অভিমত–বিশ্লেষণ
‘ফল ফ্রম বিল্ডিং’: এই মৃত্যু কি নিছক দুর্ঘটনা?
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলেজ বা ছাত্রাবাসের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু কোনোভাবেই ‘স্বাভাবিক দুর্ঘটনা’ হিসেবে মেনে নেওয়ার বিষয় নয়। প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভবনের নকশা, নিরাপত্তাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ, তদারকি এবং জরুরি সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা—সবকিছুকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। লিখেছেন গওহার নঈম ওয়ারা
একটি বাড়ির খোলা ছাদে দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। ছাদ না বলে একে ছাদবাগানবাড়ি বলা যায়। গাছপালার সঙ্গে অনেক দেশি-বিদেশি পাখি আছে ছাদে।
আয়োজনে আসা শিশুদের মন সেদিকেই বেশি। তারা পাখির মতো ছোটাছুটি করছে ছাদজুড়ে। আনন্দে মেতে আছে তারা। দু-একটি পাখি কথাও বলে। কেবল একটি শিশু তার বাবার কোল ঘেঁষে বসে আছে চুপচাপ, যেন কথা বলা ভুলে গেছে। চারপাশের কোনো কিছুতেই তার মন টানছে না।
মনমরা শিশুটির কাছেই প্রথম জানলাম, তাদের স্কুলে সেদিন একটা ‘গন্ডগোল’ হয়েছে। অনেক উঁচু ছাদ থেকে একজন সিনিয়র ভাই পড়ে গেছে। বুঝলাম, ফুল-পাখি-গাছ কেন তাকে টানছে না! কেন সে এত চুপচাপ।
সঙ্গে থাকা শিশুটির বাবাও প্রথম শুনলেন দুর্ঘটনাটির কথা। শিশুদের কাছে থেকেও আমরা বড়রা যে তাদের সঙ্গে থাকি না, থাকি তাদের মন থেকে অনেক দূরে—এটি তার একটি জ্বলন্ত উদাহরণ।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাদ কিংবা শিক্ষার্থীদের মেস বা ছাত্রাবাসের ছাদ থেকে পড়ে যাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম নয়। ঘটছে আকছার!
সব খবর ছাপার কাগজে আসে না। আমিও প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম প্রকাশ করতে ভয় পাচ্ছি। নাম লিখলে হয়তো কেউ সেটা ছাপাতে রাজি হবেন না। সন্দেহ নেই, এসব প্রতিষ্ঠানের চালক, পরিচালক বা মালিক খুবই শক্তিশালী, পেশিশক্তির অধিকারী।
১৩ সেপ্টেম্বর সকালে মালিবাগের যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বহুতল ভবন থেকে কথিত এক শিক্ষার্থী নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়, সে পরদিন ১৪ সেপ্টেম্বর সকালে হাসপাতালে মারা যায়।
প্রায় সব মূলধারার সংবাদমাধ্যমে খবরটি তেমন পাত্তা পায়নি। বয়স নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে মতান্তর থাকলেও সবাই লিখেছে, সে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে—কেউ লিখেছে ‘ফল ফ্রম বিল্ডিং’ আবার কেউ লিখেছে ‘জাম্পিং ফ্রম দ্য টেনথ ফ্লোর’। এখন তদন্তই ঠিক করবে, আসলে ঘটনাটি কী ছিল।
গত ১২ মে ২০২৫ এক শিক্ষার্থীর বাবা যখন তাঁর জন্য আরামবাগের একটি নামকরা কলেজের গেটের বাইরে অপেক্ষা করছিলেন, তখন তাঁর কাছে খবর আসে, তাঁর ছেলে ছাদ থেকে পড়ে গেছেন। ছেলেটি কলেজে এসেছিলেন আসন্ন এইচএসসি পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড সংগ্রহ করতে। এখানেও ঘটনার কারণ সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাওয়ার আগে তদন্তের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের জন্য ছাদে প্রবেশের নিয়ম নির্ধারণ করতে হবে। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর উপস্থিতিতে সেখানে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। পানির ট্যাংক, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ভবনের প্রান্ত এবং অন্যান্য বিপজ্জনক স্থান সুরক্ষাবেষ্টনী দিয়ে আলাদা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বিশ্রাম, খোলা বাতাসে থাকার বা কথা বলার জন্য নিরাপদ কমন স্পেস তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ ছাদে যেতে না হয়।
উল্লেখ্য, প্রায় একই সময়ে ওই কলেজের ১৮ বছর বয়সী আরেক শিক্ষার্থী মারা যান। ফলে ১২ মে ২০২৫-কে কেন্দ্র করে কলেজটির দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর সংবাদমাধ্যমে আসে।
গত ২৬ জুলাই ২০২২ আসাদ অ্যাভিনিউ, মোহাম্মদপুরের ঐতিহ্যবাহী একটি স্কুলের এ লেভেলের ১৭ বছর বয়সী এক শিক্ষার্থী স্কুলের তিনতলা ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মারা যায়।
পুলিশ ও স্কুল কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, সে ছাদ থেকে লাফ দিয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। পরিবারও এ ঘটনায় আর কোনো অভিযোগ করেনি; তারা ‘বাস্তবতা’ মেনে নিয়েছিল।
ঢাকার নামীদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানই শুধু নয়, রাজধানীর বাইরেও এমন ঘটনা ঘটছে হরহামেশাই। ময়মনসিংহের একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের (২০২৬) একজন এইচএসসি পরীক্ষার্থীর ঘটনাটি মালিবাগের স্কুলটির ঘটনার সঙ্গে তুলনা করা যায়।
সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রাতে লোডশেডিং চলাকালে তিনি ছাদে উঠে মুঠোফোনে কথা বলছিলেন এবং অসাবধানতাবশত ছাদের কিনারা থেকে পড়ে যান। অর্থাৎ এখানে আত্মহত্যার কোনো প্রমাণের কথা প্রতিবেদনে নেই। এটি ভবন ও ছাদের নিরাপত্তা নিয়ে মনে নানা প্রশ্ন জাগায়।
চলতি বছর (২০২৬) ময়মনসিংহের একটি মাদ্রাসার শিক্ষার্থী ছয়তলা থেকে পড়ে মারা যায়। ঘটনার আগে সিসিটিভিতে তাকে একা ছাদে উঠতে দেখা যায়। প্রায় একই ধরনের ঘটনায় ২০২৬ সালের মার্চে টাঙ্গাইলের একটি স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী ছয়তলা স্কুল ভবনের ছাদ থেকে পড়ে মারা যায় বলে সংবাদপত্রের প্রতিবেদনে জানা যায়। টাঙ্গাইলের একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-সংলগ্ন ছাত্রাবাসে এক শিক্ষার্থী দ্বিতীয় তলার বারান্দা থেকে পড়ে মারা যান (জুলাই ২০২৬)।
এ ছাড়া যশোরে (হামিদপুর ডিগ্রি কলেজের ছাত্র), সিলেটে (মদনমোহন কলেজের ছাত্র), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (শহীদ হাবিবুর রহমান হল) এবং কিশোরগঞ্জের ভৈরবে (হাজী আসমত কলেজ)—বিভিন্ন স্থানে শিক্ষার্থীদের এমন মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। কোথাও শখের বশে, কোথাও স্রেফ বৃষ্টিতে ভিজতে গিয়ে, কোথাও কাপড় মেলতে গিয়ে, কেউবা কবুতরকে দানাপানি খাওয়াতে গিয়ে মারা গেছেন বলে জানানো হয়েছে।
এসব মৃত্যু কি প্রতিরোধযোগ্য
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কলেজ বা ছাত্রাবাসের ছাদ থেকে পড়ে শিক্ষার্থীর মৃত্যু কোনোভাবেই ‘স্বাভাবিক দুর্ঘটনা’ হিসেবে মেনে নেওয়ার বিষয় নয়। প্রতিটি ঘটনা আলাদাভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে ভবনের নকশা, নিরাপত্তাব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের মানসিক চাপ, তদারকি এবং জরুরি সাড়া দেওয়ার সক্ষমতা—সবকিছুকে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে।
এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কেউ ছাদ থেকে পড়ে মারা গেলে ঘটনাটিকে আগে থেকেই আত্মহত্যা, দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো নির্দিষ্ট কারণ হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না। তদন্তের মাধ্যমে কারণ নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিরোধের জন্য নিচের পদক্ষেপগুলো বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাসের বাস্তবতায় প্রয়োগ করা যেতে পারে।
১. ছাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা: প্রথম ও সবচেয়ে জরুরি পদক্ষেপ
ছাদ থেকে পড়ে মৃত্যুর ঝুঁকি কমাতে ভবনের ভৌত নিরাপত্তা সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে। যথেষ্ট উচ্চতার, মজবুত এবং সহজে চড়া যায় না—এমন সুরক্ষাবেষ্টনী থাকতে হবে। অনুমোদিত কর্মী ছাড়া শিক্ষার্থীদের প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ লক, প্রবেশের রেকর্ড এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তদারকির ব্যবস্থা থাকতে হবে।
নিচু দেয়াল, ভাঙা রেলিং বা সহজে টপকানো যায় এমন কাঠামো মেরামত করতে হবে। ছাদ ও বারান্দার কাছে উন্মুক্ত বা ঝুঁকিপূর্ণ বিদ্যুতের তার সরিয়ে নিরাপদ করতে হবে। সিঁড়ি, ছাদে ওঠার পথ ও ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে।
শুধু তালা লাগানো যথেষ্ট নয়। জরুরি অবস্থায় নিরাপদে বের হওয়ার ব্যবস্থা, নিয়মিত ভবন পরিদর্শন এবং সুরক্ষাবেষ্টনীর কার্যকারিতাও পরীক্ষা করতে হবে। স্কুল ভবনের নিরাপত্তা বিষয়ে যুক্তরাজ্যের সরকারি নির্দেশিকাতেও উচ্চতায় কাজ ও ভবন থেকে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পনা, তদারকি ও উপযুক্ত সুরক্ষার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
দেশে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ছাত্রাবাসে বছরে অন্তত দুবার ছাদ, বারান্দা, সিঁড়ি ও জানালার নিরাপত্তা পরিদর্শন বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে। নতুন ভবনের অনুমোদন এবং পুরোনো ভবনের নবায়নের সঙ্গে নিরাপত্তা যাচাই যুক্ত করা প্রয়োজন।
২. ছাদকে ‘নিষিদ্ধ স্থান’ নয়, ঝুঁকিমুক্ত স্থান হিসেবে পরিকল্পনা করা
ছাদে শিক্ষার্থীর প্রবেশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করার নীতি সব ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত নয়। অনেক ভবনে ছাদে কাপড় শুকানো, পানি ব্যবস্থাপনা, রক্ষণাবেক্ষণ বা অন্যান্য প্রয়োজন থাকে। তাই তিন স্তরের ব্যবস্থা করা যেতে পারে: ১. নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ, ২. ঝুঁকিপূর্ণ অংশ আলাদা করা এবং ৩. নিরাপদ বিকল্প জায়গার ব্যবস্থা করা।
৩. আত্মহত্যার ঝুঁকি চিহ্নিত করতে মানসিক স্বাস্থ্যসেবা
কিছু ঘটনা আত্মহত্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, আবার কিছু ঘটনায় দুর্ঘটনা, বৈদ্যুতিক ঝুঁকি, শারীরিক অসুস্থতা বা অন্যান্য কারণ থাকতে পারে। তাই নিরাপত্তা পরিকল্পনায় মানসিক স্বাস্থ্যকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। তবে প্রতিটি মৃত্যুকে আত্মহত্যা হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।
৪. ছাত্রাবাসে ২৪ ঘণ্টার নিরাপত্তা ও তদারকি
ছাত্রাবাসে শিক্ষার্থীরা পরিবারের বাইরে বসবাস করে। তাই নিরাপত্তার দায়িত্ব শুধু শিক্ষার্থীর নিজের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না।
৫. প্রতিটি ঘটনার পর স্বাধীন তদন্ত
কোনো শিক্ষার্থী পড়ে মারা গেলে শুধু শোক প্রকাশ বা সাময়িকভাবে ছাদ বন্ধ করে দেওয়াই যথেষ্ট নয়। তদন্তে নিচের প্রশ্নগুলো থাকতে হবে:
ক. ভবনের ছাদ বা বারান্দার সুরক্ষা মানসম্মত ছিল কি?
খ. ঘটনার সময় ছাদে প্রবেশের নিয়ম ও তদারকি কেমন ছিল?
গ. বিদ্যুতের তার, রেলিং, সিঁড়ি বা অন্য কোনো ভৌত ঝুঁকি ছিল কি?
ঘ. ঘটনার আগে শিক্ষার্থীর সঙ্গে কোনো বিরোধ, নির্যাতন, বুলিং বা মানসিক সংকটের তথ্য পাওয়া যায় কি?
ঙ. জরুরি চিকিৎসা পেতে কত সময় লেগেছে?
চ. একই ধরনের ঘটনা যাতে আবার না ঘটে, সে জন্য কী সংশোধনী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে?
স্বাধীন তদন্ত কেন?
প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ নিজের দায় নির্ধারণের একমাত্র দায়িত্বে থাকলে স্বার্থের সংঘাত তৈরি হতে পারে। গুরুতর কোনো ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, ভবন নিরাপত্তা–বিশেষজ্ঞ, চিকিৎসক এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থার সমন্বয়ে তদন্ত করা উচিত।
শিক্ষার্থীদের জন্য ছাদে প্রবেশের নিয়ম নির্ধারণ করতে হবে। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময় এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীর উপস্থিতিতে সেখানে প্রবেশের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। পানির ট্যাংক, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম, ভবনের প্রান্ত এবং অন্যান্য বিপজ্জনক স্থান সুরক্ষাবেষ্টনী দিয়ে আলাদা করতে হবে। শিক্ষার্থীদের বিশ্রাম, খোলা বাতাসে থাকার বা কথা বলার জন্য নিরাপদ কমন স্পেস তৈরি করা প্রয়োজন, যাতে তাদের ঝুঁকিপূর্ণ ছাদে যেতে না হয়।
পৌর কর্তৃপক্ষ বা রাজউক কি জানে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাবিষয়ক নকশার মানদণ্ড কী? সেখানে ভৌত কাঠামো কেমন হওয়া উচিত? প্রবেশপথ, সিঁড়ি, ছাদ, রেলিং—এসব কেমন হওয়া উচিত, সে বিষয়ে কি নির্দিষ্ট মানদণ্ড আছে? যেসব প্রতিষ্ঠান স্থাপত্যকৌশল শেখায়, তারা কি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর কাঠামো নিয়ে আলাদাভাবে ভাবে? এ বিষয়ে গবেষণা করে?
গওহার নঈম ওয়ারা গবেষক, স্বাধীনতার ৫০ বছর: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশের অর্জন বইয়ের লেখক
মতামত লেখকের নিজস্ব
