয়ে যায়।

এই বৈষম্যের প্রভাব নিছক সামাজিক নয়, এটি সরাসরি অর্থনৈতিক। বিসিএস বা সরকারি-বেসরকারি চাকরির নিয়োগপ্রক্রিয়া মূলত প্রার্থীর জ্ঞান, দৃষ্টিভঙ্গি ও যোগাযোগদক্ষতা যাচাই করে। এই দক্ষতাগুলোর একটি বড় অংশ গড়ে ওঠে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার বাইরে, আড্ডায়, নেটওয়ার্কিংয়ে, বিতর্কে, রাজনৈতিক সংগঠনে সক্রিয় থাকার মধ্য দিয়ে। পুরুষ শিক্ষার্থীরা রাতের এই সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়ায় অবাধে অংশ নিতে পারেন, ছাত্রীরা পারেন না। ফলে নিয়োগ প্রতিযোগিতায় নারীরা কাঠামোগতভাবেই পিছিয়ে থাকেন, এটি তাঁদের মেধা বা যোগ্যতার ঘাটতি নয়, বরং সুযোগের বৈষম্যের ফল।

কর্মক্ষেত্রে নেতৃত্বের স্তরে প্রভাব পড়ছে?

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর শ্রম জরিপ ২০২৪ বলছে, দেশের নারী শ্রমশক্তি ২০২৩ সালের ২ কোটি ৫৩ লাখ থেকে কমে ২০২৪ সালে ২ কোটি ৩৭ লাখে নেমে এসেছে। ২০১০ সালের পর এটিই প্রথম সংকোচন, পুরুষের অংশগ্রহণ প্রায় অপরিবর্তিত।

বিশ্বব্যাংক-আইএলও-এর মডেল হিসাবে নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ২০২৪ সালে ৪৪ দশমিক ১৫ শতাংশ, যা বৈশ্বিক গড় ৫১ শতাংশের তুলনায় কম এবং পুরুষের তুলনায় প্রায় অর্ধেক। ২০২১ সালে বিবিএসের সময় ব্যবহার জরিপ দেখায়, নারীরা দৈনিক গড়ে ৫ দশমিক ৯ ঘণ্টা গৃহস্থালি ও পরিচর্যা কাজ করেন, পুরুষেরা করেন মাত্র শূন্য দশমিক ৮ ঘণ্টা।

এই দুই তথ্য একসঙ্গে দেখলে স্পষ্ট হয়: নারীর সময় ও চলাফেরা ঘরের ভেতরেই বাঁধা, আর এই কাঠামোগত বাধার একটি বড় উৎস সমাজ ও প্রতিষ্ঠান—দুই স্তরেই বলবৎ থাকা চলাচলে নিয়ন্ত্রণ।

এই বৈষম্যের সবচেয়ে স্পষ্ট প্রতিফলন দেখা যায় নেতৃত্বের স্তরে। যাঁরা বাধা পেরিয়ে কোনোভাবে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করেন, তাঁদেরও চাকরিতে টিকে থাকা বা উচ্চাকাঙ্ক্ষা তৈরি করার সুযোগ হয় না। বিভিন্ন সমীক্ষা ও বৈশ্বিক জেন্ডার গ্যাপ প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে ব্যবস্থাপক বা তত্ত্বাবধায়ক পদের ১০ শতাংশের কম আছেন নারী, বাকি প্রায় ৯০ শতাংশই পুরুষ।

কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের আগে থেকেই যে সামাজিকীকরণ ও নেটওয়ার্কিং সুযোগ একজন পুরুষ পান, একজন নারী তা থেকে বঞ্চিত হন। ফলে নিয়োগের সময়েই তিনি এক ধাপ পিছিয়ে শুরু করেন এবং পরবর্তী সময়ে পদোন্নতির দৌড়েও এই ব্যবধান আরও বাড়ে।

নারীর এই সান্ধ্য আইন একপ্রকার অলিখিত আছে সব স্তরে। চাকরি করা নারীদের ক্ষেত্রেও সন্ধ্যার পর বাইরে থাকা অনেকটাই নিরুৎসাহিত করা হয় অথবা ঘরের কাজের চাপে তাঁকে ফিরতেই হয়। তাই যখন পুরুষেরা নেটওয়ার্কিং করেন, চাকরি ক্ষেত্রে সুযোগ নিয়ে আলোচনা করেন। ফলে একজন নারী ক্যারিয়ার গড়ার এই সুযোগগুলো থেকে বঞ্চিত হন।

এই বাধা কেবল চাকরির বাজারেই থেমে থাকে না, এটি নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনে অংশগ্রহণকেও সীমিত করে। সংসদে বা স্থানীয় সরকারে নারীর প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর যে আলোচনা আমরা করি, তার শিকড় আসলে ক্যাম্পাস–জীবনেই তৈরি হয় এবং সেখানেই যদি নারীকে সময়ের বেড়াজালে বন্দী রাখা হয়, রাজনীতিতে তার সমান অংশগ্রহণ প্রত্যাশা করা অবাস্তব।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হল ২৪ ঘণ্টা খোলা রাখার দাবিতে স্মারকলিপি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা
ছবি: ‘বৈষম্যহীন ছাত্রী হল’ প্ল্যাটফর্মের সৌজন্যে

‘বাইরে অনিরাপদ’ যুক্তি কি টেকে?

প্রশাসন প্রায়ই কারফিউর পক্ষে যে যুক্তি দেয়, তা হলো—রাতে বাইরে নারীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। কিন্তু পরিসংখ্যান এই যুক্তিকে সমর্থন করে না। বিবিএসের সহিংসতা–বিরোধী নারী জরিপ বলছে, বিবাহিত নারীদের প্রায় ৭০ শতাংশ স্বামীর দ্বারা কোনো না কোনো ধরনের সহিংসতার শিকার হয়েছেন এবং ৫৪ শতাংশ শারীরিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন এবং এই সহিংসতার প্রধান স্থান বাইরের রাস্তা নয়, নিজের ঘর।

শিশু নির্যাতনের ক্ষেত্রেও একই চিত্র: বেশির ভাগ ঘটনায় অভিযুক্ত ব্যক্তি অপরিচিত কেউ নন, পরিবারের সদস্য বা প্রতিবেশী। তাহলে যদি সবচেয়ে বেশি সহিংসতা ঘরের ভেতরেই ঘটে, তবে নারীকে ঘরে বা হলের ভেতরে আটকে রাখাই কীভাবে নিরাপত্তার সমাধান হতে পারে?

নিরাপত্তা কি শুধু নারী শিক্ষার্থীর জন্য? পুরুষ শিক্ষার্থীরা আসলে এ দেশে কতটা নিরাপদ, যেখানে প্রতিদিন শহরগুলোতে রাস্তায় ছিনতাই, খুন, দুর্ঘটনা হচ্ছে এবং বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় ভুক্তভোগী পুরুষেরা। তাহলে নিরাপত্তার নামে যে সান্ধ্য আইন তা কেন শুধু নারীদের জন্য? প্রশ্ন হলো আসলে কি এই আইন নিরাপত্তার জন্য, নাকি নারীর চলাচলকে নিয়ন্ত্রণের জন্য? এই যুক্তি প্রকৃতপক্ষে নিরাপত্তার নয়, নিয়ন্ত্রণের। তার মাশুল নারীকে দিতে হচ্ছে তাঁর স্বাধীনতা, সময় ও ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সম্ভাবনা দিয়ে।

রাষ্ট্রের ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের করণীয়

সরকার যদি সত্যিই নারীর শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণ বাড়াতে চায় এবং জাতীয় উন্নয়ন নীতিতে নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জন করতে চায়, রাজনীতি ও গণপরিসরে নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চায় তবে প্রথম কাজ হলো এই ধরনের কাঠামোগত বাধা দূর করা। নারীকে সীমাবদ্ধ না করে তাঁর চলাফেরার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

নিরাপত্তার অর্থ নারীকে তালাবদ্ধ রাখা নয়, বরং সড়কে পর্যাপ্ত আলো, নিয়মিত পুলিশি টহল, ক্যাম্পাস ও শহরে কার্যকর জরুরি সাড়াদান ব্যবস্থা এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে, সব স্তরে পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মক্ষেত্রে জেন্ডার শিক্ষার প্রচলন।

ছাত্রদের হলে যেমন সান্ধ্য আইন নেই, ছাত্রীদের হলেও তেমন সমান নিয়ম প্রযোজ্য হওয়া উচিত; জরুরি অবস্থায় গেট খোলার সহজ ব্যবস্থা, ডিজিটাল প্রবেশ ব্যবস্থা এবং চব্বিশ ঘণ্টা চিকিৎসা সহায়তা থাকা উচিত।

এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিয়মিত জেন্ডার মবিলিটি অডিট করা উচিত, যেন তারা নারী ও পুরুষ শিক্ষার্থীদের হলে প্রবেশ–সংক্রান্ত নিয়ম, সন্ধ্যাকালীন চলাচল, পাঠাগার ও ল্যাবরেটরি ব্যবহার, পাঠ্যক্রমবহির্ভূত কার্যক্রমে অংশগ্রহণ, যানবাহন ব্যবহার এবং হয়রানি বা দুর্ঘটনার সঠিক ও তুলনামূলক মূল্যায়ন করতে পারে। এই মূল্যায়ন প্রশাসনকে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের এই দাবি তাই কোনো বিচ্ছিন্ন ক্যাম্পাস-সমস্যা নয়, এটি নারীর সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অংশগ্রহণের প্রশ্ন। গেট বন্ধ রাখার এই নিয়ম ভাঙা এখন সময়ের দাবি।

  • সাবিনা পারভীন জেন্ডার বিশ্লেষক

  • তানিয়া হক অধ্যাপক, উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

*মতামত লেখকের নিজস্ব