অভিমত–বিশ্লেষণ
সরকারের কাছে প্রত্যাশা: নির্যাতন থেকে শিশুদের সুরক্ষায় নেতৃত্ব দিন
সব ধরনের শিশু নির্যাতন প্রতিরোধযোগ্য। এর জন্য প্রয়োজন আমাদের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা। শিশু নির্যাতন অবসানে এবং শিশু সংবেদনশীল সমাজ গড়ায় সরকার নেতৃত্ব দিলে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। লিখেছেন লায়লা খন্দকার
নেলসন ম্যান্ডেলা বলেছিলেন, ‘শিশুদের সঙ্গে কী আচরণ করা হয়, তা দিয়েই একটা সমাজের আত্মা বোঝা যায়।’ যেকোনো সরকারের সাফল্য বিবেচনায় তাদের আমলে দেশের শিশুরা কেমন আছে, তা বিবেচনা করা প্রয়োজন।
বাংলাদেশে নবনির্বাচিত সরকারের অনেক দায়িত্ব। দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ইত্যাদি বিষয়ে প্রচুর কাজ। সবই গুরুত্বপূর্ণ। এর পাশাপাশি শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন থেকে শিশুদের সুরক্ষায় তাদের উদ্যোগী হতে হবে; অন্যথায় অন্য অনেক অর্জন ম্লান হয়ে যাবে।
শিশু নির্যাতনের পরিস্থিতি
জাতিসংঘ শিশু অধিকার সনদের ১৯ ধারায় শিশুদের সব ধরনের নির্যাতন থেকে রক্ষা পাওয়ার অধিকার স্বীকৃত। বাংলাদেশের জাতীয় শিশুনীতি (২০১১) এবং শিশু আইন (২০১৩) অনুসারে শিশুদের সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে।
কিন্তু বাংলাদেশে শিশুহত্যা, ধর্ষণ, অপহরণ, নিষ্ঠুর শাস্তি ইত্যাদির খবর যেন খুব স্বাভাবিক হয়ে গেছে। ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের কারণে কিশোরীরা আত্মহত্যা করছে। সমাজটা যে শিশুদের জন্য আগের তুলনায় অনিরাপদ হয়ে গেছে, সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের প্রতিবেদন জানাচ্ছে, বাংলাদেশে ২০২৫ সালে ৪১০ শিশুকে হত্যা করা হয়েছে এবং ৪৫৬ শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। ধর্ষণের কিছু ঘটনা প্রচারমাধ্যমে আসে। কিন্তু অসংখ্য শিশু প্রতিদিন নানা ধরনের যৌন নিপীড়নের শিকার হচ্ছে, যা অন্তরালে বা আড়ালেই থেকে যাচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাল্টিপল ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে ২০২৫’–এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের ১ থেকে ১৪ বছর বয়সী ৮৬ শতাংশ শিশু জরিপ–পূর্ববর্তী এক মাসের মধ্যে শারীরিক শাস্তির শিকার হয়েছে।
নির্যাতনের ক্ষেত্রে শিশুদের কোনো কোনো গ্রুপ অন্যদের চেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে থাকে। যেমন কর্মজীবী শিশু, পাচার হওয়া শিশু, যৌনকর্মীদের সন্তান, প্রতিবন্ধী শিশু, আদিবাসী শিশু, শরণার্থী শিশু, এইডসে আক্রান্ত শিশু ও দলিত শিশুর ঝুঁকি বেশি।
নির্যাতনের কারণে শিশুদের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও বিকাশ ব্যাহত হয়
শারীরিক, মানসিক ও যৌন নির্যাতন শিশু অধিকারের ভয়াবহ লঙ্ঘন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা প্রকাশিত ফ্যাক্ট শিট ‘করপোরাল পানিশমেন্ট অ্যান্ড হেলথ’ (নভেম্বর, ২০২১) শিশুদের শাস্তি নিয়ে বিভিন্ন গবেষণার সারাংশ তুলে ধরেছে এবং শাস্তির অবসানের আহ্বান জানিয়েছে।
ফ্যাক্ট শিট অনুযায়ী, অসংখ্য গবেষণায় স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদে শাস্তির সঙ্গে যে নেতিবাচক বিষয়গুলোর প্রত্যক্ষ সম্পর্ক প্রমাণিত হয়েছে, সেগুলো হলো শারীরিক ক্ষতি, দীর্ঘমেয়াদি প্রতিবন্ধিতা বা মৃত্যু, ক্যানসার, মাইগ্রেন, হৃদ্যন্ত্রের রোগ, আর্থ্রাইটিস এবং ওজন বেড়ে যাওয়া।
এ ছাড়া মানসিক অসুস্থতার বিষয়টি বলাই বাহুল্য; যার মধ্যে আছে আচরণগত ও উদ্বেগসংক্রান্ত ডিজঅর্ডার, বিষণ্নতা, হতাশা, নিজের ক্ষতি করা এবং আত্মহত্যার চেষ্টা, অ্যালকোহল ও মাদকাসক্তি, আবেগ নিয়ন্ত্রণ ও দ্বন্দ্ব নিরসনে দক্ষতার ঘাটতি।
এর পাশাপাশি বিদ্যালয় থেকে ঝরে পড়া এবং শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে কম সফল হওয়া; শিশুদের মধ্যে আগ্রাসী আচরণ, অপরাধপ্রবণতা, অন্যান্য ধরনের সহিংসতা মেনে নেওয়া এবং পারিবারিক সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।
শিশুদের কিছু শেখানোর কৌশল হিসেবে শারীরিক বা মানসিক শাস্তি এখন একটি অকার্যকর পদ্ধতি। মা-বাবা ও শিক্ষকদের শিশুরা সবচেয়ে বেশি বিশ্বাস করে। তাঁরা যখন শাস্তি দেন, তখন শিশুরা ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে নির্যাতনকে স্বাভাবিক মনে করে, মেনে নিতে শেখে।
শাস্তি পাওয়া শিশুরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর নিজেরাও নির্যাতন করবে অথবা নির্যাতনের শিকার হবে—এমন আশঙ্কা বেড়ে যায়। আমরা যদি শিশুদের শাস্তি দেওয়া বন্ধ না করি, তাহলে সমাজে সহিংসতার চক্র ভাঙা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
যৌন নির্যাতনের কারণে শিশুদের জীবনে দীর্ঘ মেয়াদে নানা ধরনের সমস্যা হতে পারে। এর মধ্যে ‘পোস্টট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার’ এবং হতাশা, মাদকাসক্তি, আত্মহত্যার চিন্তা ও চেষ্টা, অন্তরঙ্গ সম্পর্কে সমস্যা, আত্মবিধ্বংসী আচরণ, বিষণ্নতা, রাগ, সহিংসতা, লেখাপড়া ও পেশাগত জীবনে অসফল হওয়া উল্লেখযোগ্য।
শিশু নির্যাতনের কারণ
শিশু নির্যাতনের ঘটনায় বাংলাদেশে বেশির ভাগ অপরাধীর শাস্তি হয় না। এ কারণে শিশু নির্যাতন ঘটেই চলেছে। পাশাপাশি শিশুদের অধস্তন মনে করার সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গি একটা বড় সমস্যা।
বড়রা কখনো কখনো নিজেদের জীবনের জটিলতাগুলো থেকে তৈরি হওয়া হতাশা ও রাগ-ক্ষোভ শিশুদের ওপর চাপিয়ে দেন। ফলে শিশুরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়। বড়দের মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণে শিশুদের হত্যা করা হচ্ছে।
আরেকটি বিষয় লক্ষণীয়, তথাকথিত ‘পারিবারিক সম্মান’কে গুরুত্ব দেওয়ায় শিশুরা পরিবারের সদস্যদের দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হলে পরিবার বেশির ভাগ ক্ষেত্রে অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনে না।
বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাস্তি নিষিদ্ধ করতে ২০১১ সালে একটি পরিপত্র জারি করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তারপরও শিশুরা শিক্ষকদের দ্বারা মারধর ও অপমানের শিকার হচ্ছে। এ ছাড়া বাড়ি, প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ইত্যাদিতেও শিশুদের শাস্তি দেওয়া হয়।
পৃথিবীর ৬৯টি দেশ সব ক্ষেত্রে (বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মক্ষেত্র, বিকল্প শিশু পরিচর্যাকেন্দ্রসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি) শিশুদের শাস্তি নিষিদ্ধ করে আইন করেছে। বাংলাদেশ এখনো এ তালিকায় নেই। যখন এমন একটি ব্যবস্থা থাকে, যেখানে বয়স্কদের আঘাত করা আইনের চোখে অপরাধ, কিন্তু শিশুদের ক্ষেত্রে তা গ্রহণযোগ্য, তখন আইনটি স্পষ্টভাবেই শিশুর প্রতি বৈষম্যমূলক।
বিভিন্ন বয়সী শিশুদের চিন্তাভাবনা ও অনুভূতি আলাদা হয়। শিশু বিকাশের পর্যায়গুলো বুঝে তাদের বয়স উপযোগী ভালোবাসা ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের সমাজের বেশির ভাগ মানুষের সচেতনতা ও দক্ষতার অভাব আছে। কার্যকরভাবে সন্তানদের বড় করে তোলা যে শিখতে হয়, এ বিষয়ে অনেকের ধারণা নেই।
শিশু সুরক্ষায় করণীয়
সরকারের দায়িত্ব শিশুদের সুরক্ষার বিষয়টি অগ্রাধিকার দেওয়া, শিশু নির্যাতনের মামলাগুলো দ্রুত বিচারের আওতায় আনা এবং অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া। যৌন নির্যাতনের শিকার শিশুদের স্বাস্থ্য, আইনি, কাউন্সেলিং ও পুনর্বাসন-সংক্রান্ত সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন।
শিশু আইন, ২০১৩-এর আলোকে শিশু সুরক্ষাব্যবস্থাকে কার্যকর করার জন্য সরকারকে পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে কমিউনিটি পর্যন্ত—সব স্তরে শিশু সুরক্ষাব্যবস্থার জন্য পর্যাপ্ত বাজেট বরাদ্দ জরুরি।
নারী ও শিশু, স্বাস্থ্য, সমাজসেবা, শিক্ষা, আইন ইত্যাদি মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর্মীরা যাতে নিজ দায়িত্ব পালনে পর্যাপ্ত দক্ষতা অর্জন করেন, সে জন্য তাঁদের প্রশিক্ষণ দেওয়া প্রয়োজন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা, গণমাধ্যমসহ যেসব স্থানে শিশুদের নিয়ে কোনো ধরনের কাজ হয়, সেসব ক্ষেত্রে শিশু সুরক্ষা নীতিমালা প্রণয়ন করে তার বাস্তবায়ন করতে হবে।
২০৩০ সালের মধ্যে সব ধরনের শিশু নির্যাতন অবসানে বিশ্বকে যদি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ১৬ দশমিক ২ (সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট গোল বা এসডিজি) পূরণ করতে হয়, তবে শাস্তি বিলোপ অপরিহার্য। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শাস্তি নিষিদ্ধকরণে সরকার যে পরিপত্র জারি করেছে, তার বাস্তবায়ন ও যথাযথ মনিটরিং করতে হবে।
সব ক্ষেত্রে (বাড়ি, বিদ্যালয়, কর্মক্ষেত্র, বিকল্প শিশু পরিচর্যাকেন্দ্রসহ সব ধরনের প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি) শিশুদের শাস্তি নিষিদ্ধ করে একটি নতুন আইন প্রণয়ন করা এখন সময়ের দাবি। নীতিমালা, কর্মসূচি ও জনসচেতনতামূলক প্রচারণার মাধ্যমে আইনি নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করা এবং এর বাস্তবায়ন যথাযথভাবে হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দেশ–বিদেশের বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, আইন সংস্কারের ফলে শাস্তি নিয়ে সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে এবং সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এর মাত্রা কমতে থাকে। সুইডেন, ফিনল্যান্ড, জার্মানি, নিউজিল্যান্ড, পোল্যান্ড ও রোমানিয়ায় এমনটি ঘটেছে।
মা-বাবার কাছে শিশুরা যদি যৌন নির্যাতনের ঘটনা জানায়, তাহলে মনোযোগ দিয়ে শুনতে হবে। শিশুর করা অভিযোগ খতিয়ে দেখে অপরাধীর (সে যদি পরিবারের সদস্য হয় সে ক্ষেত্রেও) বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে শিশুটিকে আশ্বস্ত করা উচিত যে এ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শাস্তি না দিয়ে ইতিবাচকভাবে শিশুদের বড় করা ও শিক্ষা প্রদান সম্পর্কে মা-বাবা এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। পরিবার ও শিশুদের নিয়ে বা তাদের জন্য স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও সামাজিক সেবা খাতে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচিগুলোতে এ–সংক্রান্ত তথ্য অন্তর্ভুক্ত করা দরকার।
শিশু নির্যাতনের ঘটনায় হওয়া মামলাগুলো শেষ পর্যন্ত ফলোআপ করার ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও জোরদার করা দরকার। গণমাধ্যমে শুধু আলোচিত ঘটনা নয়, শিশু অধিকার-সংক্রান্ত বিভিন্ন খবর প্রকাশ করার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন ও সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে।
নানা ধরনের শিশু নির্যাতনের কারণে সমাজের বিভিন্ন ধরনের শিশুরা কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সে বিষয়ে আরও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা দরকার। তাহলে সব শিশুর সুরক্ষায় যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব হবে।
নিয়মিত এসডিজি প্রতিবেদনের অংশ হিসেবে নির্যাতন–সম্পর্কিত প্রধান সূচকগুলোর ওপর তথ্য সংগ্রহকে অগ্রাধিকার দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
শিশুরা যাতে নিজেদের সুরক্ষায় করণীয় বিষয়ে জানে এবং প্রয়োজনে সহায়তা চাইতে পারে, তা নিয়ে তাদের সচেতন করতে হবে। পাঠ্যপুস্তকে পরীক্ষামূলকভাবে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু সব পর্যায়ের শিক্ষার্থীকে সচেতন করার উদ্যোগ এখনো নেওয়া হয়নি। দ্রুত এই উদ্যোগ নেওয়া দরকার।
শিশুদের মতামতকে সম্মান করে শিশু নির্যাতন অবসানের প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপে তাদের কথা শোনা সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার কর্মীসহ সংশ্লিষ্ট সবার দায়িত্ব।
আমরা প্রায়ই বলি ‘শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ’। শিশু নির্যাতনের অবসান না ঘটলে সেই ‘ভবিষ্যৎ’ ভালো হবে না—বিষয়টি সরকারি নীতিনির্ধারকেরা মনে রাখবেন বলে আশা করি। শিশুরা বয়সে ছোট এবং বড়দের ওপর নির্ভরশীল বলে তাদের সুরক্ষায় বেশি গুরুত্ব দেওয়া দরকার।
সব ধরনের শিশু নির্যাতন প্রতিরোধযোগ্য। এর জন্য প্রয়োজন আমাদের সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা। শিশু নির্যাতন অবসানে এবং শিশু সংবেদনশীল সমাজ গড়ায় সরকার নেতৃত্ব দিলে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে শুরু করে সমাজের সর্বস্তরে বিষয়টি গুরুত্ব পাবে।
লায়লা খন্দকার উন্নয়নকর্মী
মতামত লেখকের নিজস্ব
