বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

যেকোনো উন্নয়ন পরিকল্পনার নানা দিক যাচাই-বাছাই করতে হয়, তারপরই মেলে অনুমোদন। অথচ এমন একটি প্রকল্প অনুমোদন পেয়েছে পরিকল্পনা কমিশনে। কমিশনের সভায় এ–ও উঠে আসে, প্রকল্পের আওতায় কোটি টাকার দামি গাড়িসহ যন্ত্রপাতি কেনা বাবদ বরাদ্দ রাখা হয়েছে বেশি। যেসব যন্ত্রপাতি করপোরেশনের আছে মানে কেনার প্রয়োজন নেই, সেগুলোও আছে তালিকায়। তার মানে অবৈধ বাণিজ্য–চক্রের জন্যও ‘সুবর্ণ’ সুযোগ রাখা হয়েছে। এখন এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়।

চট্টগ্রামে উন্নয়ন প্রকল্পের শেষ নেই। এরপরেও চট্টগ্রামের বাসিন্দাদের দুর্গতির শেষ নেই। প্রশ্নবিদ্ধভাবে করা হয়েছে একের পর এক উড়ালসড়ক। যুগ পার হয়ে যায় কিন্তু জলাবদ্ধতা সমস্যার সমাধান হয় না। টানা কয়েক ঘণ্টার বৃষ্টিতেই পুরো শহরের রাস্তা, নালা, খাল সব পানিতে সমান হয়ে যায়। সড়কের পাশে এলাকায় এলাকায় মরণফাঁদ তৈরি হয়ে আছে। নালায় পড়ে চলতি বছরেই কয়েকজন মারা গেল। সর্বশেষ এক ব্যক্তির তো লাশই খুঁজে পাওয়া গেল না। কার্যকর বা জনগণের কাজে লাগবে, এমন প্রকল্প গ্রহণের চেয়ে যদি কারও কারও পকেট ভরার ফন্দিফিকির থাকে, তবে যা হওয়ার তাই হচ্ছে চট্টগ্রামের অনেক উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে।

সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী বলছেন, এভাবে প্রকল্প নেওয়াটাই অপরাধ, যা দুর্নীতির পর্যায়ে পড়ে। এখন কি এ প্রকল্প একনেকে অনুমোদন হতে দেখব আমরা? গোঁজামিলে পূর্ণ প্রকল্পটি শুধু বাতিল নয়, যাঁরা এই প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি বা পরিকল্পনা করেছেন, তাঁদের জবাবদিহি নিশ্চিত ও বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন