সম্প্রতি চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং একটা বাজি ধরেছিলেন। বাজিতে প্রাথমিকভাবে হেরেছেন তিনি। সরাসরি তাইওয়ানে আগ্রাসন চালাবেন, এমন কথা বলাই বাকি রেখেছিলেন, এটা ছাড়া আর সর্বোচ্চ কঠোর হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের (হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ) স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঠেকানোর জন্য। সেটা তারা না পারলেও আমরা এখন জানতে পারছি পরিস্থিতি বেশ ঘোলাটে হয়েছিল। পেলোসি সিঙ্গাপুর থেকে তাইওয়ান যাওয়ার সময় স্বাভাবিক পথ দক্ষিণ চীন সাগর এড়িয়ে অনেকটা বেশি পথ পাড়ি দিয়ে হলেও বোর্নিও দ্বীপ ঘুরে দীর্ঘ পথ বেছে নিয়েছিলেন।

প্রকাশ্যে খুব বড় হুমকি দিয়েও পেলোসির তাইওয়ান যাত্রা থামানো যায়নি। ওদিকে এই বছরের শেষে সি চিং পিংয়ের তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতায় থাকা নিষ্পত্তি হওয়ার কথা। সব মিলিয়ে তাইওয়ানকে কেন্দ্র করে ‘নতুন কিছু’ দেখানোর একটা চাপ নিজেই নিজের ওপর তৈরি করেছিলেন সি। এবার আর আগের মতো তাইওয়ান আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চলে কিছু যুদ্ধবিমান উড়িয়ে আনলে হতো না। তাই এবার তাইওয়ানের চারদিকে ছয়টি স্থানে মহড়া চালাচ্ছে চীন। এই মহড়ার বড় নতুনত্ব আছে।

তাইওয়ানের চারপাশে যে ছয়টি জায়গায় চীন সামরিক মহড়া চালাচ্ছে, তার তিনটি পড়েছে তাইওয়ানের ভূখণ্ড থেকে ২২ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে। তাইওয়ান স্বশাসিত অঞ্চল হলেও যেহেতু পৃথিবীর প্রায় সব দেশের কাছে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃত নয়, তাই এই অঞ্চলে মহড়া চালানোতে মোটাদাগে কোনো সমস্যা নেই। তবে ইতিহাসে চীন এটা প্রথমবার করল।

কোনো দেশের পাশে থাকা সমুদ্রের ১২ নটিক্যাল মাইল (২২ কিলোমিটার) সমুদ্র অঞ্চলকে বলা হয় সেই দেশের টেরিটোরিয়াল সি। অঞ্চলটি ভূমির মতোই কোনো দেশের সার্বভৌমত্বের অংশ। এর পরের ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলোমিটার) হচ্ছে নিরঙ্কুশ অর্থনৈতিক অঞ্চল এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন। এই অঞ্চলের সার্বভৌমত্ব না থাকলেও মৎস্য, খনিজসহ সেখানকার সব সম্পদ আহরণ করা সেই দেশের একচ্ছত্র অধিকার।

তাইওয়ানের চারপাশে যে ছয়টি জায়গায় চীন সামরিক মহড়া চালাচ্ছে, তার তিনটি পড়েছে তাইওয়ানের ভূখণ্ড থেকে ২২ কিলোমিটার দূরত্বের মধ্যে। তাইওয়ান স্বশাসিত অঞ্চল হলেও যেহেতু পৃথিবীর প্রায় সব দেশের কাছে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃত নয়, তাই এই অঞ্চলে মহড়া চালানোতে মোটাদাগে কোনো সমস্যা নেই। তবে ইতিহাসে চীন এটা প্রথমবার করল। এবারকার মহড়ায় প্রশিক্ষণের জন্য সত্যিকারের গোলাবারুদ ব্যবহার করছে চীন। এমন অস্ত্র দিয়ে প্রশিক্ষণের অর্থ হচ্ছে, যেকোনো মুহূর্তে চাইলে সত্যিকার আগ্রাসন চালানো যায়। আবার এবারকার প্রশিক্ষণের সময় চীনের ছোড়া অন্তত পাঁচটি ক্ষেপণাস্ত্র জাপানের নিরঙ্কুশ অর্থনৈতিক অঞ্চলে পড়েছে।

পশ্চিমে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশ্লেষকেরা ন্যান্সি পেলোসির সফরের বিশ্লেষণ নিয়ে একেবারে পরস্পরবিরোধী মন্তব্য করছেন। পেলোসির সফর চীনকে আরও আগ্রাসী আচরণের অজুহাত তৈরি করে দিচ্ছে—এমন অভিযোগ করে একাংশ এই সফরের অর্জনকে খারিজ করছেন। আবার অপর অংশ মনে করেন, তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা অঞ্চল এমনিতেই চীন ক্রমাগত লঙ্ঘন করছিল। সাম্প্রতিক সময়ে সেটা বিমানের সংখ্যায় এবং পুনরাবৃত্তির হারের দিক থেকে অনেক দ্রুতগতিতে বাড়ছিল। তাই এরপর চীন যা করছে, সেটা খুব নতুন কিছু নয়, বরং চীনের হুমকিতে পেলোসির তাইওয়ান না যাওয়া যুক্তরাষ্ট্রের ইমেজকে ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করত। এই বিতর্কে না ঢুকে তাই ওয়ান ভবিষ্যৎ পৃথিবীর জন্য কোনো পরিস্থিতি তৈরি করছে, সেটা একটু আলোচনা করা যাক।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় ‘সুয়েজ ক্যানাল ক্রাইসিস মোমেন্ট’ বলে একটি কথা বলা হয়। বিষয়টি এসেছে ১৯৫৬ সালে সুয়েজ খালকে নিয়ে এক ভয়ংকর সংকটকে কেন্দ্র করে। সংকটটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনায় যাওয়ার সুযোগ এই কলামে নেই, তবে কয়েকটি কথা জানা থাকা ভালো।

যেসব জাতীয়তাবাদী মিসরের রাজতন্ত্রকে হটিয়েছিলেন, তাদের মূল দুজন নেতার একজন এবং মিসরের দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট ছিলেন গামাল আবদুল নাসের। ১৯৫৬ সালে নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করার ঘোষণা দেন। বৈশ্বিক সমুদ্রযাত্রার জন্য এক অতি গুরুত্বপূর্ণ এই পথ এর আগে একটি কোম্পানির মালিকানায় এবং ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হতো। এই জাতীয়করণ সরাসরি ব্রিটেনের স্বার্থের বিপরীতে যায়। এ ছাড়া নাসের ফ্রান্সের উপনিবেশ আলজেরিয়ায় স্বাধীনতাযোদ্ধাদের সাহায্য করা এবং আরও কিছু কারণে ফ্রান্সের চরম বিরাগভাজন হয়েছিলেন।

প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর যে বিশ্বব্যবস্থা তৈরি হয়েছিল, তাতে একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী দুটি (ব্রিটেন ফ্রান্স) দেশই নাসেরের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তারপর এই দুই দেশের সঙ্গে এক পরিকল্পনায় অংশ নিয়ে ইসরায়েল মিসরকে আক্রমণ করে। সেই যুদ্ধ থেকে সুয়েজ খালকে রক্ষা করার নাম নিয়ে ব্রিটেন এবং ফ্রান্স মিসরে ঢুকে সেই অঞ্চল দখল করে নেয়। এর আগেই এমন কোনো যুদ্ধের সম্ভাবনার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডুইট আইসেনহাওয়ার ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইসরায়েলকে সতর্ক করে দেন।

নাসের সেই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের ব্লকে ছিলেন। মিসরে ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের হামলার পর সোভিয়েত ইউনিয়নের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট নিকিতা ক্রুশ্চেভ প্রকাশ্যে হুমকি দিয়ে বলেছিলেন তারা হামলা বন্ধ না করলে ক্রুশ্চেভ তাদের পারমাণবিক বোমা দিয়ে আক্রমণ করবেন। আইসেনহাওয়ারও প্রচণ্ড চাপ দিয়ে মিসরের ওপরে আক্রমণকারী তিনটি দেশকে যুদ্ধবিরতিতে বাধ্য করেন। জাতিসংঘ বাহিনী গিয়ে সুয়েজ খালের নিরাপত্তা বিধান করে। শেষ পর্যন্ত সুয়েজ খালের ওপরে জাতিসংঘের মাধ্যমে (যাতে যুক্তরাষ্ট্র আর সোভিয়েত ইউনিয়নের বড় ভূমিকা আছে) মিসরের মালিকানা স্বীকৃত হয়।

সুয়েজ খালের মালিকানা শেষ পর্যন্ত কীভাবে কার কাছে গেল, সেটা বড় ব্যাপার নিশ্চয়ই। কিন্তু এর চেয়েও বড় ব্যাপার হচ্ছে, ঘটনাটির মাধ্যমে বিশ্বব্যবস্থার নেতৃত্ব একেবারে স্পষ্টভাবে পাল্টে গিয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরই এটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল ফ্রান্স আর ব্রিটেন তখন বিশ্বব্যবস্থাকে একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণকারী থাকার পর্যায়ে নেই। কিন্তু সুয়েজ খাল সংকট বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট করে দিল ওই দুই শক্তিকে সরিয়ে দিয়ে বিশ্বব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করতে যাচ্ছে নতুন দুটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের আলোচনায় ‘সুয়েজ ক্যানাল ক্রাইসিস মোমেন্ট’, সেটাকে বলা হয় যখন কোনো একটি ঘটনা বিদ্যমান বিশ্বব্যবস্থার নেতৃত্ব পাল্টে দেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি করে। ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন এমন একটা পরিস্থিতি কি না, সেটা নিয়ে মতপার্থক্য থাকলেও এতে কোনো সন্দেহ নেই, তাইওয়ান নিশ্চিতভাবেই হতে যাচ্ছে একটি ‘সুয়েজ ক্যানাল ক্রাইসিস মোমেন্ট’। তাইওয়ানকে দখল করে (চীনের ভাষায় পুনরেকত্রীকরণ) সেটাকে সফলভাবে ধরে রাখতে পারলে পৃথিবীর সামনে একেবারে স্পষ্ট হয়ে যাবে, ভবিষ্যতে বিশ্বব্যবস্থা কার নিয়ন্ত্রণে চলবে।

ফিরে আসা যাক জন মার্শেইমার প্রসঙ্গে। দানবকে খাওয়ানো (ফিডিং দ্য বিস্ট) কথাটি চীন-যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্কের ক্ষেত্রে খুব ব্যবহার করেন তিনি। চীন সম্পর্কে তিনি বলেন, সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পরও বছরের পর বছর যুক্তরাষ্ট্র তার কারখানা, প্রযুক্তি অনেক কিছু চীনে স্থানান্তর করেছে বেশি লাভের আশায়। এ ছাড়া গ্লোবালাইজেশনকে অতি গুরুত্ব দিতে গিয়ে চীন থেকে সস্তায় নানা পণ্য পেয়ে নিজের অনেক পণ্য উৎপাদন থেকে সরে গিয়েছে তারা। এভাবে চীনকে বৈশ্বিক ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’–এ পরিণত করে অকল্পনীয় অর্থনৈতিক সক্ষমতা তৈরি করে দিয়েছে। আর সেই অর্থনৈতিক সক্ষমতার এক গুরুত্বপূর্ণ ‘উপজাত’ হচ্ছে সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি।
মার্শেইমার বিশ্বাস করেন, চীনই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র এবং উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রধান শত্রু, যাকে তিনি দানবের সঙ্গে তুলনা করেন। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের নানা পলিসিই প্রকারান্তরে চীনকে আজ অর্থনৈতিক এবং সামরিকভাবে ভয়ংকর শক্তিশালী করে তুলেছে। কৌশলগত এই ভুলকে তিনি বলেছেন ‘ফিডিং দ্য বিস্ট’।

মার্শেইমার বলেন, তাইওয়ানের স্বাধীন হওয়া উচিত এবং তাতে চীন তার ঘোষণা অনুযায়ী তাইওয়ানের বিরুদ্ধে আগ্রাসন শুরু করলে যুক্তরাষ্ট্রের উচিত হবে সশস্ত্রভাবে চীনকে নিবৃত্ত করা। তিনি বিশ্বাস করেন, তাইওয়ানের ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অস্পষ্টতা (স্ট্র্যাটেজিক এমবিগিউটি) থেকে সরে এসে এ ব্যাপারে স্পষ্ট ঘোষণা যুক্তরাষ্ট্র দিক। প্রশ্ন হচ্ছে, রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনের ক্ষেত্রে মার্শেইমারের বক্তব্যকে যাঁরা ‘বেদবাক্য’ বলে মনে করেছিলেন, তাঁরা কি চীনের ক্ষেত্রে মার্শেইমারকে মেনে নেবেন?
মার্শেইমার এমন কথা না বললেও আমাদের আলাপ করতেই হতো যে চীননিয়ন্ত্রিত একটা বিশ্বব্যবস্থা কেমন হতে পারে? সেটার আলামত দেখা যায় নানা দেশেই, দেখা যায় আমাদের দেশেও। ২০১৮ সালে পৃথিবীতে নজিরবিহীন রাতে ব্যালট বাক্স ভরার নির্বাচনে ‘নিরঙ্কুশভাবে বিজয়ী হওয়ায়’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে প্রথম অভিনন্দন জানিয়েছিলেন চীনের প্রেসিডেন্ট এবং প্রধানমন্ত্রী। শুধু সেটাই নয়, অভিনন্দন জানাতে নির্বাচনের পর দিন চীনা প্রতিনিধি প্রধানমন্ত্রীর হাতে শুভেচ্ছা স্মারক সোনার নৌকা তুলে দিয়ে আসেন।

এখানেই শেষ নয়, এর কয়েক দিন পর ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি চীনের সরকারি মুখপাত্র ‘গ্লোবাল টাইমস’-এ ‘বাংলাদেশ ক্যান আনলিশ মোর অপরচুনিটি বাই ওভারকামিং পার্টিজান পলিটিকস’ নামের একটি মতামত প্রকাশিত হয়। পুরো লেখাটির মূল বক্তব্য হচ্ছে, যে ধরনের বহুদলীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সারা পৃথিবীতে প্রচলিত, সেটা বাজে ব্যবস্থা। দাবি করা হয়েছে, এমনকি পশ্চিমা উন্নত গণতান্ত্রিক দেশগুলোতেও গণতন্ত্র সঠিকভাবে চলছে না এবং সেটা জনগণের স্বার্থ রক্ষা করতে পারছে না। মতামতের উপসংহারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বহুদলীয় গণতন্ত্র থেকে মুক্ত হতে পারলে আরও অনেক বেশি উন্নয়ন করতে পারবে। আসুন, আমরাই আমাদের প্রশ্ন করি, চীননিয়ন্ত্রিত (সঙ্গে মাইনর পার্টনার রাশিয়া) একটি বিশ্বব্যবস্থা কি মেনে নিতে প্রস্তুত আমরা?

তাইওয়ান (রিপাবলিক অব চায়না, আরওসি) থেকে সরে এসে মেইনল্যান্ড চীনকে (পিপলস রিপাবলিক অব চায়না, পিআরসি) একমাত্র চীন হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সময় যুক্তরাষ্ট্র পিআরসির সরকারকে চীনের একমাত্র বৈধ সরকারের স্বীকৃতি দেয়। কিন্তু তাইওয়ানের ওপর চীনের সার্বভৌমত্বের স্বীকৃতি দেয়নি। যুক্তরাষ্ট্র যদি সেটা করতই তাহলে কীভাবে তারা তাইওয়ানের সঙ্গে সম্পর্ক আইন, ১৯৭৯ পাস করে? কীভাবে তারা ‘চীনের অন্তর্ভুক্ত একটি অঞ্চল’–এর কাছে সর্বাধুনিক সব যুদ্ধাস্ত্র বিক্রি করে?

বল প্রয়োগের মাধ্যমে তাইওয়ানকে দখল করলে চীনের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেবে যুক্তরাষ্ট্র, এমন একটা ঘোষণা তাইওয়ানকে দ্রুত সরাসরি স্বাধীনতা ঘোষণার পথে নিয়ে যেতে পারে, এমন কথা বলেন অনেকে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি, এমন ঘোষণা বল প্রয়োগের ক্ষেত্রে চীনকে নিবৃত্তকারী (ডেটারেন্ট) হিসেবে কাজ করবে। এমন ঘোষণা দেওয়া অনৈতিকও হবে না যুক্তরাষ্ট্রের জন্য; যুক্তরাষ্ট্র কখনোই তাইওয়ানের ওপর চীনের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেয়নি।

  • ডা. জাহেদ উর রহমান ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের শিক্ষক

কলাম থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন