বিজ্ঞাপন

উৎপাদিত পণ্যের ভালো দাম পাওয়ায় যশোরের কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। কিন্তু অন্যান্য এলাকার আখচাষিদের মুখে হাসি নেই কেন, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। বেশির ভাগ সময় তাঁরা আখ বিক্রি করে উৎপাদন খরচই উঠিয়ে নিতে পারেন না। বিশেষ করে যেসব আখ চিনিকলের জন্য উৎপন্ন করা হয়, এসব আখচাষিকে চিনিকল কর্তৃপক্ষের মর্জির ওপর নির্ভর করতে হয়। অভিযোগ আছে, এসব চিনিকল কর্তৃপক্ষ সময়মতো আখ কেনে না। কিনলেও ন্যায্যমূল্য দেয় না। চিনি বিক্রি না হওয়ার অজুহাত দেখায় তারা।

চিনির দাম শুধু টাকার অঙ্কে হিসাব করা ঠিক নয়। যে আখ চিনির জোগান দেয়, সেই আখচাষিদের জীবন-জীবিকার কথাও ভাবতে হবে। তারা স্বল্প দামে সার ও সেচ-সুবিধা পেলে আখও কম দামে বিক্রি করতে পারবেন। আর কম দামে আখ বিক্রি করা হলে চিনির দামও কম পড়বে। দেশীয় আখচাষিদের জীবিকার পথ রুদ্ধ করে বিদেশ থেকে চিনি আমদানির বিলাসিতা বন্ধ হোক। সব কৃষিপণ্যের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করা হোক।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন