‘যদিও আমাদের প্রত্যাশা শান্তির, তবু আমাদের নীতি ও উদ্দেশ্য হলো নিজেদের সম্পদের সক্ষমতা অনুসারে সকল উপায়ে প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা করা।’
যুক্তরাষ্ট্রের ফাউন্ডিং ফাদার্স বা প্রতিষ্ঠাতাদের অন্যতম এবং দেশটির তৃতীয় প্রেসিডেন্ট থমাস জেফারসনের এই ঐতিহাসিক উক্তিই যেন আধুনিক পৃথিবীর স্বাধীন সার্বভৌম ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রসমূহের জাতীয় প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তানীতির ক্ষেত্রে এক অনুসরণীয় মূলমন্ত্র।
এ কথা প্রায় সুপ্রতিষ্ঠিত যে কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া দুনিয়ার অধিকাংশ দেশেরই প্রতিরক্ষানীতি এবং জাতীয় নিরাপত্তাকৌশল আত্মরক্ষামূলক। গণতন্ত্রের আকাঙ্ক্ষায় মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্র বাংলাদেশও এর বাইরে নয়। স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসেবে নিজস্ব ভূখণ্ডগত প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিসরে শান্তির পক্ষে বরাবরই বাংলাদেশের স্পষ্ট অবস্থান।
এই দেশের সমরনীতির সূচনা হয়েছিল মূলত মহান মুক্তিযুদ্ধে জাতি হিসেবে আমাদের ঐতিহাসিক ভূমিকার মধ্য দিয়ে। হানাদার বাহিনীর একতরফা আক্রমণে চাপিয়ে দেওয়া সেই অসম যুদ্ধে বিজয় অর্জন কেবল সশস্ত্র বাহিনীর একক ভূমিকার ফল ছিল না। বরং নিরুপায় প্রতিরোধ-যুদ্ধ থেকে ক্রমশ জনযুদ্ধে রূপান্তরিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় মুক্তিপাগল সাধারণ জনগণের সর্বাত্মক অংশগ্রহণই হয়ে উঠেছিল বিজয়ের মূল নিয়ামক।
জাতীয় মুক্তির সেই যুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর বিদ্রোহী কর্মকর্তা ও সদস্যদের বীরত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক অবদানের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকাও ছিল বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। আর সেই অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতাই কার্যতপক্ষে আমাদের জাতীয় প্রতিরক্ষানীতি ও নিরাপত্তাকৌশলের মৌলিক দিকনির্দেশনা।
ইতিহাসে বারবার এই সত্য প্রমাণিত হয়েছে যে কোনো একটি জাতি যখন তার অস্তিত্ব, মর্যাদা ও স্বাধীনতার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়, তখন জনগণের সম্মিলিত শক্তিই হয়ে ওঠে সবচেয়ে শক্তিশালী ও কার্যকর সামরিক কৌশল।
১৯৭১ সালের পটভূমিতে তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক শক্তি ছিল সুসংগঠিত এবং আধুনিক সমরাস্ত্রে সুসজ্জিত। বিপরীতে আচমকা আক্রমণে কিংকর্তব্যবিমূঢ় বাংলাদেশের জনগণ ছিল কার্যত নিরস্ত্র ও অপ্রস্তুত। তা সত্ত্বেও মুক্তিকামী একটি জাতির অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং গণমানুষের সর্বাত্মক প্রতিরোধ লড়াইয়ের কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়েছিল একটি শক্তিশালী পেশাদার সামরিক বাহিনীর।
অসম সেই যুদ্ধে সামরিক বাহিনীর বিদ্রোহী বাঙালি সদস্য, আধা সামরিক বাহিনী ও সাধারণ নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়া ১১টি অপারেশনাল সেক্টরে গেরিলা কৌশলে যুদ্ধ পরিচালনা করা হয়েছিল। কেউ অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করেছেন, কেউ তথ্য দিয়ে, কেউ খাদ্য ও আশ্রয় দিয়ে, কেউবা চিকিৎসায় সহায়তা করে এই লড়াইয়ে অবদান রাখেন।
দেশীয় প্রতিরক্ষাশিল্পের ধারণা কেবল অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের বিষয়ই নয়, এটি একটি বৃহত্তর কৌশলগত সক্ষমতার প্রসঙ্গ। একটি দেশ যখন নিজস্ব অস্ত্র, গোলাবারুদ, যোগাযোগব্যবস্থা, নজরদারি প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষম হয়, তখন তার প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অধিকতর স্বাধীন ও টেকসই হয়ে ওঠে। এতে একদিকে বিদেশনির্ভরতা যেমন কমে, তেমনি জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াও সম্ভব হয়।
এই জনসম্পৃক্ততাই মুক্তিযুদ্ধকে কেবল একটি সামরিক সংঘাত নয়, বরং একটি জাতির গণপ্রতিরোধ যুদ্ধে পরিণত করেছিল। আধুনিক সমর-অভিধানের ভাষায় যা ‘পিপল-সেন্ট্রিক ওয়ারফেয়ার’ বা জনগণভিত্তিক যুদ্ধকৌশল হিসেবে অভিহিত। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই ধারণা নিছক তত্ত্বগত নয়, বরং রক্তের অক্ষরে লেখা এক ঐতিহাসিক সত্য।
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা দর্শনের আরেকটি অপরিহার্য ভিত্তি বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ। এটা জনগণের মধ্যে এক গভীর আত্মপরিচয় ও দায়িত্ববোধের জন্ম দেয়, যা প্রকারান্তরে প্রত্যেক নাগরিককেই দৃঢ়চিত্ত হতে উৎসাহিত করে। কোনো জাতির জনগণ যখন তার নিজস্ব ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও স্বাধিকার-স্বাধীনতার মূল্য গভীরভাবে উপলব্ধি করে, তখন তা ভূখণ্ডগত প্রতিরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তা প্রশ্নে সবার ভেতরেই এক জোরালো অঙ্গীকারের জন্ম দেয়।
স্বাধীন বাংলাদেশে এই ধারণাকে সুসংগঠিত ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার প্রথম উদ্যোগ নিয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। তিনি যথার্থই উপলব্ধি করেছিলেন যে একটি ছোট অর্থনীতি ও সীমিত সামরিক সম্পদের রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কেবল প্রচলিত সামরিক শক্তির ওপর নির্ভর করে টিকতে পারবে না।
তাই তিনি প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ‘টোটাল পিপলস ওয়ার’ বা সর্বাত্মক গণযুদ্ধের ধারণা সামনে আনেন, যার মূল দর্শন ছিল রাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা কেবল সশস্ত্র বাহিনীর দায়িত্ব নয়, বরং এটি গোটা জাতির সম্মিলিত দায়। তাঁর এই দর্শন তিনটি ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত—১. জনগণের সচেতনতা ও অংশগ্রহণ; ২. একটি পেশাদার ও দক্ষ সশস্ত্র বাহিনী; ৩. একটি স্বনির্ভর প্রতিরক্ষাশিল্প। এমন চিন্তার অংশ হিসেবেই তিনি ১৯৭৯ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর পুনর্গঠন করেন।
এতে বিশ্ববিদ্যালয় অফিসার ট্রেনিং কোর, বাংলাদেশ ক্যাডেট কোর এবং জুনিয়র ক্যাডেট কোরকে একীভূত করা হয়। পাশাপাশি আনসার-ভিডিপি এবং স্কাউট আন্দোলনের মাধ্যমে তরুণসমাজকে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দেশপ্রেম ও প্রাথমিক সামরিক প্রশিক্ষণের সঙ্গে পরিচিত করানোর কার্যক্রম শুরু হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে মহান এই নেতার শাহাদাতের পর হোঁচট খায় প্রতিরক্ষা ও জাতীয় নিরাপত্তা-সম্পর্কিত তাঁর দূরদর্শী পরিকল্পনাটি।
বাস্তবতা হলো বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এ ধারণার প্রাসঙ্গিকতা আরও বেড়েছে। ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতা, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা, প্রযুক্তিগত নির্ভরতা ইত্যাদি যেকোনো দেশের প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
দক্ষিণ এশিয়া ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে বৃহৎ শক্তিগুলোর কৌশলগত প্রতিযোগিতা ক্রমেই তীব্র হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ছোট বা মাঝারি শক্তির দেশগুলোর প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অন্য দেশের ওপর সামরিক-সরঞ্জামনির্ভরতা নিঃসন্দেহে একটি ঝুঁকিপূর্ণ কৌশল। কারণ, যুদ্ধ বা সংকটের সময় আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক সমীকরণ দ্রুত বদলে যাওয়ার অসংখ্য দৃষ্টান্ত রয়েছে।
বহু দেশ এরই মধ্যে এই সত্য উপলব্ধি করে সে অনুযায়ী নিজেদের প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তাকৌশল নতুনভাবে সাজিয়েছে। তুরস্ক গত দুই দশকে ড্রোন প্রযুক্তি, ক্ষেপণাস্ত্রব্যবস্থা ও সাঁজোয়া যান উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সক্ষমতা অর্জন করেছে। দেশটির বহুল আলোচিত বায়রাকতার টিবি-টু ড্রোনের ৯৩ শতাংশ যন্ত্রাংশ দেশেই তৈরি।
দক্ষিণ কোরিয়া তার প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের প্রায় ৭০ শতাংশ চাহিদা দেশীয় উৎপাদনে পূরণ করে। ইসরায়েলও প্রতিরক্ষাশিল্পকে কৌশলগত অগ্রাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে নিজস্ব সামরিক প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর হয়েছে। এই উদাহরণগুলো প্রমাণ করে যে স্বনির্ভর প্রতিরক্ষাশিল্প কেবল সামরিক নিরাপত্তাই বাড়ায় না, বরং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
দেশীয় প্রতিরক্ষাশিল্পের ধারণা কেবল অস্ত্র বা সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনের বিষয়ই নয়, এটি একটি বৃহত্তর কৌশলগত সক্ষমতার প্রসঙ্গ। একটি দেশ যখন নিজস্ব অস্ত্র, গোলাবারুদ, যোগাযোগব্যবস্থা, নজরদারি প্রযুক্তি ও সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদনে সক্ষম হয়, তখন তার প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অধিকতর স্বাধীন ও টেকসই হয়ে ওঠে। এতে একদিকে বিদেশনির্ভরতা যেমন কমে, তেমনি জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়াও সম্ভব হয়।
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও প্রকৌশল বিষয়ে হাজারো মেধাবী শিক্ষার্থী রয়েছেন। আমাদের তথ্যপ্রযুক্তি খাত দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। সেই সঙ্গে আছে কর্মোদ্যম বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী। যথোপযুক্ত নীতি ও দীর্ঘমেয়াদি বাস্তবায়ন পরিকল্পনার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা গবেষণা ও উৎপাদনব্যবস্থাকে অগ্রসর করা গেলে ক্রমে একটি শক্তিশালী দেশীয় প্রতিরক্ষাশিল্প গড়ে তোলা মোটেই অসম্ভব নয়। এটা করা গেলে আমাদের কেবল সামরিক সক্ষমতাই বাড়াবে না, বরং প্রযুক্তিগত স্বনির্ভরতা ও শিল্পায়নের ক্ষেত্রেও নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। তবে প্রতিরক্ষার মূল শক্তি শেষ পর্যন্ত মানুষই।
অস্ত্র বা প্রযুক্তি যত উন্নত বা আধুনিকই হোক, সেগুলো পরিচালনা করে মানুষ। তাই শক্তিশালী প্রতিরক্ষাব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো একটি পেশাদার, প্রযুক্তি ও কৌশলগতভাবে দক্ষ এবং নৈতিকভাবে দৃঢ় সশস্ত্র বাহিনী। আধুনিক গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সশস্ত্র বাহিনী কেবল একটি সামরিক প্রতিষ্ঠান নয়, এটি হয়ে ওঠে জাতির আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার প্রতীক।
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ। ঘূর্ণিঝড়, বন্যা, নদীভাঙন ইত্যাদি পরিস্থিতিতে সশস্ত্র বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর ভূমিকা বারবার প্রমাণিত হয়েছে। এই অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে এটাও স্পষ্ট হয় যে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা বাহিনী কেবল যুদ্ধের প্রয়োজনেই নয়, বরং নানা রকম জাতীয় সংকট মোকাবিলার ক্ষেত্রেও সমান গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আমাদের সামগ্রিক প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালীকরণে ‘গবেষণা ও উন্নয়ন’ খাতে বাজেটের অপ্রতুলতা একটি বড় রকমের সীমাবদ্ধতা। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী প্রতিরক্ষা খাতের মোট বরাদ্দের মাত্র ২ দশমিক ৪ শতাংশ অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে ‘গবেষণা ও উন্নয়ন’ খাতে।
বাকি ৯৭ শতাংশের বেশি বরাদ্দ চলে যায় বেতন-ভাতা ও পরিচালন ব্যয় খাতে। অথচ প্রতিবেশী দেশ ভারত তার সামগ্রিক প্রতিরক্ষা বাজেটের প্রায় ২২ শতাংশ এবং পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষা বাজেটের অন্তত ১০ শতাংশ অর্থ ব্যয় করে ‘গবেষণা ও উন্নয়ন’ খাতে। এই চিত্র বলছে যে গবেষণা ও উন্নয়নে মনোযোগ জোরদার করা না গেলে একটি স্বনির্ভর প্রতিরক্ষাশিল্প গড়ে তোলার স্বপ্ন বাস্তবায়ন সহজ হবে না। অথচ বর্তমান বিশ্ববাস্তবতায় নিজস্ব প্রতিরক্ষাশিল্প গড়ে তোলা ছাড়া একটি কার্যকর ও আধুনিক প্রতিরক্ষানীতি ও নিরাপত্তাকৌশলের বাস্তবায়ন প্রায় অসম্ভব।
মনে রাখা দরকার, যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও কন্টিনেন্টাল আর্মির সর্বাধিনায়ক জর্জ ওয়াশিংটন বলেছিলেন, ‘শান্তি রক্ষার সবচেয়ে কার্যকর উপায়গুলোর অন্যতম হলো যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকা।’ একটি সুনির্দিষ্ট ‘প্রতিরক্ষানীতি ও জাতীয় নিরাপত্তাকৌশল’ ছাড়া সম্ভাব্য যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার যথোপযুক্ত প্রস্তুতি গ্রহণ যে সহজ হবে না, তা বুঝতে পারা নিশ্চয়ই কঠিন কিছু নয়।
ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম (অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল), প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা
মনির হায়দার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী
মতামত লেখকের নিজস্ব