বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কীভাবে সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হবে, কে করবেন, তা এখনো পরিষ্কার নয়। বিমান ও ট্রেনের টিকিট কাটার ক্ষেত্রে দুই ডোজ টিকার বাধ্যবাধকতা কার্যকর অসম্ভব নয়। রেস্তোরাঁ ও শপিং মলের ক্ষেত্রে বাস্তবায়ন কঠিন হবে। শপিং মলের বাইরে মার্কেট ও কাঁচাবাজারের ক্ষেত্রে কী করণীয়, সে নির্দেশনা নেই। বাজার ও মহাসড়কের পাশে যেসব রেস্তোরাঁয় শ্রমজীবী মানুষই বেশি যান, তাঁদের অনেকে এখনো টিকার বাইরে আছেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেছেন, রেস্তোরাঁ ও শপিং মলে নজরদারি করতে প্রতিটি শহরে তদারকি দল থাকবে। বাংলাদেশে যত শপিং মল-রেস্তোরাঁ আছে, তার তদারকিতে বিপুলসংখ্যক লোকবল প্রয়োজন। কারা কীভাবে তার জোগান দেবেন? আবার তিনি এ তদারকির জন্য সময় দেওয়ার কথাও বলেছেন। এর অর্থ এখনই কার্যকর হচ্ছে না। সীমান্ত তথা স্থল, বিমান ও নৌবন্দর সম্পর্কেও কিছু বলা হয়নি। পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যে অমিক্রন থাবা বিস্তার করেছে। গত বছর ডেলটার প্রাদুর্ভাব ঘটেছিল মূলত স্থলসীমান্ত দিয়েই। এ বিষয়ে সরকারের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।

অতএব সরকারকে বিচ্ছিন্নভাবে সিদ্ধান্ত নিলে হবে না। জাতীয় কারিগরি কমিটির পরামর্শ অনুযায়ী সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে এক মন্ত্রণালয় অন্য মন্ত্রণালয়ের ওপর, এক বিভাগ অন্য বিভাগের ওপর ব্যর্থতার দায় চাপাতে না পারে। সর্বোপরি যেকোনো কর্মসূচির সর্বোচ্চ ফল পেতে জনগণকে সম্পৃক্ত করতে হবে। জনগণ মানে সরকারি বা সরকারদলীয় লোক নয়; দলমত-নির্বিশেষে সব শ্রেণি ও পেশার মানুষ।

সম্পাদকীয় থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন