বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

উপজেলা বন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘গাছ কাটার জন্য বন বিভাগের অনুমতি নেওয়ার প্রয়োজন থাকলেও আমাদের কাছে কেউ অনুমতি চায়নি।’ নির্বাহী কর্মকর্তা মাধবী রায় বলেন, ‘আমগাছ কাটার সময় আমি কর্মস্থলে ছিলাম না। দুদিন ছুটিতে ছিলাম। সেই সময়ে এগুলো কাটা হয়েছে।’

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, উপজেলা পরিষদের ভবনটির পেছনে নতুন ভবন নির্মাণ করা হলে আমবাগানটি রক্ষা করা যেত। পরিবেশকর্মীরা মনে করেন, গাছ কাটার এ সিদ্ধান্ত আত্মঘাতী।

সৌন্দর্য রক্ষা কিংবা আমগাছে কী ধরনের ফল ধরল, সেটা বিবেচনা করে এতগুলো গাছ কাটা দুঃখজনক। এভাবে বৃক্ষনিধন ও বন উজাড়ের ফলে পরিবেশের ভারসাম্য বিনষ্ট হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাবে ভুগতে হচ্ছে সবাইকে। চলমান জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বনেতারা বন উজাড় না করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। অংশী দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে অবশ্যই অবাধে বৃক্ষনিধনের ব্যাধি থেকে মুক্ত হতে হবে। গাছ বাঁচিয়েই উন্নয়ন পরিকল্পনা নিতে হবে।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন