কিন্তু কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম ছিলো খুবই ধীর গতির। সেশনজটসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত ছিল তাদের কার্যক্রম। তাই সেই সমস্যা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হলেও তেমন কোনো সুফল পাচ্ছে না এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

করোনার সময় সৃষ্ট সেশনজটের ফলে ২০২০ সালের ফাজিল পরীক্ষা ২০২২ সালের শুরুতে নিতে সক্ষম হলেও ২০২১ সালের ফাজিল পরীক্ষার ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা লক্ষণীয়। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাদের স্নাতক  সম্মান) ১ম বর্ষের পরীক্ষা প্রায় সম্পূর্ণ এবং স্নাতক (পাস) পরীক্ষার্থীদের ফরম পূরণ সম্পূর্ণ করলেও অনেকটা পিছিয়েই আছে আরবি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এখনও ফরম পূরণই শুরু করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয়টি।

এমতাবস্থায় পরীক্ষার্থীরা ২০২১ সালের পরীক্ষা ২০২২ সালেও দিতে পারবে কি না সেই ব্যাপারে সন্ধিহান। করোনার ফলে শিক্ষা জীবনে এমনিতেই প্রায় দেড় বছর পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীরা এই সেশনজটের ফলে আরো বেশি হতাশায় ভুগছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাদের শিক্ষার্থীদের কথা চিন্তা করে সেশনজট কমাতে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও পুরোপুরি ভিন্ন চিত্র আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ে। তারা সেশনজট কমানো তো দূরে থাক যথাসময়ে পরীক্ষা নিতেও ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে।

তাই সকল শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় অতি দ্রুত ফাজিল ২০২১ এর পরীক্ষা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। একই সাথে প্রতি বছর যথাসময়ে পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ারকে এগিয়ে দিতে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানাচ্ছি।

আবু ছাকিব মো. নাজমুল হক
শিক্ষার্থী
বখতার মুনশী ফাজিল মাদ্রাসা
সোনাগাজী, ফেনী।