তাইওয়ানকে ঘিরে উত্তেজনায় লাভ যুক্তরাষ্ট্রের

বোঝাই যাচ্ছে একালের ‘ঠান্ডাযুদ্ধ’টা শুরু হয়েছে তাইওয়ানকে মাঝখানে রেখে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের এই ‘যুদ্ধ’ বিবৃতি উত্তেজনাতেই আর সীমিত থাকবে কি? নাকি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রের মহা সমরে রূপান্তরিত হচ্ছে সেটা? তাইওয়ানে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা চলছে। সামরিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের অনুমান—প্রতিপক্ষের উসকানি এত তীব্র যে তাইওয়ানের ধৈর্যচ্যুতি ঘটে যেতে পারে। চীনও সচেতনভাবে সেটা চাইছে। আবার কারও কারও মতে যুদ্ধ নয়, রাজনৈতিক স্বার্থ, অস্ত্র ব্যবসা ও সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় তাইওয়ানকে ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে।

বেইজিং চাইছে তাইওয়ানে চীনপন্থীদের সমর্থন বাড়ুক

বিশ্ব অতীতে শক্তির দম্ভ দেখেছে বহুবার। তারই অত্যাধুনিক এক সংস্করণ দেখাচ্ছে চীন এখন তাইওয়ানের উপকূলে। আয়তনে বাংলাদেশের চার ভাগের এক ভাগের সমান তাইওয়ান। লোকসংখ্যা চীনের দুই শতাংশের সমানও হবে না। সাবি৴ক অর্থে ছোট্ট এ রকম একটি দ্বীপকে ভয় দেখাতে চীন গত সপ্তাহে চার দিনে প্রায় দেড় শ যুদ্ধবিমান উড়িয়েছে তাইপের গা ঘেঁষে। পারমাণবিক বোমা বহনকারী এইচ-৬ বিমানও ছিল ওই বহরে। এ বছর চীন ৬০০ বার তাইওয়ানকে এভাবে ভয় দেখিয়েছে। গত বছর একই কাজ করেছে ৩৮০ বার। অতীতে এ রকম অভিযানে থাকত মূলত গোয়েন্দা বিমান। এখন যুদ্ধসাজে সজ্জিত বিমানই মহড়ায় অংশ নিচ্ছে বেশি। পাশাপাশি থাকছে তাইওয়ানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সিগন্যাল জ্যাম করে দেওয়ার মতো বিমান।

বেইজিংয়ের শাসকদের কাছে এসবে দোষের কিছু নেই। তারা তাইওয়ানকে নিজেদের (বিদ্রোহী) ভূখণ্ড হিসেবে দেখে। এর মানে দাঁড়ায়, নিজ জনগণকে তারা আনুগত্যের জন্য পারমাণবিক বোমা দিয়ে ভয় দেখাতেও প্রস্তুত। শক্তির এ রকম মহড়ার পক্ষে চীনের আরেকটি যুক্তি হচ্ছে, তাইওয়ান যাতে ‘স্বাধীন’ হয়ে না যায়, সে ব্যাপারে সতর্ক করে দেওয়া হচ্ছে।

চীনের এ রকম ব্যাখ্যা বেশ কৌতুককর। কারণ তাইওয়ান নিজেকে স্বাধীন দেশ মনে করে বহুকাল ধরে। ৭০ বছর পেরিয়ে গেছে এই দুই স্থলভাগ আলাদা। যদিও তাইওয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতা ঘোষণা করেনি। কিন্তু পৃথক সংবিধান ও সশস্ত্র বাহিনী সবই আছে তাদের। আছে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারও।

কিন্তু প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং গত সপ্তাহে আবারও বললেন, তাইওয়ানকে মূল ভূখণ্ডে ‘যুক্ত হতেই হবে।’ এটিই চীনের ভাষায় ‘পুনরেকত্রীকরণ’। বক্তব্যের শেষে তিনি এ–ও বলে রেখেছেন, ‘বিচ্ছিন্নতাবাদ দমনে চীনের গৌরবময় ঐতিহ্য রয়েছে।’ অর্থাৎ পুনরেকত্রীকরণের জন্য কৌশলে হুমকিও দিলেন তিনি।

সি চিন পিংয়ের শাসনামলেই তাইওয়ান-চীন উত্তেজনা ছড়াচ্ছে বেশি। দেশে কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠায় হংকং ও উইঘুরদের জিনজিয়াংয়ে কঠোর অভিযান আঙ্কেল সিকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে। এখন তাইওয়ানকে স্থায়ী হুমকিতে রেখে তিনি জাতীয়তাবাদী চীনাদের কাছে নিজের শক্তিশালী ভাবমূর্তির শেষ অংশ গড়ছেন।

ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মাঝে ঠান্ডাযুদ্ধের গোড়ার দিকে গত কয়েক বছর ধরে যে প্রযুক্তিযুদ্ধ চলছে, তার বড় অংশ সেমিকন্ডাক্টর খাতকে ঘিরে। চীনের অসুবিধার দিক— এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও বিশেষভাবে তাইওয়ান।

এই অর্থে, তাইওয়ানবিরোধী আগ্রাসী মনোভঙ্গি চীনের শাসকদের অভ্যন্তরীণ এক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক বর্ম এ মুহূর্তে। আবার অনেক ভাষ্যকারের ধারণা, সি চিন পিং ক্রমাগত হুমকির মাধ্যমে তাইওয়ানিজদের মনস্তাত্ত্বিকভাবে বাধ্য করতে চাইছেন চীনপন্থী কুমিংতাং পার্টিকে ভোট দেওয়ার জন্য। কুমিংতাং পার্টি ভোটে ভালো করলে চীনের জন্য তাইওয়ান প্রশ্নে বোমা-বারুদ ব্যয় করতে হয় না।

কিন্তু এশিয়ার ১১০ বছরের পুরোনো এই দলটি কোনোভাবেই তাইওয়ানে ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটিক প্রগ্রেসিভ পার্টির সঙ্গে আগের মতো আর পেরে উঠছে না ভোটাভুটিতে। তাইওয়ানের তরুণেরা এই দলের চীনপন্থী অবস্থান একদম পছন্দ করছে না আর।

সেমিকন্ডাক্টর শিল্পও উত্তেজনার উপাদান হলো

১৯৪৯ সালে চীনের মূল ভূখণ্ডে সাম্যবাদী বিপ্লবের পর থেকেই তাইওয়ানের সঙ্গে বেইজিংয়ের রাজনৈতিক বিরোধ। এখন উভয় জমিনে পুঁজিতন্ত্রই চলছে দাপটের সঙ্গে। কিন্তু তাইওয়ান পুরোনো ভূখণ্ডে আর যুক্ত হতে চায় না। আবার তাইওয়ানকে ছাড়া চীনের জাতীয়তাবাদী ক্ষুধা অতৃপ্ত হয়ে আছে। তাইওয়ানের শিল্প–প্রতিভার ইতিমধ্যে যে বিকাশ ঘটেছে সেটিও চীনের জন্য এক লোভনীয় বিষয় হয়ে উঠেছে। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পে তাইওয়ান বিশ্বে অপরিহার্য এক শক্তি। সিলিকন থেকে সমন্বিত সার্কিট বানানো—পুরো প্রযুক্তি চেইনে তাদের রয়েছে বৈশ্বিক মানবসম্পদের বড় অংশ।

এ রকম একটি সমৃদ্ধ দ্বীপকে সঙ্গে পেলে বৈশ্বিক চিপ-যুদ্ধে চীনের দুর্ভাবনা কাটত। ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মাঝে ঠান্ডাযুদ্ধের গোড়ার দিকে গত কয়েক বছর ধরে যে প্রযুক্তিযুদ্ধ চলছে, তার বড় অংশ সেমিকন্ডাক্টর খাতকে ঘিরে। চীনের অসুবিধার দিক— এ খাতে যুক্তরাষ্ট্রের পাশে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও বিশেষভাবে তাইওয়ান। চার শক্তিই তার প্রতিপক্ষ। তাইওয়ান এ খাতের রীতিমতো বিস্ময় এখন। সে কারণে তাইওয়ানের একত্রীকরণ নিয়ে আঙ্কেল সির উত্তেজক কথাবার্তার পেছনে সেমিকন্ডাক্টর-যুদ্ধও বড় উপাদান হিসেবে কাজ করে থাকতে পারে বলে অনেকের অনুমান।

ভয় দেখিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে তাইওয়ানকে কাছে টানতে পারা চীনের জন্য মহাবিজয় হবে। একান্তই যদি যুদ্ধ বাধে, তাইওয়ানের সেমিকন্ডাক্টর খাত পেলেও চীনের লাভ, ধ্বংস হলেও লাভ।

যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে লাভবান

তাইওয়ানের নেতারা মনে করেন, চীনের সঙ্গে উত্তেজনা এমন পর্যায়ে আছে যে দুর্ঘটনাবশত গোলাগুলি শুরু হয়ে গেলে বিস্ময়ের কিছু থাকবে না। প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন সব সময় আত্মরক্ষার অধিকারের কথা বলছেন। তাঁর দেশের নতুন করে স্বাধীনতা ঘোষণা করারও কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন না তিনি। এ রকম ‘স্বাধীনতা ঘোষণা’ যে চীন তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক অভিযান চালিয়ে মোকাবিলা করবে তাতে সন্দেহ নেই।

স্বাধীনতা ঘোষণা করা না হলেও চীন ২০২৫ সাল নাগাদ তাইওয়ানে সামরিক অভিযান চালাবে বলে দ্বীপটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী চিউ কুয়ো-চেংয়ের অনুমান। সে অবস্থা সামলাতে তিনি ৯ বিলিয়ন ডলারের বিশেষ এক প্রতিরক্ষা বাজেটের ফর্দ দিয়েছেন দেশের সামনে। ব্যাপক হারে মিসাইল তৈরির এক উদ্যোগে নামতে চায় বর্তমান সরকার। ব্যাপক হারে মিসাইল বসিয়ে চীনের যুদ্ধবিমানের হামলা থেকে নিজেদের রক্ষা করা যেতে পারে বলে চিউ কুয়ো-চেংয়ের মতো নেতাদের অনুমান। তাইওয়ানের এ রকম পরিকল্পনা বিশ্বের সমরাস্ত্র শিল্পের জন্য বেশ ভালো খবর। চীন-তাইওয়ান উত্তেজনা এভাবেই বেশ বড়সড় এক রাজনৈতিক অর্থনীতি তৈরি করছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য।

ওয়াশিংটন একদিকে তাইওয়ানের জন্য ভরসা, অন্যদিকে প্রবল দুশ্চিন্তাও বটে। ওয়াশিংটন ‘এক চীন’ নীতির অনুসারী। তাইওয়ানকে আলাদা পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রসত্তা গণ্য করে না তারা। তবে তারা তাইপের কাছে নিয়মিত অস্ত্র বিক্রি করে যাচ্ছে। দ্বীপটির সঙ্গে অনানুষ্ঠানিকভাবে তার বিপুল দ্বিপক্ষীয় কারবার আছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টরা তাইওয়ানের আত্মরক্ষায় পাশে থাকার মৌখিক অঙ্গীকারও করেন প্রায়ই। যুক্তরাষ্ট্র যে তাইওয়ানের আত্মরক্ষায় সাহায্য করবে, এ বিষয়ে ১৯৭৯ সালে ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’ নামে আইনও করেছে কংগ্রেস। প্রশিক্ষক হিসেবে এক–দুই ডজন মার্কিন সৈন্যও তাইওয়ানে আছে বলে খবর বেরিয়েছে।

ছোট্ট একটি দ্বীপরাষ্ট্রের জন্য এ রকম মহাশক্তিধর চীনকে মোকাবিলা করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাস্তবসম্মত না–ও হতে পারে। বরং উত্তেজনার মাঝে যতটুকু পারা যায় অস্ত্রের ব্যবসা করে নেওয়াই লাভজনক হচ্ছে। আর চীন যদি তাইওয়ান দখল করেই নেয়, তাতেও ওয়াশিংটনের লাভ ছাড়া ক্ষতি নেই।


কিন্তু তাইওয়ানের নাগরিকেরা বুঝতে পারছে না, ওয়াশিংটনের ওপর কতটা ভরসা করা যায়। বেইজিংয়ের বিরুদ্ধে শক্ত হয়ে দাঁড়াতে হলে যুক্তরাষ্ট্রের মতো শক্তির পুরো মদদ দরকার। কিন্তু চূড়ান্ত মুহূর্তে সেটা পাওয়া যাবে কি না, তাইপের সার্বভৌমত্বের জন্য ওয়াশিংটন চীনের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধের ঝুঁকি নেবে কি না, এসব বিষয়ে নিশ্চিত কোনো আশ্বাস নেই। ‘তাইওয়ান রিলেশনস অ্যাক্ট’-এ এ রকম কথা বলা নেই যে চীন আক্রমণ করলে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানের হয়ে মোকাবিলায় নামবে। কিন্তু তাইওয়ান উপকূলে চীনের আগ্রাসী মহড়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য খুব লাভজনক। বেইজিং যত ভয় দেখাচ্ছে, তাইওয়ান তত অস্ত্রের অর্ডার দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে। গত বছর দুই দেশের মধে৵ প্রায় দুই বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বেচাকেনা হলো।

বিশ্বের ২০তম অর্থনীতির দেশ তাইওয়ান। সমৃদ্ধ দেশ। সম্পদের বড় অংশ এখন ঢালছে সামরিক খাতে। এই অঞ্চলে উত্তেজনা যত বাড়বে, একইভাবে সামরিক ব্যয় বাড়াতে বাধ্য হবে ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান। যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এসব বেশ উৎসাহব্যাঞ্জক। ‘উত্তেজনা’ আছে বলেই তারা এ অঞ্চলে নিজেদের উপস্থিতিও বাড়াতে পারছে। বলা যায়, চীন-তাইওয়ান উত্তেজনায় বহুভাবে সরাসরি লাভবান ওয়াশিংটন।

সি চিন পিংয়ের উচ্চাকাঙ্ক্ষার বলি হতে পারে তাইওয়ান

তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং-ওয়েন যথেষ্ট সাহসের সঙ্গে সব সময় চীনের বিরুদ্ধে পাল্টা কথাবার্তা বলেন। কিন্তু দেশটির ভেতরে ভয়ের আবহ আছে। বিশেষ করে হংকংয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলন সফলভাবে দমনের পর চীনকে বাড়তি ভয় পাচ্ছে তাইওয়ানের মানুষ। সি চিন পিং যে তাঁর দেশের স্বার্থে অবলীলায় নির্মম পদক্ষেপ নিতে পারেন, সেটিই প্রমাণিত হয়েছে হংকংয়ে। নানানভাবে সহানুভূতি দেখালেও ওয়াশিংটন হংকংয়ের গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে চীনের দমনাভিযান থেকে যে বাঁচাতে পারেনি, সেই সত্য সবার জানা।

একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র তাইওয়ানকেও বিপদে রেখে চুপ হয়ে যেতে পারে—অনেক তাইওয়ানিজের এ রকমই শঙ্কা। দেশটির তরুণদের একাংশ মনে করেন, তাঁদের মাতৃভূমিকে চীনের মূল ভূখন্ডে যুক্ত হতে বাধ্য করে সি চিন পিং ইতিহাসে বিশেষ উচ্চতায় স্থাপন করতে চান নিজেকে।

মাও সে তুং কিংবা দেং শিয়াও পিং যা পারেননি, আঙ্কেল সি সেটা করে দেখাতে চান। সেই লক্ষ্যে চীনের সামরিক সাধনাও যথেষ্ট সম্পন্ন হয়েছে। মাও এবং দেংয়ের আমলের চেয়ে চীনের সামরিক প্রযুক্তি ও বড় যুদ্ধে লিপ্ত হওয়ার সম্পদ ও সামর্থ্য অনেক বেশি এখন। ছোট্ট একটি দ্বীপরাষ্ট্রের জন্য এ রকম মহাশক্তিধর চীনকে মোকাবিলা করা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাস্তবসম্মত না–ও হতে পারে। বরং উত্তেজনার মাঝে যতটুকু পারা যায় অস্ত্রের ব্যবসা করে নেওয়াই লাভজনক হচ্ছে। আর চীন যদি তাইওয়ান দখল করেই নেয়, তাতেও ওয়াশিংটনের লাভ ছাড়া ক্ষতি নেই।

হ্যানয়, ম্যানিলা, সিউল, টোকিওসহ আশপাশের সবার কাছেই চীনকে আগ্রাসী শক্তি হিসেবে তুলে ধরার বাস্তব প্রমাণ থাকবে তখন। এ রকম আগ্রাসন শেষে তাইওয়ানজুড়ে গেরিলা প্রতিরোধ সৃষ্টিও ওই অঞ্চলে ওয়াশিংটনের উপস্থিতি বাড়াতে সাহায্য করবে। তাইওয়ান দ্বীপের জাতীয়তাবাদী ঐতিহ্য স্পষ্ট বলছে, এটা উইঘুরদের জিন জিয়াংয়ের মতো সহজে গিলে ফেলার মতো জনপদ নয়।

আলতাফ পারভেজ দক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাস বিষয়ে গবেষক