হবিগঞ্জের কাশীপুর গ্রামের মানুষ ২ জুন একটি ফুটবল ম্যাচ দেখছিল। সেটি ছিল স্থানীয় ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থক তরুণদের প্রীতি ম্যাচ। কিন্তু খেলা শেষ হওয়ার পরদিন যা ঘটল, তা ফুটবলের চেয়ে আমাদের ‘সমাজ’ ও ‘মনস্তত্ত্ব’ সম্পর্কেই বেশি আশঙ্কাজনক বার্তা দেয়। দুই দলের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়, আহত হন অন্তত ৫০ জন। হাজার মাইল দূরের দুই লাতিন দেশের ফুটবল-আবেগ বাংলাদেশের একটি গ্রামে রক্ত ঝরানোর কারণ হয়ে উঠল। এরপর ৯ জুন মানিকগঞ্জ সদরে পছন্দের দলের পতাকা টাঙাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ হারাল এক কিশোর।
২০২২ সালের বিশ্বকাপের সময়ও দেশের বিভিন্ন স্থানে ফুটবল সমর্থনকে কেন্দ্র করে এমন বহু অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটেছিল। কয়েকটি এলাকায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সমর্থকদের বিরোধ হাতাহাতি, ভাঙচুর ও রক্তপাতে গড়ায়। কোথাও পতাকা টাঙানো নিয়ে, কোথাও–বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কটূক্তিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়।
ঘটনাগুলো যতটা দুঃখজনক, তার চেয়ে বেশি বিস্ময়করভাবে আমাদের এই প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়, যে তরুণ হাসপাতালের বিছানায় যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন, তিনি কখনো ব্রাজিলে যাননি; যাঁর সঙ্গে তাঁর সংঘর্ষ হয়েছে, তিনিও আর্জেন্টিনার মাটিতে পা রাখেননি কোনো দিন। অথচ তাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে লড়েছেন, রক্ত ঝরিয়েছেন। এখানেই আমাদের একটু থমকে দাঁড়ানো দরকার।
ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা। কিন্তু এর সমর্থনকে কেন্দ্র করে আমরা মাঝেমধ্যে এমন অসহিষ্ণু হয়ে পড়ি, যার সঙ্গে খেলার প্রকৃত দর্শনের দূরতম সম্পর্ক নেই।
কেউ হয়তো যুক্তি দিতে পারেন, কয়েকটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা দিয়ে পুরো ফুটবল-সংস্কৃতিকে বিচার করা ঠিক নয়। তা সত্য বটে, কিন্তু এসব ঘটনা যে সামাজিক অসহিষ্ণুতার দিক উন্মোচিত করে, তা তো অস্বীকার করার জো নেই।
খেলার জন্ম আনন্দে, বৈরিতায় নয়
ফুটবলের ইতিহাস হাজার বছরের পুরোনো। ইতিহাসবিদেরা এর শিকড় খুঁজে পান প্রাচীন চীনের ‘চুজু’ নামের এক খেলায়। পরে ইংল্যান্ডে আধুনিক ফুটবলের যাত্রা এবং অল্প সময়ের মধ্যে এটি বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়তার চূড়ায় পৌঁছায়। কিন্তু ফুটবলের প্রকৃত শক্তি ইতিহাসে নয়, এর সরলতায়। একটি বল আর একটু খোলা জায়গা—এ দুয়ের ব্যবস্থা হলেই বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের মানুষ একই আনন্দে শামিল হতে পারে। উন্নত দেশ থেকে অনুন্নত অঞ্চল, যান্ত্রিক শহর থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম—ফুটবল সবার জন্য সমানভাবে উন্মুক্ত। এ কারণেই অনেক সমাজবিজ্ঞানী ফুটবলকে সবচেয়ে ‘গণতান্ত্রিক খেলা’ আখ্যা দিয়েছেন। বাংলাদেশের মানুষ কিন্তু সেই সত্য বহু আগেই আবিষ্কার করেছে।
গ্রামবাংলায় শৈশব-কৈশোরে অনেকেরই কাছে ‘জাম্বুরা’ ছিল ফুটবল, কারও কাছে পুরোনো ছেঁড়া কাপড় গুটিয়ে বানানো ‘বল’ই ছিল ভরসা। বর্ষার কাদামাখা মাঠে, ধান কাটা জমিতে, স্কুলপ্রাঙ্গণে কিংবা বাড়ির উঠোনে খালি পায়ে ছুটে বেড়ানো হাজারো শিশু-কিশোরের নস্টালজিয়ার নাম ফুটবল। যে শিশুটি দামি খেলনা কেনার সামর্থ্য রাখত না, তারও থাকত এ খেলায় সমান হিস্যা। অর্থ বা আভিজাত্য নয়, সাম্য আর আনন্দই এর মূলধন। দুঃখের কথা, সেই অকৃত্রিমতা আজ ক্রমশ ফিকে হয়ে যাচ্ছে।
সীমিত হচ্ছে খেলাধুলার পরিসর
আজকের বাংলাদেশে ফুটবলকে ঘিরে সবচেয়ে বড় বৈপরীত্য সম্ভবত এখানেই—আমরা খেলা নিয়ে তর্ক-বিতর্কে যতটা বুঁদ হয়ে থাকি, খেলার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ায় ততটা ভাবিত নই।
এক ঢাকা মহানগরের দিকে তাকালেই চমকে উঠতে হয়। এক হিসাব বলছে, রাজধানীতে মোট ২৩৫টি খেলার মাঠ থাকলেও সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত মাত্র ৪২টি। উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ১২৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৪১টিতে কোনো মাঠই নেই। ঢাকার বাইরের শহরগুলোর চিত্রেও খুব বেশি রকমফের নেই। এমনকি গ্রামাঞ্চলেও খেলার সুযোগ দিনকে দিন সংকুচিত হয়ে আসছে।
অর্থাৎ আমরা এমন এক সমাজ গড়ে তুলছি, যেখানে শিশু-কিশোরেরা মাঠে গিয়ে খেলাধুলার সুযোগ পাচ্ছে না, কিন্তু ‘গেম’ খেলায় পারদর্শী হচ্ছে। আর সেটা অনলাইনে, ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায়। এ এক অদ্ভুত বিদ্রূপ!
ফুটবল তো শুধু খেলা নয়; এটি কায়িক ও মানসিক সুস্থতার অন্যতম মাধ্যমও বটে। খেলাধুলা শরীরকে সক্রিয় রাখে, হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখে, মানসিক চাপ কমায়। একই সঙ্গে তা দলগত কাজ, নেতৃত্ব, শৃঙ্খলা, সহনশীলতা ও সুস্থ প্রতিযোগিতার মানসিকতা গড়ে তোলে। একটি কিশোর মাঠে খেলতে গিয়ে শুধু গোল করতে শেখে না; সে সতীর্থকে সহযোগিতা করতে শেখে, পরাজয়কে হাসিমুখে মেনে নিতে শেখে এবং পরের দিন নতুন উদ্যমে মাঠে ফিরে আসার শিক্ষা পায়। অথচ মাঠ হাপিস করে দিয়ে সেই জীবনমুখী শিক্ষাকে অঙ্কুরে বিনষ্ট করছি।
যে শিক্ষা খেলার মাঠ দিতে পারে, তা কখনো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পাওয়া সম্ভব নয়। আজকের শিশু-কিশোরেরা মাঠে দৌড়ানোর আগে ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারে বেশি পোক্ত হয়ে উঠছে। তাই তাদের মাঠে ফিরিয়ে নেওয়ার সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। পরিবারে-সমাজে এমন পরিবেশ থাকবে, যেখানে হার-জিত নিয়ে সুস্থ হাসিঠাট্টা হতে পারে, কিন্তু কোনো বিদ্বেষ থাকবে না। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারে সংযম ও দায়িত্ববোধের শিক্ষা দেওয়াও সমান জরুরি।
ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা উন্মাদনার মনস্তত্ত্ব
বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্ট এলেই বাংলাদেশের দৃশ্যপট রাতারাতি বদলে যায়। শহরে তো বটেই, প্রত্যন্ত গ্রামেও বাড়ির ছাদে, গাছের মগডালে প্রিয় দলের পতাকা ওড়ে। মাইলের পর মাইল রাস্তা রঙিন হয়ে ওঠে। চায়ের দোকানে বিতর্ক জমে, অফিস-আদালত-কাছারিতেও চলে চুলচেরা বিশ্লেষণ। রাত জেগে প্রজেক্টরে খেলা দেখার আয়োজন হয়।
বাংলাদেশের এই ফুটবল উন্মাদনা বিশ্ব মিডিয়ার কাছেও বিস্ময়। নিজেদের দল বৈশ্বিক মঞ্চে না থাকলেও এ দেশের মানুষ লাতিন আমেরিকার দেশগুলোকে এমনভাবে ধারণ করে, যেন ওটাই নিজেদের দল! এর পেছনের কারণকেও অবশ্য খাটো করে দেখার সুযোগ কম।
গত শতকের ষাট, সত্তর ও আশির দশকে এ দেশের মানুষ যখন টেলিভিশনের মাধ্যমে বিশ্বকাপের স্বাদ পায়, তখন ব্রাজিলের ‘জোগো বোনিতো’ বা নান্দনিক ফুটবল এবং পেলের কিংবদন্তি তাদের মোহাচ্ছন্ন করে। এরপর ম্যারাডোনার প্রতিভার বিচ্ছুরণ মানুষকে আবেগপ্রবণ করে তোলে। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে সেই উত্তরাধিকার ছড়িয়ে পড়ছে—বাবার দল ছেলের দল হচ্ছে, বড় ভাইয়ের দল হচ্ছে ছোট ভাইয়ের।
আরেকটি মনস্তাত্ত্বিক দিকও রয়েছে এখানে। বাংলাদেশের মতো তৃতীয় বিশ্বের দেশগুলোর মানুষ প্রায়ই লাতিন আমেরিকার আর্থসামাজিক পরিস্থিতির মধ্যে নিজেদের প্রতিচ্ছবি খুঁজে পায়। উপনিবেশবাদের ইতিহাস, দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, স্বপ্ন, আবেগ, অসমতা—এই বাস্তবতা দুই দিকেই প্রায় অভিন্ন। ফলে ফুটবল শুধু খেলা থাকে না; হয়ে ওঠে মানুষের স্বপ্নপূরণের এক মনস্তাত্ত্বিক প্রতীক। অবশ্য আজকাল ফ্রান্স, স্পেন বা জার্মানির মতো দেশেরও উল্লেখযোগ্য সমর্থকগোষ্ঠী বাংলাদেশে গড়ে উঠছে।
এ পর্যন্ত সবকিছু ঠিকই আছে। কিন্তু সংকট তৈরি হয় তখনই, যখন সুস্থ সমর্থন ও নিখাদ ভালোবাসা রূপ নেয় অন্ধ আনুগত্যে।
সংকট ফুটবলের নয়, সামাজিক অসহিষ্ণুতার
একজন ব্রাজিলকে সমর্থন করবেন, অন্যজন আর্জেন্টিনাকে—এটিই স্বাভাবিক, বৈচিত্র্যও এখানে। কিন্তু আমি যদি মনে করি, আপনার দলকে বা আপনাকে অপমান করাই আমার কাজ, কিংবা আমার পছন্দকে আপনি বিন্দুমাত্র সম্মান দেবেন না, তখন তা আর খেলার সংস্কৃতি থাকে না, তা রূপান্তরিত হয় কদর্যতায়, অসহিষ্ণুতায়।
সত্যি বলতে, ফুটবলকে কেন্দ্র করে যে সহিংসতা আমরা দেখি, তা কিন্তু ফুটবলের সংকট নয়; বরং সেটি আমাদের সামাজিক অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ। এমন এক অসহিষ্ণু সমাজ গড়ে উঠছে, যেখানে ভিন্নমত বা প্রতিপক্ষকে ধারণ করার ন্যূনতম মানসিকতাও উবে যাচ্ছে। রাজনীতি, ধর্ম বা বিশ্বাস—সব ক্ষেত্রেই সামান্য মতভেদকে আমরা বৈরিতায় রূপ দিচ্ছি। ফুটবল সেখানে বারুদ ছিটানোর উপলক্ষমাত্র।
আগে পাড়া-মহল্লার চায়ের দোকানের তর্ক একটু মৃদু হাসি কিংবা চায়ের চুমুকে শেষ হতো। এখন ফেসবুকের একটি উসকানিমূলক পোস্ট, ব্যঙ্গাত্মক মিম কিংবা কটূ মন্তব্য মুহূর্তের মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ায়। ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ার লাইক-কমেন্টের অ্যালগরিদম যুক্তির চেয়ে তাৎক্ষণিক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ায় বেশি আগ্রহী করে তোলে। আর এটিই এ সময়ের বড় উদ্বেগ।
ফুটবলের সবচেয়ে বড় শিক্ষা
অথচ ফুটবল সম্পূর্ণ বিপরীত শিক্ষা দেয়। ব্রাজিল এ পর্যন্ত পাঁচবার বিশ্বকাপ জিতেছে, কিন্তু সেই পরাশক্তিকেই ২০১৪ সালে নিজেদের মাটিতে জার্মানির কাছে লজ্জাজনক পরাজয় মেনে নিতে হয়েছিল। বহুবার ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হতে হয়েছে আর্জেন্টিনাকেও।
ফুটবল-ইতিহাসের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো জয় যেমন চিরস্থায়ী নয়, পরাজয়ও শেষ কথা নয়। আজ যে দল মুকুট পরছে, কাল সে-ই ধুলায় লুটাতে পারে। আজ যিনি নায়ক, কাল তিনিই হতে পারেন সমালোচিত।
ফুটবল শেখায় বিনয়, শেখায় অনিশ্চয়তার মধ্যেও বুক বেঁধে লড়াই করার মন্ত্র, সর্বোপরি প্রতিপক্ষকে সম্মান করা। কিন্তু আমরা দর্শক হিসেবে অনেক সময় এমন আচরণ করি, যেন একটি ম্যাচের ফলাফল আমাদের ব্যক্তিগত অস্তিত্ব ও সম্মানের প্রশ্ন! এ মনস্তত্ত্বই সবার আগে বদলাতে হবে।
২০২২ সালের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা-সমর্থকদের উচ্ছ্বাস বিশ্বজুড়ে আলোড়ন তৈরি করেছিল। আর্জেন্টিনার মানুষ ও সংবাদমাধ্যম এটা জেনে রোমাঞ্চিত হয়েছিল যে বিশ্বের অন্য প্রান্তে তাদের জন্য এত ভালোবাসা জমা আছে! সেই অনন্য মুহূর্তে দুই দেশের মধ্যে সম্প্রীতির সেতুবন্ধন তৈরি হয়েছিল। সেটিই ফুটবলের প্রকৃত শক্তি, আসল সৌন্দর্য।
বাংলাদেশে ফুটবল উন্মাদনার আরেকটি ভালো দিক রয়েছে। বিশ্বকাপ এলে আমাদের অভ্যন্তরীণ ‘মৌসুমি অর্থনীতি’ চাঙা হয়। রাজধানী থেকে জেলা শহর, এমনকি গ্রামের বাজারগুলোতেও পতাকা, জার্সিসহ নানা ক্রীড়াসামগ্রী দেদার বিক্রি হয়। দরজির দোকানে কাজের চাপ বাড়ে, প্রিন্টিং প্রেসগুলোতে আসে অতিরিক্ত ফরমাশ। ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা, ফুটপাতের দোকানি থেকে শুরু করে অনলাইন উদ্যোক্তারাও নতুন ক্রেতার দেখা পান।
খেলার এই অর্থনৈতিক প্রাণচাঞ্চল্য সমাজের জন্য ইতিবাচক। যে পতাকা একজন খুদে ব্যবসায়ীর সংসারে দুমুঠো ভাতের হাসি ফোটায়, সেই পতাকাকে কেন্দ্র করে যদি ভাইয়ে ভাইয়ে রক্তারক্তি হয়, তবে তাতে খেলার প্রকৃত অর্থই মিছে হয়ে যায়।
সম্প্রীতিই প্রথম ও শেষ কথা
বিশ্বকাপ যাবে, আবার আসবে। নতুন নতুন তারকার জন্ম হবে। নতুন কোনো দেশ ট্রফি উঁচিয়ে ধরবে। চায়ের টেবিলে বা ফেসবুকের ওয়ালে নতুন বিতর্কও দানা বাঁধবে। কিন্তু খেলাকে কেন্দ্র করে একজনের শারীরিক পঙ্গুত্ব, ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক কিংবা অকালে হারিয়ে যাওয়া প্রাণ—কোনো ট্রফিই কি ফিরিয়ে দিতে পারবে?
প্রিয় দলকে সমর্থন করুন, পতাকা ওড়ান, জার্সি পরুন, রাত জেগে খেলা দেখুন। কিন্তু দিনশেষে এই সত্য মনে রাখতে হবে—খেলার চেয়ে জীবন বড়, জয়ের চেয়ে মানবিকতা বড়। দুনিয়ার কোনো খেলা জেতার মূল্যই সামাজিক সম্প্রীতির চেয়ে বেশি হতে পারে না।
হাসান ইমাম: সাংবাদিক
